সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন

খবরের শিরোনাম:

বই-বন্ধুদের পদচারণায় মুখর বই বিনিময় উৎসব

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বইয়ের প্রতি নতুন প্রজন্মের আবেগ আর উচ্ছ্বাসে সিলেটে অনুষ্ঠিত হলো ইনোভেটর বই বিনিময় উৎসব। বইপাঠে উৎসাহিত করতে দ্বিতীয়বারের মতো ব্যতিক্রমী এই উৎসবের আয়োজন করেছে ইনোভেটর।

আজ শনিবার (৫ মার্চ) বেলা তিনটায় নগরের চৌহাট্টাস্থ সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।

বই বিনিময় উৎসবে কিশোর-তরুণদের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়। ‘বই দিয়ে বই নিন’- আহ্বানে সাড়া দিয়ে বই পড়ুয়ারা মিলিত হয়েছিলেন ভালোলাগা বইগুলো পরস্পরের মধ্যে বিনিময়ে করতে।

এর আগে বেলা ২ টায় শুরু হয় বই গ্রহণ। এ সময় লাইন বেধে বিনিময়ে আগ্রহী নিজের বইগুলো ইনোভেটর এর কাছে তুলে দেন। বেলা ৩ ঘটিকায় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় ইনোভেটর বই বিনিময় উৎসব এর।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক, গবেষক অধ্যাপক ড. আবুল ফতেহ ফাত্তাহ, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইকরামুল কবির,সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ রেনু, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি শামসুল আলম সেলিম, সম্মিলিত নাট্য পরিষদের সভাপতি মিশফাক আহমদ চৌধুরী মিশু, বিশিষ্ট তথ্যচিত্র নির্মাতা ও সাংস্কৃতিক সংগঠক নিরঞ্জন দে, বিশিষ্ট গবেষক কবি ড. মোস্তাক আহমাদ দীন ও লেখক, গবেষক সাংবাদিক সুমন কুমার দাশ।

ইনোভেটর এর নির্বাহী সঞ্চালক, লেখক ও সংগঠক প্রণবকান্তি দেব এর সভাপতিত্বে এবং ইনোভেটর এর সমন্বয়ক আশরাফুল ইসলাম অনির উপস্থাপনায় বই বিনিময় উৎসব এর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় জাতীয় সংগীত পরিবেশন করার মধ্য দিয়ে। তার আগে ইনোভেটর এর সমন্বয়ক সুমিতা দাশের তত্বাবধানে আগ্রহীদের কাছ থেকে বই গ্রহণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা, বই বিনিময় উৎসব কে ব্যাতিক্রম আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি মূলত জ্ঞানের বিনিময়। বইপড়াকে উৎসাহিত এবং বইয়ের প্রতি ভালোবাসা জাগিয়ে তুলতে এ উৎসব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তারা বলেন, বইয়ের সমাজই আলোকিত সমাজ,বইয়ের পরিবারই সত্যিকার অর্থে আলোকিত পরিবার। তাই সন্তানকে শৈশব থেকেই বইয়ের সাথে বন্ধুত্ব তৈরি করে দিতে হবে। তারা আরও বলেন, মানবিকগুণ সমৃদ্ধ মানুষ হতে গেলে বইপড়ার কোনো বিকল্প নেই। আর বই যতো বিনিময় হবে বই-বন্ধু ততো বাড়বে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানের পর পরই পড়ুয়ারা পছন্দের বই বিনিময়ে অংশ নেয়। শহীদ মিনার প্রাঙ্গণের সবুজ ঘাসের উপর থরে থরে সাজানো বইয়ের সারি থেকে সবার আগে প্রিয় বইটি নিতে হুমড়ী খেয়ে পড়ে বইপড়ুয়ারা। ফলে অনুষ্ঠানস্থলটি রূপ নেয় একটি বই উদ্যানে। পুরো উৎসবজুড়ে প্রায় ৫ শতাধিক বইপড়ুয়া বই বিনিময়ে অংশ নেয় এবং সহস্রাধিক বইয়ের বিনিময় হয় অনুষ্ঠানে।

এই নিউজটি আপনার ফেসবুকে শেয়ার করুন

© shaistaganjerbani.com | All rights reserved.