ঢাকা ০৮:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

সাপে কাটলে করা যাবে না যে ৫ কাজ

লাইফস্টাইল ডেস্ক

বিষাক্ত সাপের কামড়ে প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মারা যায় প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষ, সাধারণত মে থেকে অক্টোবরের মধ্যে সাপের উপদ্রব বেশি দেখা যায়। এর বাইরে সারা বছরই সাপের কামড়ে অনেকে আক্রান্ত হন। চলতি মৌসুমে গ্রামাঞ্চলে সাপের আতঙ্ক বেড়েছে। কিন্তু সহজ কিছু পদক্ষেপ সর্পদংশন থেকে মানুষের মৃত্যু ঠেকাতে পারে। সাপের দংশনে আক্রান্ত হওয়ার পরবর্তী পদক্ষেপগুলো কী হতে পারে, চলুন জেনে নিই।

সাপ কাটলে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এ সময় ভয় থাকলেও ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে। সাপে কাটলে প্রথমে সাপের ধরন নির্ণয় করতে হবে। সাপ কামড়ালে প্রথমেই আঘাতের স্থান পর্যবেক্ষণ করে জানতে হবে সেটি বিষধর নাকি নির্বিষ। দুই ধরনের সাপের কামড়ের চিকিৎসা দুই রকম। বিষধর সাপের কামড়ে সাধারণত দুটি ক্ষত হয়, তবে নির্বিষ সাপের কামড়ে চার থেকে ১৬টি পর্যন্ত ক্ষত দেখা যেতে পারে।

উপসর্গ:

কিছু সাপ কাটলে তাৎক্ষণাৎ টের পাওয়া যায় না। যেমন: কালাচ। এ সাপ অত্যন্ত বিষধর, কিন্তু বিষদাঁত ছোট হওয়ায় প্রাথমিকভাবে বোঝা যায় না, শুধু বমিভাব বা পেট খারাপের মতো উপসর্গ দেখা যায়। তাই এসব লক্ষণ দেখলে কোনোভাবেই অবহেলা করা যাবে না।

যা করতে হবে:

দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন

হাত বা পা ভাঙলে যেমন করে শক্ত কিছু দিয়ে কাপড় দিয়ে হলকা করে বাধা হয়, সেভাবে বাধুন

সাপে কাটা পেশী যতটা কম সম্ভব নড়াচড়া করুন, পেশীর নড়াচড়া যত কম হবে, বিষ তত কম ছড়াবে।

যা করবেন না:

আতংকিত হওয়া যাবে না

ওঝা বা ঝাড়ফুঁকের অপেক্ষা করে কালক্ষেপণ করবেন না

চিকিৎসক দেখার আগ পর্যন্ত কিছু খাওয়া উচিত না

সাপে কাটা জায়গায় শক্ত করে বাঁধা যাবে না, কারণ রক্ত জমে গিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তি পঙ্গু হয়ে যেতে পারেন। যেখানে সাপ কেটেছে, তার কিছুটা ভেতরের দিকে খুব হালকা করে শুধু একটি গিঁট দিয়ে বেঁধে দেয়া যেতে পারে। বাঁধন এমনই হালকা হতে হবে যেন চাইলে ভেতরে আঙুল প্রবেশ করা যায়। কোন মলম বা মালিশ লাগানো উচিত না

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:৫৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪
৬ বার পড়া হয়েছে

সাপে কাটলে করা যাবে না যে ৫ কাজ

আপডেট সময় ০৮:৫৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

বিষাক্ত সাপের কামড়ে প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মারা যায় প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষ, সাধারণত মে থেকে অক্টোবরের মধ্যে সাপের উপদ্রব বেশি দেখা যায়। এর বাইরে সারা বছরই সাপের কামড়ে অনেকে আক্রান্ত হন। চলতি মৌসুমে গ্রামাঞ্চলে সাপের আতঙ্ক বেড়েছে। কিন্তু সহজ কিছু পদক্ষেপ সর্পদংশন থেকে মানুষের মৃত্যু ঠেকাতে পারে। সাপের দংশনে আক্রান্ত হওয়ার পরবর্তী পদক্ষেপগুলো কী হতে পারে, চলুন জেনে নিই।

সাপ কাটলে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এ সময় ভয় থাকলেও ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে। সাপে কাটলে প্রথমে সাপের ধরন নির্ণয় করতে হবে। সাপ কামড়ালে প্রথমেই আঘাতের স্থান পর্যবেক্ষণ করে জানতে হবে সেটি বিষধর নাকি নির্বিষ। দুই ধরনের সাপের কামড়ের চিকিৎসা দুই রকম। বিষধর সাপের কামড়ে সাধারণত দুটি ক্ষত হয়, তবে নির্বিষ সাপের কামড়ে চার থেকে ১৬টি পর্যন্ত ক্ষত দেখা যেতে পারে।

উপসর্গ:

কিছু সাপ কাটলে তাৎক্ষণাৎ টের পাওয়া যায় না। যেমন: কালাচ। এ সাপ অত্যন্ত বিষধর, কিন্তু বিষদাঁত ছোট হওয়ায় প্রাথমিকভাবে বোঝা যায় না, শুধু বমিভাব বা পেট খারাপের মতো উপসর্গ দেখা যায়। তাই এসব লক্ষণ দেখলে কোনোভাবেই অবহেলা করা যাবে না।

যা করতে হবে:

দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন

হাত বা পা ভাঙলে যেমন করে শক্ত কিছু দিয়ে কাপড় দিয়ে হলকা করে বাধা হয়, সেভাবে বাধুন

সাপে কাটা পেশী যতটা কম সম্ভব নড়াচড়া করুন, পেশীর নড়াচড়া যত কম হবে, বিষ তত কম ছড়াবে।

যা করবেন না:

আতংকিত হওয়া যাবে না

ওঝা বা ঝাড়ফুঁকের অপেক্ষা করে কালক্ষেপণ করবেন না

চিকিৎসক দেখার আগ পর্যন্ত কিছু খাওয়া উচিত না

সাপে কাটা জায়গায় শক্ত করে বাঁধা যাবে না, কারণ রক্ত জমে গিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তি পঙ্গু হয়ে যেতে পারেন। যেখানে সাপ কেটেছে, তার কিছুটা ভেতরের দিকে খুব হালকা করে শুধু একটি গিঁট দিয়ে বেঁধে দেয়া যেতে পারে। বাঁধন এমনই হালকা হতে হবে যেন চাইলে ভেতরে আঙুল প্রবেশ করা যায়। কোন মলম বা মালিশ লাগানো উচিত না