ঢাকা ০৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo পরকীয়ার জেরে’ শাশুড়িকে ‘হত্যা’, পুত্রবধূ গ্রেপ্তার হত্যার ‘দায় স্বীকার’ তামান্নার Logo বর্ষা নামতেই সুতাং নদীর ক্ষতচিহ্ন উন্মোচিত মরছে মাছ, ছড়াচ্ছে বিষাক্ত দুর্গন্ধ Logo কে. আলী-শামছুন্নাহার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শায়েস্তাগঞ্জে সুধীজন ও সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল Logo বানিয়াচংয়ে পানি সংকটে বোরো ধান চাষ নিয়ে সংঙ্কায় প্রায় ১০ হাজার কৃষক Logo জ্বালানি তেলের পাচার ঠেকাতে হবিগঞ্জ সীমান্তে সতর্ক বিজিবি Logo ৪ বছর পর শাহজীবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল Logo বাহুবলে সংরক্ষিত বনে গাছ কাটতে বাধা, ফরেস্ট গার্ডকে কুপিয়ে জখম Logo মাধবপুরে রঘুনন্দন ছড়া থেকে বালু লোপাট Logo বাহুবলে খরস্রোতা করাঙ্গী নদী এখন মরা খাল, দিশাহারা কৃষক Logo কর্মকর্তাদের শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত থাকার তাগিদ এমপি গউছের

মাল্টা চাষে সফল মাধবপুরের তরুণ উদ্যোক্তা সফিউল বর খোকন

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের মাধবপুরের ধর্মঘরের সফিউল বর খোকন নামের এক তরুণ উদ্যোক্তা মাল্টা চাষ করে সফল হয়েছেন। তার বাড়ি উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের নিজনগর গ্রামে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পোষ্ট অফিসার হিসাবে কর্মরত রয়েছেন।

জানা গেছে, তিনি চাকুরির পাশাপাশি উদ্যোক্তা হিসাবে গড়ে তুলেছেন নাভা এগ্রো বহুমুখী ফার্ম। উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী নিজনগর গ্রামে ২৫০ শতক জমিতে মাল্টা চাষের সিদ্ধান্ত নেন। এজন্য তিনি স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের সহায়তা নেন। কৃষি কর্মকর্তারা জমিগুলো পরিদর্শন করে এখানে মাল্টা চাষ হবে। তিনি নিজ উদ্যোগে শুরু করেন মাল্টার চাষ। ২০২১ সালে পরীক্ষামূলকভাবে নিজ উদ্যোগে বারি-১ ১২০০ মাল্টার চারা রোপণ তাক লাগিয়ে দেন সবাইকে।

গাছ রোপণের পরের বছরই ফলন পেতে শুরু করেন সফিউল বর খোকন। মাল্টার পাশাপাশি তার রয়েছে মাছের ঘের, মুরগি, গরু খামার। নতুন করে তিনি আপেল এবং রামবুটান চাষ শুরু করেছেন। শুধু সফিউল বর খোকনই নন, বর্তমানে মাল্টা চাষের প্রতি ঝুঁকেছেন এ উপজেলার অনেক চাষি ও বেকার যুবকরা।

মাল্টা চাষে কোনো এখন পর্যন্ত সমস্যায় পড়তে হয়নি বলে জানিয়েছেন সফিউল বর খোকন। এ কারণে মাল্টা চাষ আরও সম্প্রসারণের আশা করছেন তিনি। এ ছাড়া স্থানীয় বাজারেও মাল্টার অনেক চাহিদা রয়েছে। দিন দিন এ চাহিদা বাড়ছে।

তার মাল্টা বাগানে কাজ করেন এলাকার ৮ থেকে ১০ জন বেকার যুবক। প্রথমে পাইকারি বিক্রি করলেও বর্তমানে তিনি ১০০ টাকা কেজি দরে খুচরা বিক্রি শুরু করেছেন।

সফিউল বর খোকন বলেন, আমি যখন বাগানটির কার্যক্রম শুরু করি, তখন আমাকে এলাকার লোকজন আমাকে হতাশ করেছে। অনেকে আমাকে অনেক ধরনের কথা বলেছে। কৃষি অফিস থেকে আমাকে কিছু পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছে। এখন আমার বাগানে ফলন হয়েছে ভালো।

মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন হাসান বলেন, সফিউল বর খোকন মাল্টা বাগান করে অল্প সময়ে পেয়েছেন প্রত্যাশিত সাফল্য। এখানকার মাটি ও আবহাওয়া মাল্টা চাষের জন্য খুবই উপযোগী।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:০৫:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০২৪
২৮৫ বার পড়া হয়েছে

মাল্টা চাষে সফল মাধবপুরের তরুণ উদ্যোক্তা সফিউল বর খোকন

আপডেট সময় ১২:০৫:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০২৪

হবিগঞ্জের মাধবপুরের ধর্মঘরের সফিউল বর খোকন নামের এক তরুণ উদ্যোক্তা মাল্টা চাষ করে সফল হয়েছেন। তার বাড়ি উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের নিজনগর গ্রামে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পোষ্ট অফিসার হিসাবে কর্মরত রয়েছেন।

জানা গেছে, তিনি চাকুরির পাশাপাশি উদ্যোক্তা হিসাবে গড়ে তুলেছেন নাভা এগ্রো বহুমুখী ফার্ম। উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী নিজনগর গ্রামে ২৫০ শতক জমিতে মাল্টা চাষের সিদ্ধান্ত নেন। এজন্য তিনি স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের সহায়তা নেন। কৃষি কর্মকর্তারা জমিগুলো পরিদর্শন করে এখানে মাল্টা চাষ হবে। তিনি নিজ উদ্যোগে শুরু করেন মাল্টার চাষ। ২০২১ সালে পরীক্ষামূলকভাবে নিজ উদ্যোগে বারি-১ ১২০০ মাল্টার চারা রোপণ তাক লাগিয়ে দেন সবাইকে।

গাছ রোপণের পরের বছরই ফলন পেতে শুরু করেন সফিউল বর খোকন। মাল্টার পাশাপাশি তার রয়েছে মাছের ঘের, মুরগি, গরু খামার। নতুন করে তিনি আপেল এবং রামবুটান চাষ শুরু করেছেন। শুধু সফিউল বর খোকনই নন, বর্তমানে মাল্টা চাষের প্রতি ঝুঁকেছেন এ উপজেলার অনেক চাষি ও বেকার যুবকরা।

মাল্টা চাষে কোনো এখন পর্যন্ত সমস্যায় পড়তে হয়নি বলে জানিয়েছেন সফিউল বর খোকন। এ কারণে মাল্টা চাষ আরও সম্প্রসারণের আশা করছেন তিনি। এ ছাড়া স্থানীয় বাজারেও মাল্টার অনেক চাহিদা রয়েছে। দিন দিন এ চাহিদা বাড়ছে।

তার মাল্টা বাগানে কাজ করেন এলাকার ৮ থেকে ১০ জন বেকার যুবক। প্রথমে পাইকারি বিক্রি করলেও বর্তমানে তিনি ১০০ টাকা কেজি দরে খুচরা বিক্রি শুরু করেছেন।

সফিউল বর খোকন বলেন, আমি যখন বাগানটির কার্যক্রম শুরু করি, তখন আমাকে এলাকার লোকজন আমাকে হতাশ করেছে। অনেকে আমাকে অনেক ধরনের কথা বলেছে। কৃষি অফিস থেকে আমাকে কিছু পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছে। এখন আমার বাগানে ফলন হয়েছে ভালো।

মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন হাসান বলেন, সফিউল বর খোকন মাল্টা বাগান করে অল্প সময়ে পেয়েছেন প্রত্যাশিত সাফল্য। এখানকার মাটি ও আবহাওয়া মাল্টা চাষের জন্য খুবই উপযোগী।