রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন

বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যায় ২০ জনের ফাঁসি চুনারুঘাটের মুন্নাসহ ৫ আসামীর যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাÐে আসামি চুনারুঘাটের ইশতিয়াক আহমেদ মুন্নাকে যাবজ্জীবন কারাদÐ দিয়েছে আদালত। তবে তার পরিবারের দাবি হত্যাকাÐের সাথে জড়িত ছিল না মুন্না।
চুনারুঘাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের ঘরগাও গ্রামের আব্দুল আহাদ ও কুলসুমা খাতুন দম্পতির দ্বিতীয় সন্তান মুন্না।
বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২০ জনকে ফাঁসি দিয়েছে আদালত। সেই সঙ্গে পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদÐ দেয়া হয়।
ঢাকার ১ নম্বর দ্রæত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর কামরুজ্জামান বুধবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে এ রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন দÐপ্রাপ্ত মুন্নার বাবা আহাদ ছিলেন ইউপি মেম্বার। ২০০৯ সালে ২৬ জানুয়ারি তিনি মারা যান। রেখে যান তিন পুত্র সন্তান। বড় ছেলে ক্যাপ্টেন আশফাক আহমেদ মনির বর্তমানে সিলেট সেনানিবাসে কর্মরত। ছোট ছেলে ইফতেখার আহমেদ রানা সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিইসি তৃতীয় বর্ষের ছাত্র।
মুন্না ব্রহ্মণবাড়িয়া অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৩ সালে মুন্না ‘এ প্লাস’ পেয়ে এসএসসি পাশ করে। এরপর সে ঢাকা ক্যামব্রিয়ান কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে। ওই পরীক্ষায়ও সে ‘এ প্লাস’ পেয়েছিল।
আবরারকে যে রাতে হত্যা করা হয়, তার পরদিন ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর তার বাবা ১৯ শিক্ষার্থীকে আসামি করে চকবাজার থানায় মামলা করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ এজাহারের ১৬ জনসহ মোট ২১ জনকে গ্রেপ্তার করে।
পাঁচ সপ্তাহ তদন্ত করে তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান ওই বছর ১৩ নভেম্বর ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে যে অভিযোগপত্র জমা দেন, সেখানে আসামি করা হয় মোট ২৫ জনকে।
অভিযোগপত্র গ্রহণ করে গত ১৮ নভেম্বর পলাতক চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। তাদের মধ্যে একজন পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে মামলাটি পরে ঢাকার দ্রæত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এ বদলির আদেশ দেয়া হয়। বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলাটির বিচারকাজ শুরু করেন।
২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলার বিচার শুরু হয়। দুই পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত ১৪ নভেম্বর বিচারক এ মামলার রায়ের জন্য ২৮ নভেম্বর তারিখ রাখেন। তবে ওই দিন রায় লেখা বাকি থাকায় তারিখ পিছিয়ে ৮ ডিসেম্বর ঠিক করা হয়

এই নিউজটি আপনার ফেসবুকে শেয়ার করুন

© shaistaganjerbani.com | All rights reserved.