বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৩২ অপরাহ্ন

পবিত্র লাইলাতুল কদর ২৮ এপ্রিল

ডেস্ক রিপোর্ট আজ থেকে শুরু হয়েছে রমজান মাস। বছর ঘুরে মুসলিম উম্মাহর মাঝে আবার ফিরে এসেছে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের এই মাস।

এই মাসেরই কদরের রাতে নাজিল হয়েছিল মানব জাতির হেদায়েতের গ্রন্থ আল কোরআন। আগামী ২৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পালিত হবে পবিত্র শবে কদর।

শনিবার (২ এপ্রিল) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ৩ এপ্রিল থেকে পবিত্র রমজান গণনা শুরু হবে। ২৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পালিত হবে পবিত্র শবেকদর।’

লাইলাতুল কদর মুসলিম উম্মাহর জন্য এক অনন্য নেয়ামত। ‘শব’ ফারসি ও ‘লাইলাতুন’ আরবি শব্দ, যার অর্থ রাত্রি। আর কদর অর্থ সম্মান ও মাহাত্ম্য। তাই শবে কদর তথা লাইলাতুল কদর অর্থ হচ্ছে সম্মানিত ও মহিমান্বিত রাত বা মর্যাদার রাত।

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আমি তা (আল-কোরআন) নাজিল করেছি কদরের রাতে। আপনি কি জানেন, লাইলাতুল কদর কী? লাইলাতুল কদর হলো হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রজনি। এই রাতে প্রতিটি কাজের জন্য ফেরেশতা ও রুহ তাদের প্রতিপালকের আদেশে অবতীর্ণ হয়। শান্তি, যা বিরাজ করে সেই রাতের ফজর পর্যন্ত (সুরা কদর, ১-৫)।’

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে ঘোষণা করেছেন, নিশ্চয় আমি তা (কোরআন) এক মোবারক রজনীতে অবতীর্ণ করেছি, নিশ্চয়ই আমি সতর্ককারী। এ রাতে প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্থির করা হয়। (সূরা আদ দুখান: ১-৪)।

হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, শবে কদরে হজরত জিবরাইল (আ.) ফেরেশতাদের বিরাট এক দল নিয়ে পৃথিবীতে অবতরণ করেন এবং যত নারী-পুরুষ নামাজরত অথবা জিকিরে মশগুল থাকে, তাদের জন্য রহমতের দোয়া করেন। (তাফসিরে মাজহারি)।

মিশকাত শরিফে উল্লেখ রয়েছে, হজরত আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) এরশাদ করেন, মহানবী (সা.) এরশাদ করেন, ‘যদি তোমরা কবরকে আলোকময় পেতে চাও তাহলে লাইলাতুল কদরে জাগ্রত থেকে ইবাদত কর। রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেন, যদি কেউ ঈমানের সঙ্গে সাওয়াব লাভের খাঁটি নিয়তে লাইলাতুল কদর কিয়ামুল্লাইল বা তাহাজ্জুদে অতিবাহিত করে তবে তার পূর্ববর্তী সব গুনাহ ক্ষমা করা হবে। (বুখারি, হাদিস নং: ৬৭২)।

এই নিউজটি আপনার ফেসবুকে শেয়ার করুন

© shaistaganjerbani.com | All rights reserved.