ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

টাঙ্গাইলে যুবকদের স্বেচ্ছাশ্রমে পাঁচ শতাধিক পরিবারের সাঁকো সুবিধা

টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের সদর উপজেলায় পাঁচ শতাধিক পরিবারের যাতায়াতের জন্য কাঠের সাঁকো নির্মাণ করে দিয়েছেন স্থানীয় যুবকরা। এতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন স্থানীয় ওই যুবকরা।

জানা গেছে, টাঙ্গাইলের সদর উপজেলায় হুগড়া ইউনিয়নের শওকত ডাক্তারের বাড়ির পূর্ব পাশের খালে বন্যার পানি প্রবেশ করায় পাঁচ শতাধিক পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। স্থানীয় যুবকদের নজরে এলে তাদের নিজ উদ্যোগে সাঁকো তৈরি করে দেন।

যুবকরা জানান, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শতশত বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। হুগড়া ইউনিয়নের যেসব জায়গায় রাস্তাঘাট বেহালদশা সে রাস্তাঘাটসহ দুস্থ মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছি আমরা। এসব দেখে এলাকার অনেক মানুষ আমাদের পাশে এসে সার্বিক সহযোগিতা করার চেষ্টা করছে।

যুব সমাজের সদস্য রিপন মণ্ডল বলেন, আমাদের গ্রুপে প্রথম ৮/৯ জন ছিলাম। এখন আমাদের কাজে উৎসাহিত হয়ে আমাদের ইউনিয়নের যুবসমাজ প্রায় ৬০ জন সদস্য রয়েছে।

যুবকদের স্বেচ্ছাশ্রমে পাঁচ শতাধিক পরিবারের সাঁকো সুবিধা মিরসরাইয়ে লোকালয়ে অজগর, বনে অবমুক্ত

তিনি বলেন, আমি এ পর্যন্ত ১০ অসহায় রোগীকে রক্ত দিয়েছি। সব সময় মানবতার কাজে হুগড়া ইউনিয়নের এ যুব সমাজ কাজ করবে এ প্রত্যাশা আমাদের। একত্রিত হয়ে মানবতার যে কাজগুলো করছি এটা আমাদের লোক দেখানো নয়। আমাদেরকে দেখে যাতে অন্য ইউনিয়নের যুব সমাজ অসহায় দুস্থ মানুষের পাশে থেকে মানবতার কাজ করবে এবং আমাদের এ মানবতার কাজ জেলায় ছডিয়ে যাবে এটাই প্রত্যাশা।

হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নূর-এ আলম তুহিন বলেন, স্থানীয় যুবকদের সমাজের ভালো ভালো কাজ দেখে আমি নিজেই উদ্বুদ্ধ হই। এ ছাড়াও অসহায় দুঃস্থ মানুষকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা কাজে সহায়তাসহ রক্ত দানেও তাদের ভূমিকা রয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় যেখানেই মানুষের যাতায়াতের অসুবিধা সেখানেই ওই যুবকরা হাত বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, তাদের সঙ্গে এসি আকরাম ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ইউনিয়নের কয়েকটি বাড়িতে বিশুদ্ধ পানির টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে বেগুনটাল তালেবের বাড়ি, চাকলাদার পাড়া জিয়া চাকলাদারের বাড়ি, উত্তর হুগড়া ফকির বাজার, মোশারফের বাড়ি ও নরসিংহপুরে নওশের বাড়িতে টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:১৯:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪
৬ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলে যুবকদের স্বেচ্ছাশ্রমে পাঁচ শতাধিক পরিবারের সাঁকো সুবিধা

আপডেট সময় ০৬:১৯:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪

টাঙ্গাইলের সদর উপজেলায় পাঁচ শতাধিক পরিবারের যাতায়াতের জন্য কাঠের সাঁকো নির্মাণ করে দিয়েছেন স্থানীয় যুবকরা। এতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন স্থানীয় ওই যুবকরা।

জানা গেছে, টাঙ্গাইলের সদর উপজেলায় হুগড়া ইউনিয়নের শওকত ডাক্তারের বাড়ির পূর্ব পাশের খালে বন্যার পানি প্রবেশ করায় পাঁচ শতাধিক পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। স্থানীয় যুবকদের নজরে এলে তাদের নিজ উদ্যোগে সাঁকো তৈরি করে দেন।

যুবকরা জানান, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শতশত বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। হুগড়া ইউনিয়নের যেসব জায়গায় রাস্তাঘাট বেহালদশা সে রাস্তাঘাটসহ দুস্থ মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছি আমরা। এসব দেখে এলাকার অনেক মানুষ আমাদের পাশে এসে সার্বিক সহযোগিতা করার চেষ্টা করছে।

যুব সমাজের সদস্য রিপন মণ্ডল বলেন, আমাদের গ্রুপে প্রথম ৮/৯ জন ছিলাম। এখন আমাদের কাজে উৎসাহিত হয়ে আমাদের ইউনিয়নের যুবসমাজ প্রায় ৬০ জন সদস্য রয়েছে।

যুবকদের স্বেচ্ছাশ্রমে পাঁচ শতাধিক পরিবারের সাঁকো সুবিধা মিরসরাইয়ে লোকালয়ে অজগর, বনে অবমুক্ত

তিনি বলেন, আমি এ পর্যন্ত ১০ অসহায় রোগীকে রক্ত দিয়েছি। সব সময় মানবতার কাজে হুগড়া ইউনিয়নের এ যুব সমাজ কাজ করবে এ প্রত্যাশা আমাদের। একত্রিত হয়ে মানবতার যে কাজগুলো করছি এটা আমাদের লোক দেখানো নয়। আমাদেরকে দেখে যাতে অন্য ইউনিয়নের যুব সমাজ অসহায় দুস্থ মানুষের পাশে থেকে মানবতার কাজ করবে এবং আমাদের এ মানবতার কাজ জেলায় ছডিয়ে যাবে এটাই প্রত্যাশা।

হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নূর-এ আলম তুহিন বলেন, স্থানীয় যুবকদের সমাজের ভালো ভালো কাজ দেখে আমি নিজেই উদ্বুদ্ধ হই। এ ছাড়াও অসহায় দুঃস্থ মানুষকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা কাজে সহায়তাসহ রক্ত দানেও তাদের ভূমিকা রয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় যেখানেই মানুষের যাতায়াতের অসুবিধা সেখানেই ওই যুবকরা হাত বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, তাদের সঙ্গে এসি আকরাম ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ইউনিয়নের কয়েকটি বাড়িতে বিশুদ্ধ পানির টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে বেগুনটাল তালেবের বাড়ি, চাকলাদার পাড়া জিয়া চাকলাদারের বাড়ি, উত্তর হুগড়া ফকির বাজার, মোশারফের বাড়ি ও নরসিংহপুরে নওশের বাড়িতে টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে।