ঢাকা ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তৃণমূল নেতাদের প্রাণপুরুষ তারেক রহমান

মঈনুল হাসান রতন

২০ নভেম্বর ১৯৬৫ সালে এই দিনে বাংলাদেশের মহা স্বাধীনতার ঘোষক, জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সফল রাষ্ট্র নায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিউয়ার রহমান ও বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান (পিনো) জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তারেক রহমানের ৬০তম জন্মদনি আজ। এই দিনটি আমাদের জাতীয় জীবনে একটি গুুরুত্বপূর্ণ দিন। তারেক রহমান বাংলাদেশের তুরুণদের প্রাণ পুরুষ হিসেবে নিজেকে পরিচিত করে তোলেছে। দেশের ক্লান্তি লগ্নে এমনই এক সময় দেশ যখন অতিক্রম করছে এরই মাঝে তার ৪৯তম জন্মদিনর পালিত হচ্ছে সারা দেশে। ১৯৮১ সালে পিতাকে হারায়। ১৫ বছর বয়সে পিতৃ হারা তারেক রহমান ঢাকা রেসিডিনসিয়াল মডেল কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণ হন। ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে এল এল বিতে পড়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ১ম বর্ষে ভর্তি হন ও স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ২২ বছর বয়সে রাজনীতিতে তিনি পা রাখেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি বগুরা কমিটিতে সদস্য হিসেবেরাজনীতি সূচনা করে। পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালে তারেক রহমান ্বগুরা জেলার গ্বাতলী থানা বিএনপির সদস্য হন। তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানের আগেই রাজনীতি তদন্ত অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। ১৯৯১ সালে জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহচর হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন। ২০০১ সালে নির্বাচনেও তারেক রহমান নির্বাচনী প্রচারনায় অংশ নেন। ২০০২ সালে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তারেক রহমান দলের যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পান। এই দায়িত্ব পেয়েই তারেক রহমান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচী বাস্তবায়নের লক্ষে দেশব্যাপি দলের মাঠপর্যায়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সাথে গণসংযোগ করেন। বিএনপি যুবদল, ছাত্রদল এমনকি তৃণমূল নেতাদেরকে নিয়ে প্রতিনিধি সম্মেলনের মাধ্যমে মতবিনিময় করেন। তারেক রহমান প্রতিনিধি সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃকর্মীদের উদ্দ্যেশ্যে দিক নিদের্শনা মূলক বক্তব্য রাখেন ও তাদের মতামত শুনেন। প্রতিনিধি সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচীর বাস্তবায়নের কথা তোলে দরতেন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সন্তানের পরিচিতি থেকে তিনি একজন দক্ষ রাজনৈতিক সংগঠক ও সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। এই জন যোগাযোগের ফলে তুরুনদের আস্থার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন তারেক রহমান। ২০০৯ সাওে ৮ই ডিসেম্বর বিএনপি জাতীয় কাউন্সিলের তারেক রহমান সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার এই জনপ্রিয়তা ঈষান্বিত হয়ে উঠে একটি চক্র। ১/১১ অবৈধ সরকার তাকে পঙ্গু করার গভীর চক্রান্তে নীল নকশা একেছিল তার নির্মম বলি হন তিনি। ২০০৭ সালে ৭ই মার্চ কতিপয় একটি দূর্নীতি মামলায় তাকে গ্রেফতার করে। তার বিুরুদ্ধে একে একে ১৩ মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। ইতি মধ্যেই তারেক রহমানের ্িবুরুদ্ধে দায়ের করা একটি মিথ্যা মামলা থেকে তিনি নিদোর্ষ প্রমাণিত হয়ে বেখসোর খালাশ পান। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারেক রহমান লন্ডন অবস্থান করছেন। প্রায় ৬ বছর ধরে দেশের বাইরে থাকলেও তার প্রতিক্ষায় রয়েছে এ দেশ।

মঈনুল হাসান রতন
লেখক ও সাংবাদিক
হবিগঞ্জ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৪:০৭:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০২৪
৪৫ বার পড়া হয়েছে

তৃণমূল নেতাদের প্রাণপুরুষ তারেক রহমান

আপডেট সময় ০৪:০৭:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০২৪

২০ নভেম্বর ১৯৬৫ সালে এই দিনে বাংলাদেশের মহা স্বাধীনতার ঘোষক, জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সফল রাষ্ট্র নায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিউয়ার রহমান ও বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান (পিনো) জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তারেক রহমানের ৬০তম জন্মদনি আজ। এই দিনটি আমাদের জাতীয় জীবনে একটি গুুরুত্বপূর্ণ দিন। তারেক রহমান বাংলাদেশের তুরুণদের প্রাণ পুরুষ হিসেবে নিজেকে পরিচিত করে তোলেছে। দেশের ক্লান্তি লগ্নে এমনই এক সময় দেশ যখন অতিক্রম করছে এরই মাঝে তার ৪৯তম জন্মদিনর পালিত হচ্ছে সারা দেশে। ১৯৮১ সালে পিতাকে হারায়। ১৫ বছর বয়সে পিতৃ হারা তারেক রহমান ঢাকা রেসিডিনসিয়াল মডেল কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণ হন। ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে এল এল বিতে পড়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ১ম বর্ষে ভর্তি হন ও স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ২২ বছর বয়সে রাজনীতিতে তিনি পা রাখেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি বগুরা কমিটিতে সদস্য হিসেবেরাজনীতি সূচনা করে। পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালে তারেক রহমান ্বগুরা জেলার গ্বাতলী থানা বিএনপির সদস্য হন। তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানের আগেই রাজনীতি তদন্ত অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। ১৯৯১ সালে জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহচর হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন। ২০০১ সালে নির্বাচনেও তারেক রহমান নির্বাচনী প্রচারনায় অংশ নেন। ২০০২ সালে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তারেক রহমান দলের যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পান। এই দায়িত্ব পেয়েই তারেক রহমান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচী বাস্তবায়নের লক্ষে দেশব্যাপি দলের মাঠপর্যায়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সাথে গণসংযোগ করেন। বিএনপি যুবদল, ছাত্রদল এমনকি তৃণমূল নেতাদেরকে নিয়ে প্রতিনিধি সম্মেলনের মাধ্যমে মতবিনিময় করেন। তারেক রহমান প্রতিনিধি সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃকর্মীদের উদ্দ্যেশ্যে দিক নিদের্শনা মূলক বক্তব্য রাখেন ও তাদের মতামত শুনেন। প্রতিনিধি সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচীর বাস্তবায়নের কথা তোলে দরতেন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সন্তানের পরিচিতি থেকে তিনি একজন দক্ষ রাজনৈতিক সংগঠক ও সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। এই জন যোগাযোগের ফলে তুরুনদের আস্থার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন তারেক রহমান। ২০০৯ সাওে ৮ই ডিসেম্বর বিএনপি জাতীয় কাউন্সিলের তারেক রহমান সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার এই জনপ্রিয়তা ঈষান্বিত হয়ে উঠে একটি চক্র। ১/১১ অবৈধ সরকার তাকে পঙ্গু করার গভীর চক্রান্তে নীল নকশা একেছিল তার নির্মম বলি হন তিনি। ২০০৭ সালে ৭ই মার্চ কতিপয় একটি দূর্নীতি মামলায় তাকে গ্রেফতার করে। তার বিুরুদ্ধে একে একে ১৩ মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। ইতি মধ্যেই তারেক রহমানের ্িবুরুদ্ধে দায়ের করা একটি মিথ্যা মামলা থেকে তিনি নিদোর্ষ প্রমাণিত হয়ে বেখসোর খালাশ পান। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারেক রহমান লন্ডন অবস্থান করছেন। প্রায় ৬ বছর ধরে দেশের বাইরে থাকলেও তার প্রতিক্ষায় রয়েছে এ দেশ।

মঈনুল হাসান রতন
লেখক ও সাংবাদিক
হবিগঞ্জ।