বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:১৬ অপরাহ্ন

খবরের শিরোনাম:
জুড়ীতে চেয়ারম্যান প্রার্থীকে মারধরের অভিযোগ থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ছয় দিনের সফরে থাইল্যান্ডের পথে প্রধানমন্ত্রী নবীগঞ্জে বর্তমান চেয়ারম্যানসহ ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল শায়েস্তাগঞ্জে রাজাকারের নামে ২টি রাস্তা নামকরণ বাতিলের দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন আজমিরীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিক বরাদ্দ শায়েস্তাগঞ্জে সার-বীজ বিতরণ করলেন এমপি আবু জাহির রাজনগর সরকারি কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষ ভাঙচুর শায়েস্তাগঞ্জ ইন্টারনেট ব্যবসা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক ভিডিওকলে মাধবপুরের রেহানাকে বাঁচানোর আকুতি, ‘আমি আর সহ্য করতে পারতেছি না’

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২ প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৯ ব্যক্তি ও ২ প্রতিষ্ঠানকে ২০২২ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার পুরস্কার প্রাপ্ত ব্যক্তি ও তাদের প্রতিনিধিদের হাতে পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখায় স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী (মরণোত্তর), বীর বিক্রম শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক (মরণোত্তর)।

একই ক্যাটাগরিতে স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ উদদীন আহমেদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল। প্রধানমন্ত্রী মূল মঞ্চ ছেড়ে দর্শক সারিতে গিয়ে তাদের দুজনের হাতে তুলে দেন স্বাধীনতা পুরস্কার।

চিকিৎসাবিদ্যায় অবদান রাখায় স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া ও অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল ইসলাম।

এবার প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিডব্লিউএমআরআই) ও বিদ্যুৎ বিভাগ স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছে।

স্থাপত্যে অনন্য অবদান রাখায় মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হয় স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেনকে। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি।

এর আগে, ১৫ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেদিন স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য ১০ ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করা হয়েছিল।

সাহিত্য বিভাগে নাগরিক মহলে অচেনা আমির হামজার নাম সেখানে দেখে অনেকে বিস্ময় প্রকাশ করেন। সমালোচনার মধ্যে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান স্বাধীনতা পুরস্কারের তালিকা থেকে আমির হামজার নাম বাদ দেয় সরকার।

পরে মুজিববর্ষে শতভাগ বিদ্যুতায়নের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করায় বিদ্যুৎ বিভাগের নাম স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার জন্য মনোনীত করা হয়।

স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার। সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার দিয়ে আসছে।

স্বাধীনতা পুরস্কারের ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রামের স্বর্ণপদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

এই নিউজটি আপনার ফেসবুকে শেয়ার করুন

© shaistaganjerbani.com | All rights reserved.