রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১১:১২ অপরাহ্ন

খবরের শিরোনাম:

কক্সবাজার ও সেন্ট মার্টিনে ‘ভাই-ব্রাদার্স’ এর আনন্দ ভ্রমণ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন স্থান ‘কক্সবাজার ও সেন্ট মার্টিনে ‘ভাই-ব্রাদার্স’ এর আনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন হয়েছে। গত ১৬ মার্চ রাত ১২টায় শায়েস্তাগঞ্জ রেল স্টেশন থেকে ‘ভাই-ব্রাদার্স’ এর আনন্দ ভ্রমণের যাত্রা শুরু হয়। পরদিন দুপুর ১২টায় ‘ভাই-ব্রাদাস’ এর সকল সদস্য বিশে^র সবচেয়ে বৃহৎ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার সী বীচে পৌছায়। সেখানে বিভিন্ন মাধ্যমে তারা তাদের মনকে রিফ্রেশ করার চেষ্টা করে। কেউ স্পীট বোটের মাধ্যমে উত্তাল সমুদ্র ভ্রমণ করে। আবার কেউ ঘোরায় উঠে সী বীচের আনন্দ উপভোগ করে। অনেকেই বেলুনে চড়ে সমুদ্রের পূর্ণাঙ্গ ভিউ দেখার উপভোগ করে। পরে সবাই মিলে সমুদ্রের নোনা পানিতে গোসল করে এবং ফাটোসেশনে মনোনিবেশ করে। পরে হোটেলে খাওয়া-দাওয়া শেষে সবাই আবারও সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে যায়। সেখানে তারা রাতের সী বীচের অপরূপ দৃশ্য দেখে আনন্দ উপভোগ করে এবং বিভিন্ন সামদ্রিক মাছের বারবিকিউ ও ফ্রাই খেয়ে ভ্রমণ কে উপভোগ্য করে তুলে।

পরদিন তারা টেকনাফ থেকে নাফ নদী হয়ে কেয়ারি জাহাজের মাধ্যমে সেন্ট মার্টিনে যাত্রা করে। পথিমধ্যে উত্তাল সাগরের দৃশ্য দেখার আনন্দ নেয়। মজার বিষয় হচ্ছে, সমুদ্রে যাত্রাপথে হাজার হাজার গাঙচিল মানুষের মনকে আন্দোলিত করে। কারণ তখন সমুদ্রের গাঙচিলগুলো জাহাজের ভ্রমণ পিপাসু লোকজনের হাতের কাছে চলে আসে। পর্যটকরাও গাঙচিলগুলোকে বিভিন্ন খাবার খাওয়াতে মনোনিবেশ করে। কেউ চিপস আবার কেউ বিস্কুট খাইয়ে গাঙচিলগুলোকে হাতের কাছে নিয়ে আসার চেষ্টা করে। কাছে আসার সাথে সাথেই ভ্রমণ পিপাসু লোকজন গাঙচিলগুলো নিয়ে ফটোসেশন এবং ভিডিও করার চেস্টা করে। দুপুর ১২টায় ‘ভাই-ব্রাদার্স’ এর সদস্যরা সেন্ট মার্টিনে পৌছায়। সেখানে নামার পর তারা সমুদ্রে পানিতে গোসল করে এবং ফটোসেশনে ব্যস্ত সময় পার করেন। বিকালে আবারও সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে যায় এবং সমুদ্রের পাড়ে চেয়ারে বসে নারিকেল জিঞ্জিরার প্রধাণ আকর্ষণ ডাব খেয়ে তাদের মনকে তৃপ্ত করে। দ্বারুচিনি দ্বীপে একদিন থেকে পরদিন তারা বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। আনন্দ ভ্রমনের উপস্থিত ছিলেন আসাদুজ্জামান অপু, এইচ এম হেলিম, বিজয় মালেক, নাহিদ হাসান সৃজন, শাহরিয়ার মাসুক ও প্রিথম শীলসহ ‘ভাই-ব্রাদার্স’ এর সকল সদস্যবৃন্দ।

এই নিউজটি আপনার ফেসবুকে শেয়ার করুন

© shaistaganjerbani.com | All rights reserved.