ঢাকা ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শায়েস্তাগঞ্জ জংশনে নেই নলকূপ, তৃষ্ণার্ত যাত্রীদের হাহাকার Logo শায়েস্তাগঞ্জে মাদক সেবনের অভিযোগে দুই বৃদ্ধের কারাদন্ড Logo শায়েস্তাগঞ্জে টমটম মালিক-শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে আলোচনা সভা Logo শায়েস্তাগঞ্জে মোবাইল কোর্টে দুই সার বিক্রেতাকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা Logo হবিগঞ্জে কিশোর হত্যা মামলায় শিক্ষক আটক Logo বিজিবিকে হামলার চেষ্টা, দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ২ Logo খোয়াই নদীর ভাঙনে ৮ কোটি টাকার ফসল নষ্ট Logo শায়েস্তাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ Logo আন্দোলন-সংগ্রামের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে সংসদীয় কমিটির সভাপতি জি কে গউছ Logo শায়েস্তাগঞ্জে দৈনিক দিনকালের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

সিলেটে সাংবাদিক হত্যা মামলায় সাবেক ওসি মঈন মাধবপুরে গ্রেফতার

মাধবপুর(হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সিলেটে পুলিশের গুলিতে নিহত সাংবাদিক এটিএম তুরাব হত্যা মামলার ৬নং আসামি সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার সাবেক ওসি মঈন উদ্দিন শিপনকে (৪৩) গ্রেফতার করেছে বিজিবি’র টাস্কফোর্স।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে হবিগঞ্জের মাধবপুরের গোপীনাথপুর গ্রামে ওই কর্মকর্তার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃত মঈন উদ্দিন ওই গ্রামের মাস্টারবাড়ির ইমাম উদ্দিনের ছেলে।
মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ.কে.এম. ফয়সাল গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জানা যায়, গোপন সূত্রে ৫৫ বিজিবি’র সহকারী পরিচালক মো. ইয়ার হোসেন জানতে পারেন গোপীনাথপুরস্থ (মাস্টারবাড়ি) মঈন উদ্দিনের বাড়িতে অবৈধ অস্ত্রের মজুত রয়েছে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে বিজিবি’র টাস্কফোর্স সোমবার ভোররাতে সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় কোনো অস্ত্র পাওয়া না গেলেও ওসি মঈন উদ্দিনকে পেয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

শেখ হাসিনার পতনের দাবিতে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে ১৯ জুলাই সিলেট মহানগরের বন্দরবাজারে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাংবাদিক এটিএম তুরাব। ঘটনার এক মাস পর নিহতের ভাই আবুল আহসান মো. আযরফ (জাবুর) বাদী হয়ে ১৯ আগস্ট সিলেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালকে প্রধান আসামি করা হয়। এজাহারে আসামি হিসেবে পুলিশসহ ১৮ জনের নামোল্লেখ করা হয়। অজ্ঞাত আসামি করা হয় ২০০-২৫০ জনকে।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনা সরকারের মদদপুষ্ট আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তরা ও অবৈধ সরকারের অপেশাদার পুলিশ ও দুর্বৃত্ত দ্বারা ন্যক্কারজনক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। আসামিরা সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে একজোট হয়ে বাদীর নিরপরাধ ছোট ভাই সাংবাদিক আবু তাহের মো. তুরাবকে (এটিএম তুরাব) হত্যা করে। দিনদুপুরে শত শত মানুষের সামনে উক্ত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:২৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪
১৮০ বার পড়া হয়েছে

সিলেটে সাংবাদিক হত্যা মামলায় সাবেক ওসি মঈন মাধবপুরে গ্রেফতার

আপডেট সময় ১২:২৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সিলেটে পুলিশের গুলিতে নিহত সাংবাদিক এটিএম তুরাব হত্যা মামলার ৬নং আসামি সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার সাবেক ওসি মঈন উদ্দিন শিপনকে (৪৩) গ্রেফতার করেছে বিজিবি’র টাস্কফোর্স।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে হবিগঞ্জের মাধবপুরের গোপীনাথপুর গ্রামে ওই কর্মকর্তার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃত মঈন উদ্দিন ওই গ্রামের মাস্টারবাড়ির ইমাম উদ্দিনের ছেলে।
মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ.কে.এম. ফয়সাল গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জানা যায়, গোপন সূত্রে ৫৫ বিজিবি’র সহকারী পরিচালক মো. ইয়ার হোসেন জানতে পারেন গোপীনাথপুরস্থ (মাস্টারবাড়ি) মঈন উদ্দিনের বাড়িতে অবৈধ অস্ত্রের মজুত রয়েছে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে বিজিবি’র টাস্কফোর্স সোমবার ভোররাতে সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় কোনো অস্ত্র পাওয়া না গেলেও ওসি মঈন উদ্দিনকে পেয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

শেখ হাসিনার পতনের দাবিতে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে ১৯ জুলাই সিলেট মহানগরের বন্দরবাজারে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাংবাদিক এটিএম তুরাব। ঘটনার এক মাস পর নিহতের ভাই আবুল আহসান মো. আযরফ (জাবুর) বাদী হয়ে ১৯ আগস্ট সিলেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালকে প্রধান আসামি করা হয়। এজাহারে আসামি হিসেবে পুলিশসহ ১৮ জনের নামোল্লেখ করা হয়। অজ্ঞাত আসামি করা হয় ২০০-২৫০ জনকে।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনা সরকারের মদদপুষ্ট আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তরা ও অবৈধ সরকারের অপেশাদার পুলিশ ও দুর্বৃত্ত দ্বারা ন্যক্কারজনক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। আসামিরা সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে একজোট হয়ে বাদীর নিরপরাধ ছোট ভাই সাংবাদিক আবু তাহের মো. তুরাবকে (এটিএম তুরাব) হত্যা করে। দিনদুপুরে শত শত মানুষের সামনে উক্ত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।