রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন

বাহুবলে ৪ বছরেও চালু হয়নি পাবলিক টয়লেট, ভোগান্তি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ হবিগঞ্জের বাহুবল সদরের দক্ষিণ বাজারে জনসাধারণের সুবিধার জন্য প্রায় ৪ বছর আগে উপজেলা প্রশাসনের অর্থায়নে পানির ট্যাংকিসহ নির্মিত হয় পাবলিক টয়লেট। কিন্তু ৪ বছর পরও তা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়নি। ফলে বাজার ব্যবসায়ী ও জনসাধারণ প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাবলিক টয়লেটটি দীর্ঘদিন যাবত এক ব্যক্তি দখল করে রেখেছেন। টয়লেটের ভেতরে রাখা হয়েছে বিভিন্ন মালামাল।

জানা যায়, বাহুবল উপজেলার সাবেক ইউএনও জসীম উদ্দিন থাকাকালীন সময়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের বাজেট থেকে দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। বাহুবল বাজারে আসা জনসাধারণের সুবিধার্থে দ্রুত সময়ের মধ্যে পানির ট্যাংকিসহ পাবলিক টয়লেটটি নির্মাণ করা হয়।

প্রকল্পের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন বাহুবল সদর ইউপি মেম্বার মো. ফারুক আহমেদ। কাজ শেষ হওয়ার পর পাবলিক টয়লেটটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন ইউএনও মো. জসীম উদ্দিন। কিন্তু উদ্বোধনের কিছুদিন পর থেকেই দখল করে নেন সৈয়দ আলী নামে এক ব্যক্তি। তার কবল থেকে পাবলিক টয়লেটটি বিগত ৪ বছরেও উদ্ধার করার উদ্যোগ গ্রহণ করেনি কেউ।

এদিকে, অদৃশ্য-অজানা কারণে উপজেলার মিরপুর চৌমুহনীস্থ পাবলিক টয়লেটটিও অনুরূপভাবে বছরের পর বছর ধরে তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। সংরক্ষিত আসনের এমপি অ্যাডভোকেট আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীর প্রচেষ্টায় সব সুযোগ-সুবিধাসহ প্রায় পৌনে ৪ লাখ টাকা ব্যয়ে এ পাবলিক টয়লেটটি নির্মিত হয়।

এ অবস্থায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শিক্ষার্থী, যাত্রী, ব্যবসায়ী ও জনসাধারণ। পাশাপাশি অযত্ন অবহেলায় বিনষ্ট হচ্ছে ভবনসহ মালামাল। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

স্থানীয়রা জানান, বাজারে আসা যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রায়ই টয়লেটে যেতে হয়। এমনকি ব্যবসায়ীরা এক্ষেত্রে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। তারা পাবলিক টয়লেট না পেয়ে অন্যত্র গিয়ে প্রয়োজনীয় কাজ করতে হচ্ছে। তাই ব্যবসায়ীসহ সকল স্থানীয়দের দাবী দ্রুত যেন পাবলিক টয়লেটদুটি উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে ইউএনও অফিসার মহুয়া শারমিন ফাতেমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই নিউজটি আপনার ফেসবুকে শেয়ার করুন

© shaistaganjerbani.com | All rights reserved.