ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo হবিগঞ্জ-৩ আসনে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা পৌরসভায় ১৮০ কোটি, সদর-শায়েস্তাগঞ্জ-লাখাইয়ে ২০০ কোটি টাকার প্রকল্প Logo হবিগঞ্জের পাহাড়ে সজনের ফলনে চাষিরা লাভবান Logo অবৈধ ইটভাটার নির্গত ধোঁয়ায় দূষিত হচ্ছে হবিগঞ্জে বায়ু Logo শায়েস্তাগঞ্জ রেল জংশন, নেই সক্রিয় শাখা লাইন কাজে আসছে না Logo দেড় মাসেও মেরামত হয়নি খোয়াই নদীর বাঁধ, ফের ভাঙন—ঢলের পানি ঢুকছে লোকালয়ে Logo শায়েস্তাগঞ্জে পুকুর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য Logo জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি Logo রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল Logo হবিগঞ্জে ৮টির মধ্যে ৪ বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ, বেড়েছে লোডশেডিং Logo চুনারুঘাটে সাতছড়ির জঙ্গলে মাটির নিচে মিলল পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলি

বাহুবলের বিভিন্ন গ্রামে এলএসডি রোগে আক্রান্ত গবাদিপশু

বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গবাদিপশুর মাঝে লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) বা চামড়ার পিণ্ড বা ফোস্কা রোগ দেখা দিয়েছে। এ রোগের ভালো কোনো চিকিৎসা না থাকায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। তবে রোগ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক পরামর্শ দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় পশু চিকিৎসকরা।

প্রান্তিক কৃষক ও প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সর্বত্র গবাদিপশুর মাঝে লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) বা চামড়ার পিণ্ড বা ফোস্কা রোগ দেখা দিয়েছে, যা স্থানীয়ভাবে গুটি বসন্ত নামে পরিচিত। রোগটি সাধারণত মশা-মাছির মাধ্যমে ছড়ায়। অদ্যাবদি এ রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো ওষুধ আবিষ্কার না হওয়ায় আতঙ্কিত প্রান্তিক কৃষকরা।

রোগের লক্ষণ হিসেবে দেখা যায়, গরুর শরীরে সর্বত্র গুটি বের হয়, শরীরে জ্বর থাকে, খাবারে অরুচি, পা ও গলার নিচের দিক ফুলে যায়, শরীরে চুলকানি দেখা দেয়। কোনো কোনো সময় গুটিগুলো ফেটে দেবে যায়। এতে রোগটি চরম আকার ধারণ করে এবং গরুর মৃত্যুও ঘটে।

এ ব্যাপারে বাহুবল উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. গোলাম মুরশেদ মুরাদ বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত প্রায় অর্ধশতাধিক গরু পেয়েছি, সবই এ রোগে আক্রান্ত। কৃষকদের এ রোগের ব্যাপারে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জ্বর কন্ট্রোল থাকার জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ ও চুলকানির জন্য অ্যান্টিহিসটামিন খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। বিশেষ করে একমুঠ পরিমাণ নিমপাতার রসের সঙ্গে ৫০গ্রাম খাবার সোডা মিক্স করে দিনে দুই বার খাওয়াতে হবে। গরুর বয়স ছয় মাসের কম হলে ২৫ গ্রাম সোডা মিক্স করতে হবে। মশা-মাছি থেকে গরুকে দূরে রাখতে হবে ও আক্রান্ত গরুটিকে সুস্থ গরু থেকে আলাদা রাখতে হবে। অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। তবে এ রোগের ব্যাপারে আতঙ্কের কিছু নেই। সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মতান্ত্রিকতা ঠিক রাখলে মৃত্যুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০২৪
২১৯ বার পড়া হয়েছে

বাহুবলের বিভিন্ন গ্রামে এলএসডি রোগে আক্রান্ত গবাদিপশু

আপডেট সময় ০৯:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০২৪

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গবাদিপশুর মাঝে লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) বা চামড়ার পিণ্ড বা ফোস্কা রোগ দেখা দিয়েছে। এ রোগের ভালো কোনো চিকিৎসা না থাকায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। তবে রোগ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক পরামর্শ দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় পশু চিকিৎসকরা।

প্রান্তিক কৃষক ও প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সর্বত্র গবাদিপশুর মাঝে লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) বা চামড়ার পিণ্ড বা ফোস্কা রোগ দেখা দিয়েছে, যা স্থানীয়ভাবে গুটি বসন্ত নামে পরিচিত। রোগটি সাধারণত মশা-মাছির মাধ্যমে ছড়ায়। অদ্যাবদি এ রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো ওষুধ আবিষ্কার না হওয়ায় আতঙ্কিত প্রান্তিক কৃষকরা।

রোগের লক্ষণ হিসেবে দেখা যায়, গরুর শরীরে সর্বত্র গুটি বের হয়, শরীরে জ্বর থাকে, খাবারে অরুচি, পা ও গলার নিচের দিক ফুলে যায়, শরীরে চুলকানি দেখা দেয়। কোনো কোনো সময় গুটিগুলো ফেটে দেবে যায়। এতে রোগটি চরম আকার ধারণ করে এবং গরুর মৃত্যুও ঘটে।

এ ব্যাপারে বাহুবল উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. গোলাম মুরশেদ মুরাদ বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত প্রায় অর্ধশতাধিক গরু পেয়েছি, সবই এ রোগে আক্রান্ত। কৃষকদের এ রোগের ব্যাপারে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জ্বর কন্ট্রোল থাকার জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ ও চুলকানির জন্য অ্যান্টিহিসটামিন খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। বিশেষ করে একমুঠ পরিমাণ নিমপাতার রসের সঙ্গে ৫০গ্রাম খাবার সোডা মিক্স করে দিনে দুই বার খাওয়াতে হবে। গরুর বয়স ছয় মাসের কম হলে ২৫ গ্রাম সোডা মিক্স করতে হবে। মশা-মাছি থেকে গরুকে দূরে রাখতে হবে ও আক্রান্ত গরুটিকে সুস্থ গরু থেকে আলাদা রাখতে হবে। অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। তবে এ রোগের ব্যাপারে আতঙ্কের কিছু নেই। সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মতান্ত্রিকতা ঠিক রাখলে মৃত্যুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব।