ঢাকা ১১:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo জুলাই যোদ্ধাদের চাকুরির নিয়োগপত্র প্রদান সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী Logo একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে: ‍প্রধানমন্ত্রী Logo জুলাই অভ্যুত্থানের মহানায়ক কোনো ব্যক্তি বা দল নয়, গণতন্ত্রকামী জনগণ : প্রধানমন্ত্রী Logo শায়েস্তাগঞ্জে আগস্টের বিজয় Logo হবিগঞ্জে এনসিপির মামলা: ছাত্রদল নেতা রিংগনসহ ১১ জনের জামিন Logo হবিগঞ্জে এক বছরে পানিতে ডুবে ২৭ শিশুর মৃত্যু Logo লাখাইয়ে হোমিওপ্যাথিক তরল পানে দম্পতিসহ ৫ জনের মৃত্যু Logo হবিগঞ্জে পাটোয়ারী-সারজিসসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা Logo শায়েস্তাগঞ্জে পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু, শোকের ছায়া গ্রামজুড়ে Logo হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় ১১ জনের নামে এনসিপির মামলা

ক্ষুধার্ত মানুষকে খাওয়াতে ২০০ হাতি মারবে জিম্বাবুয়ে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জিম্বাবুয়েতে ক্ষুধার্ত মানুষের খাবারের যোগানের জন্য ২০০ হাতি হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। ১৯৮৭ সালের পর প্রথমবারের মতো এভাবে হাতি মারার পরিকল্পনা করছে দেশটি।

চার দশকের মধ্যে তীব্র খরার মুখোমুখি হয়েছে আফ্রিকা মহাদেশের দেশগুলো। পানির অভাবে ব্যাহত হচ্ছে ফসল উৎপাদন। চলতি মাসের শুরুতে ক্ষুধার্ত মানুষের খাবারের যোগান দিতে হাতি, জলহস্তি, জেব্রাসহ ৭শ’র বেশি প্রাণী মারার ঘোষণা দেয় নামিবিয়া। এবার একই রকম সিদ্ধান্তে পা বাড়িয়েছে আফ্রিকার আরেক দেশ জিম্বাবুয়ে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দেশটির বন্যপ্রাণী কর্তৃপক্ষ জানায়, খরায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জনগোষ্ঠীর খাদ্যের যোগান দেয়ার জন্য ২০০টি হাতি মারার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। মানুষকে খাওয়ানোর জন্য ১৯৮৭ সালের পর প্রথমবারের মতো এমন উদ্যোগ নিলো জিম্বাবুয়ে।

দেশটিতে মোট হাতির সংখ্যা ৮৪ হাজার। কিন্তু হাতি ধারণক্ষমতা ৪৫ হাজার। বিশ্বে হাতির সর্বোচ্চ সংখ্যার দিক দিয়ে জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, হাতিগুলোকে মারার মাধ্যমে দেশটির বনগুলোতে হাতির সংখ্যা কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

খরার কারণে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে জিম্বাবুয়ে সরকার। দক্ষিণপূর্ব আফ্রিকার দেশটিতে মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। কোনো ফসল উৎপাদন করতে পারছেন না কৃষকরা। যার কারণে দেখা দিয়েছে চরম খাদ্য সংকট। জাতিসংঘের হিসাব মতে, জিম্বাবুয়ের প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে।

দক্ষিণ আফ্রিকার পাঁচটি দেশ জিম্বাবুয়ে, জাম্বিয়া, বতসোয়ানা, অ্যাঙ্গোলা এবং নামিবিয়াজুড়ে বিস্তৃত একটি সংরক্ষণ এলাকায় ২ লাখেরও বেশি হাতি রয়েছে বলে অনুমান করা হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:৫৮:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪
১৬৪ বার পড়া হয়েছে

ক্ষুধার্ত মানুষকে খাওয়াতে ২০০ হাতি মারবে জিম্বাবুয়ে সরকার

আপডেট সময় ০৮:৫৮:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪

জিম্বাবুয়েতে ক্ষুধার্ত মানুষের খাবারের যোগানের জন্য ২০০ হাতি হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। ১৯৮৭ সালের পর প্রথমবারের মতো এভাবে হাতি মারার পরিকল্পনা করছে দেশটি।

চার দশকের মধ্যে তীব্র খরার মুখোমুখি হয়েছে আফ্রিকা মহাদেশের দেশগুলো। পানির অভাবে ব্যাহত হচ্ছে ফসল উৎপাদন। চলতি মাসের শুরুতে ক্ষুধার্ত মানুষের খাবারের যোগান দিতে হাতি, জলহস্তি, জেব্রাসহ ৭শ’র বেশি প্রাণী মারার ঘোষণা দেয় নামিবিয়া। এবার একই রকম সিদ্ধান্তে পা বাড়িয়েছে আফ্রিকার আরেক দেশ জিম্বাবুয়ে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দেশটির বন্যপ্রাণী কর্তৃপক্ষ জানায়, খরায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জনগোষ্ঠীর খাদ্যের যোগান দেয়ার জন্য ২০০টি হাতি মারার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। মানুষকে খাওয়ানোর জন্য ১৯৮৭ সালের পর প্রথমবারের মতো এমন উদ্যোগ নিলো জিম্বাবুয়ে।

দেশটিতে মোট হাতির সংখ্যা ৮৪ হাজার। কিন্তু হাতি ধারণক্ষমতা ৪৫ হাজার। বিশ্বে হাতির সর্বোচ্চ সংখ্যার দিক দিয়ে জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, হাতিগুলোকে মারার মাধ্যমে দেশটির বনগুলোতে হাতির সংখ্যা কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

খরার কারণে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে জিম্বাবুয়ে সরকার। দক্ষিণপূর্ব আফ্রিকার দেশটিতে মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। কোনো ফসল উৎপাদন করতে পারছেন না কৃষকরা। যার কারণে দেখা দিয়েছে চরম খাদ্য সংকট। জাতিসংঘের হিসাব মতে, জিম্বাবুয়ের প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে।

দক্ষিণ আফ্রিকার পাঁচটি দেশ জিম্বাবুয়ে, জাম্বিয়া, বতসোয়ানা, অ্যাঙ্গোলা এবং নামিবিয়াজুড়ে বিস্তৃত একটি সংরক্ষণ এলাকায় ২ লাখেরও বেশি হাতি রয়েছে বলে অনুমান করা হয়।