ঢাকা ১১:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শায়েস্তাগঞ্জে পিকআপের ধাক্কায় টমটম চালক নিহত Logo বাহুবল ফল প্রকাশের আগেরদিন মৃত্যু, সেই রেজা এসএসসিতে পেয়েছে ৪.১১ Logo হবিগঞ্জে ফল বিক্রেতার মোবাইল চুরির অভিযোগে এসআই ক্লোজড Logo জুলাই যোদ্ধাদের চাকুরির নিয়োগপত্র প্রদান সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী Logo একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে: ‍প্রধানমন্ত্রী Logo জুলাই অভ্যুত্থানের মহানায়ক কোনো ব্যক্তি বা দল নয়, গণতন্ত্রকামী জনগণ : প্রধানমন্ত্রী Logo শায়েস্তাগঞ্জে আগস্টের বিজয় Logo হবিগঞ্জে এনসিপির মামলা: ছাত্রদল নেতা রিংগনসহ ১১ জনের জামিন Logo হবিগঞ্জে এক বছরে পানিতে ডুবে ২৭ শিশুর মৃত্যু Logo লাখাইয়ে হোমিওপ্যাথিক তরল পানে দম্পতিসহ ৫ জনের মৃত্যু

হবিগঞ্জে পানিবন্দি অর্ধলক্ষাধিক মানুষ

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে হবিগঞ্জ জেলায় বাড়ছে বন্যায় আক্রান্তের সংখ্যা। যদিও বৃষ্টিপাত কিছুটা কমেছে, তবে উজানের পানিতে প্লাবিত হচ্ছে একের পর এক গ্রাম। এমতাবস্থায় ডুবছে জেলার নিম্নাঞ্চলগুলো। এরমধ্যে জেলার ৬টি উপজেলার মানুষ বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে।

বন্যায় আক্রান্ত হওয়া উপজেলাগুলো হলো- চুনারুঘাট, মাধবপুর, শায়েস্তাগঞ্জ, হবিগঞ্জ সদর, নবীগঞ্জ ও বাহুবল। এসব উপজেলায় মোট ২৬টি ইউনিয়নের ১৪ হাজার ৩৪০টি পরিবার বন্যার পানিতে আক্রান্ত হয়েছে। আর এতে করে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ৫৭ হাজার ৫৬০ জন মানুষ।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সুমি রানি বল।

তিনি জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের জন্য এখন পর্যন্ত মোট ১২৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রেগুলোর মধ্যে ৩৭৫ জন পুরুষ, ৪৩৮ জন মহিলা, ৮৩ জন শিশু ও ৫ জন প্রতিবন্ধী আশ্রয় নিয়েছেন। এরমধ্যে অনেকে গবাদি পশু সঙ্গে করে নিয়ে এসেছেন।

সুমি রানি বল আরো বলেন, পানিবন্দি মানুষদের মধ্যে বিতরণের জন্য ১২৩৫ মেট্রিক টন চাল, ৫০০ প্যাকেট শুকনো খাবার ও নগদ ২৪ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

এদিকে, জেলায় বৃষ্টিপাত কমায় খোয়াই নদীর পানি কিছুটা কমেছে। তবুও সব কটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পানি। শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত চুনারুঘাট উপজেলায় খোয়াই নদীর বাল্লা পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৯৯ সেন্টিমিটার, শায়েস্তাগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৫৩ সেন্টিমিটার, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার মাছুলিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৬৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল।

এছাড়াও কুশিয়ারা নদীর শেরপুর পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার, বানিয়াচং মার্কুলি পয়েন্টে ৭ সেন্টিমিটার এবং আজমিরীগঞ্জের কালনী নদীতে ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ০১ মিলিমিটার। বিষয়টি নিশ্চিত করেন হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শামীম হাসনাইন মাহমুদ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:৩৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৪
১৭৮ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জে পানিবন্দি অর্ধলক্ষাধিক মানুষ

আপডেট সময় ০৬:৩৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৪

টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে হবিগঞ্জ জেলায় বাড়ছে বন্যায় আক্রান্তের সংখ্যা। যদিও বৃষ্টিপাত কিছুটা কমেছে, তবে উজানের পানিতে প্লাবিত হচ্ছে একের পর এক গ্রাম। এমতাবস্থায় ডুবছে জেলার নিম্নাঞ্চলগুলো। এরমধ্যে জেলার ৬টি উপজেলার মানুষ বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে।

বন্যায় আক্রান্ত হওয়া উপজেলাগুলো হলো- চুনারুঘাট, মাধবপুর, শায়েস্তাগঞ্জ, হবিগঞ্জ সদর, নবীগঞ্জ ও বাহুবল। এসব উপজেলায় মোট ২৬টি ইউনিয়নের ১৪ হাজার ৩৪০টি পরিবার বন্যার পানিতে আক্রান্ত হয়েছে। আর এতে করে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ৫৭ হাজার ৫৬০ জন মানুষ।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সুমি রানি বল।

তিনি জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের জন্য এখন পর্যন্ত মোট ১২৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রেগুলোর মধ্যে ৩৭৫ জন পুরুষ, ৪৩৮ জন মহিলা, ৮৩ জন শিশু ও ৫ জন প্রতিবন্ধী আশ্রয় নিয়েছেন। এরমধ্যে অনেকে গবাদি পশু সঙ্গে করে নিয়ে এসেছেন।

সুমি রানি বল আরো বলেন, পানিবন্দি মানুষদের মধ্যে বিতরণের জন্য ১২৩৫ মেট্রিক টন চাল, ৫০০ প্যাকেট শুকনো খাবার ও নগদ ২৪ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

এদিকে, জেলায় বৃষ্টিপাত কমায় খোয়াই নদীর পানি কিছুটা কমেছে। তবুও সব কটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পানি। শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত চুনারুঘাট উপজেলায় খোয়াই নদীর বাল্লা পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৯৯ সেন্টিমিটার, শায়েস্তাগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৫৩ সেন্টিমিটার, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার মাছুলিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৬৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল।

এছাড়াও কুশিয়ারা নদীর শেরপুর পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার, বানিয়াচং মার্কুলি পয়েন্টে ৭ সেন্টিমিটার এবং আজমিরীগঞ্জের কালনী নদীতে ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ০১ মিলিমিটার। বিষয়টি নিশ্চিত করেন হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শামীম হাসনাইন মাহমুদ।