বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:২৮ অপরাহ্ন

খবরের শিরোনাম:
জুড়ীতে চেয়ারম্যান প্রার্থীকে মারধরের অভিযোগ থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ছয় দিনের সফরে থাইল্যান্ডের পথে প্রধানমন্ত্রী নবীগঞ্জে বর্তমান চেয়ারম্যানসহ ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল শায়েস্তাগঞ্জে রাজাকারের নামে ২টি রাস্তা নামকরণ বাতিলের দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন আজমিরীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিক বরাদ্দ শায়েস্তাগঞ্জে সার-বীজ বিতরণ করলেন এমপি আবু জাহির রাজনগর সরকারি কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষ ভাঙচুর শায়েস্তাগঞ্জ ইন্টারনেট ব্যবসা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক ভিডিওকলে মাধবপুরের রেহানাকে বাঁচানোর আকুতি, ‘আমি আর সহ্য করতে পারতেছি না’

চুয়াডাঙ্গার টানা বৃষ্টিতে সবজি-ফসলে ১০ কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে তিনদিনের টানা বৃষ্টিতে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত তলিয়ে গেছে। শত শত হেক্টর জমির ফসল পানিতে ভাসছে। নুয়ে পড়েছে মরিচ, লাউ, টমেটো, শিম, ভুট্টা গাছ। দ্রুত পানি না নামলে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

জীবননগরের একটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে চাষিরা এখন পর্যন্ত আমন ধান কাটা-মাড়াই করে ঘরে তুলতে পারেননি। শত শত বিঘা জমির ধান মাঠে পড়ে আছে। অন্যদিকে কয়েক হাজার হেক্টর জমিতে আলু ও শীতকালীন সবজির আবাদ হয়েছে। এসব ফসল নিয়ে কৃষকদের স্বপ্ন ছিল অনেক। কিন্তু তাদের সে স্বপ্ন পানির সাথে মিশে গেছে। বৃষ্টিপাতে অনেক কৃষক উঠতি ফসল হারিয়ে সর্বশান্ত হয়ে পড়েছেন। প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।

সরজমিনে দেখা গেছে, ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত টানা বৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে হালকা ঝড়ো হাওয়ায় আমন ধান ও রবি ফসলের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে যায়। অধিকাংশ ক্ষেতের ধানই মাটিতে হেলে পড়েছে। অনেক জায়গায় আগাম জাতের ভুট্টা, মরিচ, শিম, টমেটো, বেগুন, লাল শাকের গাছ মাটিতে নুয়ে পড়েছে।

ঐ উপজেলার তরুণ উদ্যোক্তা রমজান বলেন, চলতি মৌসুমে পাঁচ বিঘা জমিতে মশুরি ও এক বিঘা জমিতে সরিষা আবাদ করেছিলাম। কিন্তু তিনদিনের বৃষ্টিতে সব নষ্ট হয়ে গেছে।

পৌর এলাকার রাজনগরের কৃষক আক্তার হোসেন বলেন, আমার আড়াই বিঘা জমির ধান বৃষ্টির একদিন আগে কেটে জমিতেই রেখেছিলাম। সেই ধান এখন জমিতেই বৃষ্টির পানিতে ভাসছে। দ্রুত পানি সরে গেলেও অনেক ধান ঝরে পড়বে। এতে ধান তোলার খরচই হবে না।

জীবননগর উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, প্রচুর বৃষ্টিপাতে ধান ও আলুসহ শীতকালীন সবজি চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। দ্রুত পানি সরে গেলে বেশি ক্ষতি হবে না তবে। পানি দ্রুত অপসারণ না করলে কেটে রাখা ধানের বেশি ক্ষতি হবে।

এই নিউজটি আপনার ফেসবুকে শেয়ার করুন

© shaistaganjerbani.com | All rights reserved.