ঢাকা ০৮:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শায়েস্তাগঞ্জে পিকআপের ধাক্কায় টমটম চালক নিহত Logo বাহুবল ফল প্রকাশের আগেরদিন মৃত্যু, সেই রেজা এসএসসিতে পেয়েছে ৪.১১ Logo হবিগঞ্জে ফল বিক্রেতার মোবাইল চুরির অভিযোগে এসআই ক্লোজড Logo জুলাই যোদ্ধাদের চাকুরির নিয়োগপত্র প্রদান সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী Logo একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে: ‍প্রধানমন্ত্রী Logo জুলাই অভ্যুত্থানের মহানায়ক কোনো ব্যক্তি বা দল নয়, গণতন্ত্রকামী জনগণ : প্রধানমন্ত্রী Logo শায়েস্তাগঞ্জে আগস্টের বিজয় Logo হবিগঞ্জে এনসিপির মামলা: ছাত্রদল নেতা রিংগনসহ ১১ জনের জামিন Logo হবিগঞ্জে এক বছরে পানিতে ডুবে ২৭ শিশুর মৃত্যু Logo লাখাইয়ে হোমিওপ্যাথিক তরল পানে দম্পতিসহ ৫ জনের মৃত্যু

হবিগঞ্জে গুলিতে আহত আল আমিনের চোখ নষ্ট হয়েছে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

হবিগঞ্জে কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় গুলিবিদ্ধ সিএনজি চালক আল আমিনের (৩৫) চোখ নষ্ট হয়েছে। সিলেট থেকে তাকে ঢাকা চক্ষু ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আহত আল আমিনের মামা রহমত আলী।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার বাদ জুমা কোটা আন্দোলনকারীরা শহরের কোর্ট মসজিদ মার্কেট ও শহরের অপর প্রান্তে খোয়াই নদীর তীরে নূরুল হেরা জামে মসজিদের সামনে গণ মিছিলের আয়োজন করে। এ সময় সাইফুর রহমান টাউন হলের সামনে অবস্থান নেয় আ.লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। দুপুর আড়াইটার দিকে নূরুল হেরা জামে মসজিদের সামনে থেকে মিছিল বের হলে আ.লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়।

তারা আরও জানান, এ খবর ছড়িয়ে পড়লে কোর্ট মসজিদের সামনে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীরা গিয়ে তাদের ধাওয়া দেয়। তখন আ.লীগ নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কোটা আন্দোলনকারীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় হবিগঞ্জ পৌরশহরের উমেদনগর গ্রামের আতর আলীর ছেলে সিএনজি চালক আল আমিন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে আজ শনিবার তাকে ঢাকা চক্ষু ইনস্টিটিউটে প্রেরণ করা হয়।

আহত আল আমিনের মামা রহমত আলী জানান, আহত আল আমিনের ঘাড়ে একাধিক গুলির চিহ্ন রয়েছে। চোখে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। আল আমিনের একটি চোখ নষ্ট হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে আল আমিন জুতা কেনার জন্য বাজারে গেলে হঠাৎ সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। এ সময় আল আমিন দৌড়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করলে তার ঘাড়ে গুলি লাগে।

তিনি আরও জানান, এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আল আমিন খুব গরিব অসহায়। তিনি সিএনজি চালিয়ে তার ছোট ৪ সন্তানকে নিয়ে জীপনযাপন করে আসছে। আমরা গরিব অসহায় মানুষ, কার কাছে বিচার চাইবো। ঋণ করে চিকিৎসা করানো হচ্ছে। কেউ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:৫৫:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৪
১৭৩ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জে গুলিতে আহত আল আমিনের চোখ নষ্ট হয়েছে

আপডেট সময় ০৮:৫৫:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৪

হবিগঞ্জে কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় গুলিবিদ্ধ সিএনজি চালক আল আমিনের (৩৫) চোখ নষ্ট হয়েছে। সিলেট থেকে তাকে ঢাকা চক্ষু ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আহত আল আমিনের মামা রহমত আলী।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার বাদ জুমা কোটা আন্দোলনকারীরা শহরের কোর্ট মসজিদ মার্কেট ও শহরের অপর প্রান্তে খোয়াই নদীর তীরে নূরুল হেরা জামে মসজিদের সামনে গণ মিছিলের আয়োজন করে। এ সময় সাইফুর রহমান টাউন হলের সামনে অবস্থান নেয় আ.লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। দুপুর আড়াইটার দিকে নূরুল হেরা জামে মসজিদের সামনে থেকে মিছিল বের হলে আ.লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়।

তারা আরও জানান, এ খবর ছড়িয়ে পড়লে কোর্ট মসজিদের সামনে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীরা গিয়ে তাদের ধাওয়া দেয়। তখন আ.লীগ নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কোটা আন্দোলনকারীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় হবিগঞ্জ পৌরশহরের উমেদনগর গ্রামের আতর আলীর ছেলে সিএনজি চালক আল আমিন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে আজ শনিবার তাকে ঢাকা চক্ষু ইনস্টিটিউটে প্রেরণ করা হয়।

আহত আল আমিনের মামা রহমত আলী জানান, আহত আল আমিনের ঘাড়ে একাধিক গুলির চিহ্ন রয়েছে। চোখে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। আল আমিনের একটি চোখ নষ্ট হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে আল আমিন জুতা কেনার জন্য বাজারে গেলে হঠাৎ সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। এ সময় আল আমিন দৌড়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করলে তার ঘাড়ে গুলি লাগে।

তিনি আরও জানান, এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আল আমিন খুব গরিব অসহায়। তিনি সিএনজি চালিয়ে তার ছোট ৪ সন্তানকে নিয়ে জীপনযাপন করে আসছে। আমরা গরিব অসহায় মানুষ, কার কাছে বিচার চাইবো। ঋণ করে চিকিৎসা করানো হচ্ছে। কেউ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি