ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo হবিগঞ্জ কারাগারে আসামির মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ পরিবারের Logo হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগে শায়েস্তাগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে বৃক্ষরোপণ প্রধানমন্ত্রীর ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ভিশন বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধপরিকর: আহমেদ আলী মুকিব Logo বাহুবলে পানিতে ডুবে হবিগঞ্জের জনপ্রিয় ক্ষুদে কনটেন্ট ক্রিয়েটর দ্বীপের মৃত্যু Logo শায়েস্তাগঞ্জের অলিপুরে মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ইউএনওর অভিযান Logo আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে শায়েস্তাগঞ্জে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo হবিগঞ্জে মায়ের অভিযোগে ছেলের ৬ মাসের কারাদণ্ড Logo যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্সে চুনারুঘাটে আল আমিন Logo গণভোটকে অস্বীকার করে জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বিএনপি: মামুনুল হক Logo শায়েস্তাগঞ্জে দেশ নাট্যগোষ্ঠীর ৩৩ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন Logo হবিগঞ্জে প্রতিমায় শেষ তুলির আঁচড়, অপেক্ষা উৎসবের

বাজারে কাঁচামরিচের কেজি ৪শ’ টাকা ছুঁয়েছে

শায়েস্তাগঞ্জের বাণী ডেস্ক ,

কাঁচামরিচের দাম এবার ছুঁয়েছে ৪শ’ টাকা। মেহেরপুরে এই দামে বিক্রি হচ্ছে। দাম বাড়ার প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে নেই রাজশাহী, মানিকগঞ্জ ও খুলনার বাজারও। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বন্যায় মরিচের খেত নষ্ট হওয়ায় বেশি দামে মরিচ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। আর ক্রেতাদের দাবি, সঠিক তদারকির অভাবে ইচ্ছেমতো বাড়ানো হচ্ছে দাম।

হঠাৎ করেই অস্থির কাঁচামরিচের বাজার। ছোট্ট এই ঝাল জাতীয় পণ্য কিনতে ঘাম ঝরার উপক্রম ক্রেতার। তাই দাম শুনেই ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন অনেক ক্রেতা।

স্বাভাবিক সময়ে মেহেরপুরে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হলেও একমাসের বেশি সময় ধরে দাম আরও বাড়তে থাকে। ধাপে ধাপে দাম বেড়ে কয়েকদিন ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয় মরিচ। তবে বর্তমানে খুচরা বাজারে মরিচ কিনতে ক্রেতাদের গুণতে হচ্ছে ৪শ’ টাকা পর্যন্ত।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, অতিরিক্ত খরা ও অনাবৃষ্টির কারণে এবছর এখন পর্যন্ত স্থানীয় কাঁচামরিচ বাজারে আসেনি। যাতে চড়া দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। তবে মরিচের অস্বাভাবিক দামে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। অস্বাভাবিক দামের পেছনে ব্যবসায়ীদের কারসাজিকে দায়ী করছেন তারা।

মেহেরপুরের ব্যবসায়ীদের একজন বলেন, ‘আমাদের স্থানীয় কাঁচামরিচ বাজারে এখনো আসেনি যার ফলে কাঁচামরিচের দাম এত বেশি।’

একই অবস্থা রাজশাহীর কাঁচা বাজারেও। প্রতি কেজি কাঁচামরিচ প্রায় দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩২০ টাকা পর্যন্ত। কয়েকদিন আগেও যা বিক্রি হয়েছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, গেল কয়েক দিনের বৃষ্টিতে নীচু জমিতে পানি জমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উৎপাদন। আষাঢ়ের এই বৃষ্টি উঁচু জমির জন্য আশীর্বাদ হলেও নীচু জমিতে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। যাতে দাম বেড়েছে কাঁচামরিচের।

ক্রেতারা বলছেন, খরা কিংবা বন্যা যাই হোক নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকে হু হু করে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের নজরদারি সব থেকে জরুরি বলছেন তারা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:২০:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪
২০৬ বার পড়া হয়েছে

বাজারে কাঁচামরিচের কেজি ৪শ’ টাকা ছুঁয়েছে

আপডেট সময় ০৯:২০:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪

কাঁচামরিচের দাম এবার ছুঁয়েছে ৪শ’ টাকা। মেহেরপুরে এই দামে বিক্রি হচ্ছে। দাম বাড়ার প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে নেই রাজশাহী, মানিকগঞ্জ ও খুলনার বাজারও। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বন্যায় মরিচের খেত নষ্ট হওয়ায় বেশি দামে মরিচ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। আর ক্রেতাদের দাবি, সঠিক তদারকির অভাবে ইচ্ছেমতো বাড়ানো হচ্ছে দাম।

হঠাৎ করেই অস্থির কাঁচামরিচের বাজার। ছোট্ট এই ঝাল জাতীয় পণ্য কিনতে ঘাম ঝরার উপক্রম ক্রেতার। তাই দাম শুনেই ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন অনেক ক্রেতা।

স্বাভাবিক সময়ে মেহেরপুরে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হলেও একমাসের বেশি সময় ধরে দাম আরও বাড়তে থাকে। ধাপে ধাপে দাম বেড়ে কয়েকদিন ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয় মরিচ। তবে বর্তমানে খুচরা বাজারে মরিচ কিনতে ক্রেতাদের গুণতে হচ্ছে ৪শ’ টাকা পর্যন্ত।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, অতিরিক্ত খরা ও অনাবৃষ্টির কারণে এবছর এখন পর্যন্ত স্থানীয় কাঁচামরিচ বাজারে আসেনি। যাতে চড়া দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। তবে মরিচের অস্বাভাবিক দামে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। অস্বাভাবিক দামের পেছনে ব্যবসায়ীদের কারসাজিকে দায়ী করছেন তারা।

মেহেরপুরের ব্যবসায়ীদের একজন বলেন, ‘আমাদের স্থানীয় কাঁচামরিচ বাজারে এখনো আসেনি যার ফলে কাঁচামরিচের দাম এত বেশি।’

একই অবস্থা রাজশাহীর কাঁচা বাজারেও। প্রতি কেজি কাঁচামরিচ প্রায় দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩২০ টাকা পর্যন্ত। কয়েকদিন আগেও যা বিক্রি হয়েছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, গেল কয়েক দিনের বৃষ্টিতে নীচু জমিতে পানি জমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উৎপাদন। আষাঢ়ের এই বৃষ্টি উঁচু জমির জন্য আশীর্বাদ হলেও নীচু জমিতে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। যাতে দাম বেড়েছে কাঁচামরিচের।

ক্রেতারা বলছেন, খরা কিংবা বন্যা যাই হোক নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকে হু হু করে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের নজরদারি সব থেকে জরুরি বলছেন তারা।