শায়েস্তাগঞ্জ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাজী করম আলীর সাথে হুইপ জি কে গউছের সৌজন্য সাক্ষাৎ
হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ পৌর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রবীণ রাজনীতিবিদ হাজী মোঃ করম আলীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে তার বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জি কে গউছ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে এই সৌজন্য সাক্ষাতে হুইপ জি কে গউছ হাজী করম আলীর সার্বিক শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জীবন ও দলীয় অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, হাজী করম আলী শায়েস্তাগঞ্জ তথা হবিগঞ্জে বিএনপির সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন এবং তার অবদান দলীয় নেতাকর্মীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। এসময় তিনি তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
সাক্ষাৎকালে উভয়ের মধ্যে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, দলীয় কার্যক্রম এবং তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে কথা হয়। এসময় স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা প্রবীণ এই নেতার সুস্থতা কামনা করেন।
উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, হাজী করম আলী শায়েস্তাগঞ্জ পৌর বিএনপির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নিষ্ঠা, সততা ও ত্যাগের মাধ্যমে দলকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার মতো অভিজ্ঞ ও ত্যাগী নেতার দিকনির্দেশনা ভবিষ্যতেও দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য, হাজী মোঃ করম আলী জাগো দল থেকে রাজনীতি শুরু করেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আহবানে সাড়া দিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে তিনি যুক্ত হন। সেই থেকে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন এবং তিনি একজন সৎ, নির্ভীক ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে সর্বমহলে পরিচিত। নিজের উপার্জিত অর্থ দিয়ে দল পরিচালনা করেন। দলের জন্য তিনি অনেক শ্রম দিয়েছেন। অনেক কিছু ত্যাগ করতে হয়েছে। তারপরও দলের দিকনির্দেশনা থেকে সরে যাননি। নিঃস্বার্থভাবে দলের জন্য কাজ করে গেছেন। সেই থেকে এখন পর্যন্ত দল থেকে সুবিধা গ্রহণ করেননি। প্রয়াত এমপি এমএ মোত্তালিবকে সাথে নিয়ে একাধিকবার বঙ্গভবনে যান হাজী মোঃ করম আলী। সাক্ষাৎ করেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সাথে। ৭৭ বছর বয়সেও তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থেকে নেতাকর্মীদের নানাভাবে সহায়তা করছেন।
















