ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শায়েস্তাগঞ্জ প্রেসক্লাবের নবগঠিত কমিটিকে উপজেলা আহলে সুন্নাত উলামা পরিষদের অভিনন্দন Logo হবিগঞ্জে বালুর ট্রাক থেকে ভারতীয় জিরা জব্দ Logo হবিগঞ্জে ১০ প্রার্থীর মনোনয়পত্র বাতিল Logo ছাত্রলীগ সন্দেহে জুলাই আন্দোলনকারী আটক, পরে মুক্তি Logo খালেদা জিয়ার জানাজায় স্মরণকালের রেকর্ড মানুষের অংশগ্রহণ Logo বিদায় বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় গণতন্ত্রের নেত্রী “খালেদা জিয়া” Logo তারেক রহমানের অপেক্ষায় দেশবাসী Logo হবিগঞ্জ থেকে ঢাকায় যাচ্ছেন বিএনপির অর্ধলক্ষাধিক নেতাকর্মী Logo শায়েস্তাগঞ্জে কৃষি জমির টপসয়েল বিক্রির হিড়িক, জড়িত প্রভাবশালী সিন্ডিকেট চক্র Logo হবিগঞ্জ বালিভর্তি ট্রাক থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় জিরা জব্দ

বেগম খালেদা জিয়ার হাসপাতালে যাওয়া নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আবারও এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়ার কথা থাকলেও তা এখন স্থগিত করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আজ বিকাল ৫টার পর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়ার কথা ছিল বেগম খালেদা জিয়ার, কিন্তু তা স্থগিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর রাতে হঠাৎ জ্বর হওয়ায় বেগম খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৬ দিন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে বাসায় ফেরেন তিনি।

৭৯ বছর বয়সী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ, ফুসফুস, কিডনি জটিলতা, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন। লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত খালেদা জিয়ার রক্তনালিতে অস্ত্রোপচার করা হয় গত বছরের ২৭ অক্টোবর। যুক্তরাষ্ট্র থেকে তিনজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এনে খালেদা জিয়ার রক্তনালিতে অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল।

এ ছাড়া গত ২৫ জুন এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে পেসমেকার বাসানো হয়।

২০২১ সালের নভেম্বরে বেগম খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে তাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর পরামর্শ দিয়ে আসছেন চিকিৎসকরা। তার পরিবার ও দলের পক্ষ থেকেও তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের কাছে বারবার আবেদন-নিবেদন জানানো হয়। কিন্তু শেখ হাসিনার সরকার প্রতিবারই তা উপেক্ষা করেছে। ২০২০ সালের ২৫ মার্চ এক নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করে তাকে শর্ত সাপেক্ষে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। তখন থেকে ছয় মাস পরপর তার সাজা স্থগিত করার মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছিল।

এমন অবস্থায় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দিন ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের নির্দেশে বেগম খালেদা জিয়া স্থায়ী মুক্তি পান। এভারকেয়ার হাসপাতালে থেকে ওই সুসংবাদ পান তিনি। তখন এক মাস ১২ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২১ আগস্ট বাসায় ফেরেন বেগম খালেদা জিয়া। এরপর থেকে তার চিকিৎসা বাসায় চলছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নিতেও চেষ্টা চলছে। তবে উড়োজাহাজে ভ্রমণের মতো অবস্থা না থাকায় এখনই তাকে বিদেশ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:০৫:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪
১২৩ বার পড়া হয়েছে

বেগম খালেদা জিয়ার হাসপাতালে যাওয়া নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় ০৬:০৫:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আবারও এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়ার কথা থাকলেও তা এখন স্থগিত করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আজ বিকাল ৫টার পর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়ার কথা ছিল বেগম খালেদা জিয়ার, কিন্তু তা স্থগিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর রাতে হঠাৎ জ্বর হওয়ায় বেগম খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৬ দিন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে বাসায় ফেরেন তিনি।

৭৯ বছর বয়সী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ, ফুসফুস, কিডনি জটিলতা, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন। লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত খালেদা জিয়ার রক্তনালিতে অস্ত্রোপচার করা হয় গত বছরের ২৭ অক্টোবর। যুক্তরাষ্ট্র থেকে তিনজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এনে খালেদা জিয়ার রক্তনালিতে অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল।

এ ছাড়া গত ২৫ জুন এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে পেসমেকার বাসানো হয়।

২০২১ সালের নভেম্বরে বেগম খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে তাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর পরামর্শ দিয়ে আসছেন চিকিৎসকরা। তার পরিবার ও দলের পক্ষ থেকেও তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের কাছে বারবার আবেদন-নিবেদন জানানো হয়। কিন্তু শেখ হাসিনার সরকার প্রতিবারই তা উপেক্ষা করেছে। ২০২০ সালের ২৫ মার্চ এক নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করে তাকে শর্ত সাপেক্ষে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। তখন থেকে ছয় মাস পরপর তার সাজা স্থগিত করার মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছিল।

এমন অবস্থায় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দিন ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের নির্দেশে বেগম খালেদা জিয়া স্থায়ী মুক্তি পান। এভারকেয়ার হাসপাতালে থেকে ওই সুসংবাদ পান তিনি। তখন এক মাস ১২ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২১ আগস্ট বাসায় ফেরেন বেগম খালেদা জিয়া। এরপর থেকে তার চিকিৎসা বাসায় চলছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নিতেও চেষ্টা চলছে। তবে উড়োজাহাজে ভ্রমণের মতো অবস্থা না থাকায় এখনই তাকে বিদেশ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে।