ঢাকা ০৬:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo হবিগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুর অভিযোগ, তদন্তে কমিটি Logo হবিগঞ্জের প্রবীণ সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক আর নেই Logo হবিগঞ্জ-৩ আসনে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা পৌরসভায় ১৮০ কোটি, সদর-শায়েস্তাগঞ্জ-লাখাইয়ে ২০০ কোটি টাকার প্রকল্প Logo হবিগঞ্জের পাহাড়ে সজনের ফলনে চাষিরা লাভবান Logo অবৈধ ইটভাটার নির্গত ধোঁয়ায় দূষিত হচ্ছে হবিগঞ্জে বায়ু Logo শায়েস্তাগঞ্জ রেল জংশন, নেই সক্রিয় শাখা লাইন কাজে আসছে না Logo দেড় মাসেও মেরামত হয়নি খোয়াই নদীর বাঁধ, ফের ভাঙন—ঢলের পানি ঢুকছে লোকালয়ে Logo শায়েস্তাগঞ্জে পুকুর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য Logo জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি Logo রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল

বাংলাদেশি কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ বিএসএফের বিরুদ্ধে

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে বাংলাদেশী কৃষক জহুর আলী (৬০) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার বাল্লা সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জহুর আলী উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ডুলনা গ্রামের মনসুর উল্লার ছেলে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার ওই সীমান্তের অভ্যন্তরে ধান খেতে কাজ করতে যান জহুর আলী। প্রতিদিনের মত তিনি আর বাড়ি ফিরেননি। পরে মঙ্গলবার বিকেলে তারা জানতে পারেন চোরাকারবারী সন্দেহে বিএসএফ জহুর আলীকে ধরে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। তার লাশ ভারতের খোয়াই থানার মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল মালেক চৌধুরী বলেন- জহুর আলী ঢাকায় একটি কোম্পানিতে সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি করতেন। ৩ দিন আগে তিনি বাড়িতে আসেন। আসার সময় তিনি বেশ কিছু লুঙ্গি সাথে করে নিয়ে আসে। সোমবার বিকেলে তিনি বাড়ির পার্শ্ববর্তী নালুয়া বাগানে যান। এসময় তিনি তার পরিবারের সদস্যদের বলে যান- লুঙ্গিগুলো বিক্রি করে বাড়ি ফিরবেন। কিন্তু আর ফিরেননি। মঙ্গলবার সকালে খবর পাওয়া যায়- বিএসএফ-এর হাতে তিনি নিহত হয়েছেন।

স্থানীয়রা বলছেন- সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফের সদস্যরা। এরপর তাকে গুলি করে অথবা পিটিয়ে হত্যা করে। মরদেহ এখনো তাদের কাছে রয়েছে।

তারা বলেন- জহুর আলী একজন বয়স্ক মানুষ। তাকে কেন এমনভাবে হত্যা করা হলো তা বোধগম্য নয়। আমরা এই হত্যাকাণ্ডে সুষ্ঠু বিচারসহ সকল সীমান্তহত্যা বন্ধ চাই।

চুনারুঘাট থানার (ওসি) মো. নুর আলম বলেন- ওই বৃদ্ধকে বিএসএফ মেরেছে বলে জানতে পেরেছি। বিজিবিকে সাথে নিয়ে মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছি।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বাল্লা কোম্পানি কমান্ডার বলেন, নিহতের মরদেহ এলে ময়নাতদন্তরে পর মৃত্যুর কারন জানা যাবে। এ ঘটনায় পতাকা বৈঠকের জন্য বিএসএফকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:২১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫
২৩০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশি কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ বিএসএফের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ০৬:২১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে বাংলাদেশী কৃষক জহুর আলী (৬০) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার বাল্লা সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জহুর আলী উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ডুলনা গ্রামের মনসুর উল্লার ছেলে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার ওই সীমান্তের অভ্যন্তরে ধান খেতে কাজ করতে যান জহুর আলী। প্রতিদিনের মত তিনি আর বাড়ি ফিরেননি। পরে মঙ্গলবার বিকেলে তারা জানতে পারেন চোরাকারবারী সন্দেহে বিএসএফ জহুর আলীকে ধরে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। তার লাশ ভারতের খোয়াই থানার মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল মালেক চৌধুরী বলেন- জহুর আলী ঢাকায় একটি কোম্পানিতে সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি করতেন। ৩ দিন আগে তিনি বাড়িতে আসেন। আসার সময় তিনি বেশ কিছু লুঙ্গি সাথে করে নিয়ে আসে। সোমবার বিকেলে তিনি বাড়ির পার্শ্ববর্তী নালুয়া বাগানে যান। এসময় তিনি তার পরিবারের সদস্যদের বলে যান- লুঙ্গিগুলো বিক্রি করে বাড়ি ফিরবেন। কিন্তু আর ফিরেননি। মঙ্গলবার সকালে খবর পাওয়া যায়- বিএসএফ-এর হাতে তিনি নিহত হয়েছেন।

স্থানীয়রা বলছেন- সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফের সদস্যরা। এরপর তাকে গুলি করে অথবা পিটিয়ে হত্যা করে। মরদেহ এখনো তাদের কাছে রয়েছে।

তারা বলেন- জহুর আলী একজন বয়স্ক মানুষ। তাকে কেন এমনভাবে হত্যা করা হলো তা বোধগম্য নয়। আমরা এই হত্যাকাণ্ডে সুষ্ঠু বিচারসহ সকল সীমান্তহত্যা বন্ধ চাই।

চুনারুঘাট থানার (ওসি) মো. নুর আলম বলেন- ওই বৃদ্ধকে বিএসএফ মেরেছে বলে জানতে পেরেছি। বিজিবিকে সাথে নিয়ে মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছি।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বাল্লা কোম্পানি কমান্ডার বলেন, নিহতের মরদেহ এলে ময়নাতদন্তরে পর মৃত্যুর কারন জানা যাবে। এ ঘটনায় পতাকা বৈঠকের জন্য বিএসএফকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।