হবিগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুর অভিযোগ, তদন্তে কমিটি
হবিগঞ্জ শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জেলা বিএনপির প্রবীণ নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, ভুল চিকিৎসা ও কর্তব্যে অবহেলার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে চিকিৎসায় কোনো ভুল বা অবহেলা ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত হয়নি।
সোমবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ‘চাঁদের হাসি হাসপাতাল লিমিটেড’ নামের ওই ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যু হয়। তিনি দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচার এর সম্পাদক এবং হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ছিলেন।
মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্বজনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জড়ো হন। এ সময় চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ নিয়ে সেখানে ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দেয়। ঘটনার পর চিকিৎসক, নার্স ও হাসপাতালের কর্মীরা সেখান থেকে চলে যান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
চিকিৎসায় ভুল বা অবহেলার কারণে গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যু হয়েছে কি না, তা তদন্তে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির প্রধান করা হয়েছে হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. রত্নদীপ বিশ্বাসকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন জেলা প্রশাসকের একজন প্রতিনিধি, পুলিশ সুপারের একজন প্রতিনিধি এবং হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের একজন প্রতিনিধি। তদন্ত কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
গোলাম মোস্তফা রফিকের স্বজনেরা জানান, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি এক দিন ধরে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সোমবার বিকেলে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে চিকিৎসা করাতে চাঁদের হাসি হাসপাতালে নেওয়া হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, সেখানে চিকিৎসক সোলাইমানের কাছে নেওয়ার পর তার সহকারী আল আমিনের ভুল চিকিৎসা ও কর্তব্যে অবহেলার কারণে গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যু হয়। তবে চিকিৎসায় ভুল বা অবহেলা হয়েছিল কি না, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুর খবর পেয়ে চাঁদের হাসি হাসপাতালে যান হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ, জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ, সিভিল সার্জন ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস এবং পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা। হাসপাতালে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন তারা।
হুইপ জি কে গউছ বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান ছিলেন। তাঁর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা কাম্য নয়। চিকিৎসায় কোনো ভুল বা অবহেলা ছিল কি না, তা তদন্তে কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গোলাম মোস্তফা রফিকের জানাজা মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর দুইটায় হবিগঞ্জ কেন্দ্রীয় শাহী ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে হবিগঞ্জের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংবাদিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
হবিগঞ্জ শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জেলা বিএনপির প্রবীণ নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, ভুল চিকিৎসা ও কর্তব্যে অবহেলার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে চিকিৎসায় কোনো ভুল বা অবহেলা ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত হয়নি।
সোমবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ‘চাঁদের হাসি হাসপাতাল লিমিটেড’ নামের ওই ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যু হয়। তিনি দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচার এর সম্পাদক এবং হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ছিলেন।
মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্বজনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জড়ো হন। এ সময় চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ নিয়ে সেখানে ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দেয়। ঘটনার পর চিকিৎসক, নার্স ও হাসপাতালের কর্মীরা সেখান থেকে চলে যান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
চিকিৎসায় ভুল বা অবহেলার কারণে গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যু হয়েছে কি না, তা তদন্তে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির প্রধান করা হয়েছে হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. রত্নদীপ বিশ্বাসকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন জেলা প্রশাসকের একজন প্রতিনিধি, পুলিশ সুপারের একজন প্রতিনিধি এবং হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের একজন প্রতিনিধি। তদন্ত কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
গোলাম মোস্তফা রফিকের স্বজনেরা জানান, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি এক দিন ধরে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সোমবার বিকেলে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে চিকিৎসা করাতে চাঁদের হাসি হাসপাতালে নেওয়া হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, সেখানে চিকিৎসক সোলাইমানের কাছে নেওয়ার পর তার সহকারী আল আমিনের ভুল চিকিৎসা ও কর্তব্যে অবহেলার কারণে গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যু হয়। তবে চিকিৎসায় ভুল বা অবহেলা হয়েছিল কি না, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুর খবর পেয়ে চাঁদের হাসি হাসপাতালে যান হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ, জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ, সিভিল সার্জন ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস এবং পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা। হাসপাতালে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন তারা।
হুইপ জি কে গউছ বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান ছিলেন। তাঁর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা কাম্য নয়। চিকিৎসায় কোনো ভুল বা অবহেলা ছিল কি না, তা তদন্তে কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গোলাম মোস্তফা রফিকের জানাজা মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর দুইটায় হবিগঞ্জ কেন্দ্রীয় শাহী ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে হবিগঞ্জের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংবাদিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।






















