সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন

খবরের শিরোনাম:

গুলি করলেই বিএনপিকে থামিয়ে রাখা যায় না জি.কে গউছ

ইশতিয়াক শোভনঃ হবিগঞ্জে বিএনপির সমাবেশে পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত যুবদল কর্মী ইয়ামিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো হচ্ছে। তার একটি চোখে গুলি প্রবেশ করায় চোখটির দৃষ্টি হারিয়ে গেছে। তাই চোখটি রক্ষায় আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব জি কে গউছ আহত ইয়ামিনের চোখের অবস্থা তুলে ধরলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী মীর্জা আব্বাস এই উদ্যোগ গ্রহন করেন।
এই বিষয়টি তার পরিবারকে জানাতে এবং শান্তনা দিতে আজমিরীগঞ্জ পৌরসভার নয়ানগর গ্রামে আহত যুবদল নেতা ইয়ামিন ও আজমিরীগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহŸায়ক আহত রাকিবের বাড়িতে ছুটে যান বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও টানা ৩ বারের নির্বাচিত হবিগঞ্জ পৌরসভার পদত্যাগকারী মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছ। গতকাল বুধবার দুপুর বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতাকর্মীকে সাথে নিয়ে তিনি ইয়ামিনের বাড়িতে যান। এ সময় তাদের শারীরিক খোঁজখবর নেন এবং সর্বঅবস্থায় তাদের পরিবারের পাশে বিএনপি থাকবে বলে প্রতিশ্রতি দেন জি কে গউছ। তিনি ইয়ামিনের পাসপোর্ট তৈরী করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্থানীয় এক বিএনপি নেতার মাধ্যমে তার নিকট প্রেরণের জন্য পরামর্শ দেন।
এ সময় জি কে গউছ বলেন- পুলিশের গুলিতে আহত নেতাকর্মীদের রক্তমাখা কাপড় আমাদের ব্যাথিত করেছে। এই অন্যায়, এই জুলুম মহান আল্লাহ বরদাস্ত করবেন না। যদি কোন দিন দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় তাহলে রক্ত যারা ঝড়িয়েছে তাদের বিচার বাংলাদেশের মাটিতে হবে, ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন- গুলি করলেই বিএনপিকে থামিয়ে রাখা যায় না। দেশের বিভিন্ন জেলায় বিএনপির সমাবেশে হয়েছে। ১৪৪ ধারা জনতার জনস্রোতকে রুখতে পারে নাই। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন হবিগঞ্জে বিএনপির সমাবেশ হবেই। কোন বাধাঁই বিএনপির সমাবেশ রুখতে পারবে না। আমরা যারা বিএনপি করি তাদের জীবন উৎস্বর্গ করার জন্যই মাঠে নেমেছি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, দেশে গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত বিএনপি নেতাকর্মীরা রাজপথ ছাড়বে না।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য আজিজুর রহমান কাজল, মহিবুল ইসলাম শাহিন, তাজুল ইসলাম চৌধুরী ফরিদ, আজমিরীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মুহিবুর রহমান সওদাগর, বানিয়াচং উপজেলা বিএনপির আহয়ক আলহাজ্ব লুৎফুর রহমান, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জালাল আহমেদ, আজমিরীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক গোলাম ফারুক, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জালাল আহমেদ, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমান, আজমিরীগঞ্জ পৌর বিএনপির আহবায়ক আলী আহমদ জনফুল, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক খালেদুর রশীদ ঝলক, যুগ্ম আহবায়ক কুতুব উদ্দিন, সুরুক মিয়া, আব্দুস সাত্তার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মাসুদ পারভেজ, বানিয়াচং উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ওয়ারিশ উদ্দিন খান ও মহিবুর রহমান বাবলু, জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর সফিকুর রহমান সিতু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট গুলজার খান প্রমূখ।

এই নিউজটি আপনার ফেসবুকে শেয়ার করুন

© shaistaganjerbani.com | All rights reserved.