ঢাকা ১২:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo হবিগঞ্জে ফল বিক্রেতার মোবাইল চুরির অভিযোগে এসআই ক্লোজড Logo জুলাই যোদ্ধাদের চাকুরির নিয়োগপত্র প্রদান সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী Logo একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে: ‍প্রধানমন্ত্রী Logo জুলাই অভ্যুত্থানের মহানায়ক কোনো ব্যক্তি বা দল নয়, গণতন্ত্রকামী জনগণ : প্রধানমন্ত্রী Logo শায়েস্তাগঞ্জে আগস্টের বিজয় Logo হবিগঞ্জে এনসিপির মামলা: ছাত্রদল নেতা রিংগনসহ ১১ জনের জামিন Logo হবিগঞ্জে এক বছরে পানিতে ডুবে ২৭ শিশুর মৃত্যু Logo লাখাইয়ে হোমিওপ্যাথিক তরল পানে দম্পতিসহ ৫ জনের মৃত্যু Logo হবিগঞ্জে পাটোয়ারী-সারজিসসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা Logo শায়েস্তাগঞ্জে পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু, শোকের ছায়া গ্রামজুড়ে

বাহুবলের বিভিন্ন গ্রামে এলএসডি রোগে আক্রান্ত গবাদিপশু

বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গবাদিপশুর মাঝে লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) বা চামড়ার পিণ্ড বা ফোস্কা রোগ দেখা দিয়েছে। এ রোগের ভালো কোনো চিকিৎসা না থাকায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। তবে রোগ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক পরামর্শ দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় পশু চিকিৎসকরা।

প্রান্তিক কৃষক ও প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সর্বত্র গবাদিপশুর মাঝে লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) বা চামড়ার পিণ্ড বা ফোস্কা রোগ দেখা দিয়েছে, যা স্থানীয়ভাবে গুটি বসন্ত নামে পরিচিত। রোগটি সাধারণত মশা-মাছির মাধ্যমে ছড়ায়। অদ্যাবদি এ রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো ওষুধ আবিষ্কার না হওয়ায় আতঙ্কিত প্রান্তিক কৃষকরা।

রোগের লক্ষণ হিসেবে দেখা যায়, গরুর শরীরে সর্বত্র গুটি বের হয়, শরীরে জ্বর থাকে, খাবারে অরুচি, পা ও গলার নিচের দিক ফুলে যায়, শরীরে চুলকানি দেখা দেয়। কোনো কোনো সময় গুটিগুলো ফেটে দেবে যায়। এতে রোগটি চরম আকার ধারণ করে এবং গরুর মৃত্যুও ঘটে।

এ ব্যাপারে বাহুবল উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. গোলাম মুরশেদ মুরাদ বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত প্রায় অর্ধশতাধিক গরু পেয়েছি, সবই এ রোগে আক্রান্ত। কৃষকদের এ রোগের ব্যাপারে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জ্বর কন্ট্রোল থাকার জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ ও চুলকানির জন্য অ্যান্টিহিসটামিন খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। বিশেষ করে একমুঠ পরিমাণ নিমপাতার রসের সঙ্গে ৫০গ্রাম খাবার সোডা মিক্স করে দিনে দুই বার খাওয়াতে হবে। গরুর বয়স ছয় মাসের কম হলে ২৫ গ্রাম সোডা মিক্স করতে হবে। মশা-মাছি থেকে গরুকে দূরে রাখতে হবে ও আক্রান্ত গরুটিকে সুস্থ গরু থেকে আলাদা রাখতে হবে। অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। তবে এ রোগের ব্যাপারে আতঙ্কের কিছু নেই। সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মতান্ত্রিকতা ঠিক রাখলে মৃত্যুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০২৪
২১৫ বার পড়া হয়েছে

বাহুবলের বিভিন্ন গ্রামে এলএসডি রোগে আক্রান্ত গবাদিপশু

আপডেট সময় ০৯:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০২৪

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গবাদিপশুর মাঝে লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) বা চামড়ার পিণ্ড বা ফোস্কা রোগ দেখা দিয়েছে। এ রোগের ভালো কোনো চিকিৎসা না থাকায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। তবে রোগ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক পরামর্শ দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় পশু চিকিৎসকরা।

প্রান্তিক কৃষক ও প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সর্বত্র গবাদিপশুর মাঝে লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) বা চামড়ার পিণ্ড বা ফোস্কা রোগ দেখা দিয়েছে, যা স্থানীয়ভাবে গুটি বসন্ত নামে পরিচিত। রোগটি সাধারণত মশা-মাছির মাধ্যমে ছড়ায়। অদ্যাবদি এ রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো ওষুধ আবিষ্কার না হওয়ায় আতঙ্কিত প্রান্তিক কৃষকরা।

রোগের লক্ষণ হিসেবে দেখা যায়, গরুর শরীরে সর্বত্র গুটি বের হয়, শরীরে জ্বর থাকে, খাবারে অরুচি, পা ও গলার নিচের দিক ফুলে যায়, শরীরে চুলকানি দেখা দেয়। কোনো কোনো সময় গুটিগুলো ফেটে দেবে যায়। এতে রোগটি চরম আকার ধারণ করে এবং গরুর মৃত্যুও ঘটে।

এ ব্যাপারে বাহুবল উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. গোলাম মুরশেদ মুরাদ বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত প্রায় অর্ধশতাধিক গরু পেয়েছি, সবই এ রোগে আক্রান্ত। কৃষকদের এ রোগের ব্যাপারে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জ্বর কন্ট্রোল থাকার জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ ও চুলকানির জন্য অ্যান্টিহিসটামিন খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। বিশেষ করে একমুঠ পরিমাণ নিমপাতার রসের সঙ্গে ৫০গ্রাম খাবার সোডা মিক্স করে দিনে দুই বার খাওয়াতে হবে। গরুর বয়স ছয় মাসের কম হলে ২৫ গ্রাম সোডা মিক্স করতে হবে। মশা-মাছি থেকে গরুকে দূরে রাখতে হবে ও আক্রান্ত গরুটিকে সুস্থ গরু থেকে আলাদা রাখতে হবে। অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। তবে এ রোগের ব্যাপারে আতঙ্কের কিছু নেই। সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মতান্ত্রিকতা ঠিক রাখলে মৃত্যুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব।