ঢাকা ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo জুলাই যোদ্ধাদের চাকুরির নিয়োগপত্র প্রদান সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী Logo একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে: ‍প্রধানমন্ত্রী Logo জুলাই অভ্যুত্থানের মহানায়ক কোনো ব্যক্তি বা দল নয়, গণতন্ত্রকামী জনগণ : প্রধানমন্ত্রী Logo শায়েস্তাগঞ্জে আগস্টের বিজয় Logo হবিগঞ্জে এনসিপির মামলা: ছাত্রদল নেতা রিংগনসহ ১১ জনের জামিন Logo হবিগঞ্জে এক বছরে পানিতে ডুবে ২৭ শিশুর মৃত্যু Logo লাখাইয়ে হোমিওপ্যাথিক তরল পানে দম্পতিসহ ৫ জনের মৃত্যু Logo হবিগঞ্জে পাটোয়ারী-সারজিসসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা Logo শায়েস্তাগঞ্জে পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু, শোকের ছায়া গ্রামজুড়ে Logo হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় ১১ জনের নামে এনসিপির মামলা

হবিগঞ্জে ভুল প্রশ্নে দাখিল পরীক্ষা, তিনজনকে অব্যাহতি

নিজস্ব সংবাদ :

হবিগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষার প্রথম দিনে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনায় ১০০ শিক্ষার্থীর খাতা আলাদা করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে কেন্দ্র সচিবসহ তিনজনকে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১১টায় হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাপিয়া আক্তার এ তথ্য জানান। অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- হবিগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব মো. ফারুক মিয়া, হল সুপার মো. খাইরুদ্দীন এবং চেক অফিসার মিজানুর রহমান।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দাখিলের কুরআন মজিদ বিষয়ের প্রথম দিনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সারাদেশে যমুনা-১ সেটে পরীক্ষা নেওয়ার কথা থাকলেও হবিগঞ্জের ওই কেন্দ্রের একটি কক্ষে ১০০ পরীক্ষার্থীকে ভুলবশত মেঘনা-১ সেটের প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হয়। কেন্দ্রে নিবন্ধিত ৬২৪ জনের মধ্যে ৬০৮ জন পরীক্ষায় অংশ নেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা চলে যাওয়ার পর বিষয়টি ধরা পড়ে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পাপিয়া আক্তার কেন্দ্রে গিয়ে সংশ্লিষ্ট খাতাগুলো সংগ্রহ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে যান। কেন্দ্র সচিব তার অধীনস্ত দুই কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনে ত্রুটির কথা উল্লেখ করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনজনকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্র সচিব মো. ফারুক মিয়া বলেন, “হল সুপার ও চেক অফিসারকে সতর্কতার সঙ্গে প্রশ্নপত্র বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবুও ভুল হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা চলছে।”

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পাপিয়া আক্তার জানান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ১০০টি খাতা আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হবে এবং শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হবে না। দায়িত্বে অবহেলার কারণে কেন্দ্র সচিব, হল সুপার ও চেক অফিসারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে তারা দায়িত্ব পালন করবেন না।

অতীতে প্রশ্ন প্রণয়ন ও পরিশোধনের দায়িত্ব পালন করা এক শিক্ষক পরিচয় গোপন রাখার শর্তে জানান, পরীক্ষার আগে প্রশ্নের তিনটি সেট তৈরি করা হয়। একটি সেটে পরীক্ষা নেওয়া হয়, অন্যগুলো বিকল্প হিসেবে থাকে। এক সেটের সঙ্গে অন্য সেটের প্রশ্নের ২০ শতাংশের বেশি মিল থাকে না। পরীক্ষা হলে এমন অসতর্কতা কাম্য নয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:৩৬:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
৬৩ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জে ভুল প্রশ্নে দাখিল পরীক্ষা, তিনজনকে অব্যাহতি

আপডেট সময় ০২:৩৬:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

হবিগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষার প্রথম দিনে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনায় ১০০ শিক্ষার্থীর খাতা আলাদা করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে কেন্দ্র সচিবসহ তিনজনকে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১১টায় হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাপিয়া আক্তার এ তথ্য জানান। অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- হবিগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব মো. ফারুক মিয়া, হল সুপার মো. খাইরুদ্দীন এবং চেক অফিসার মিজানুর রহমান।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দাখিলের কুরআন মজিদ বিষয়ের প্রথম দিনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সারাদেশে যমুনা-১ সেটে পরীক্ষা নেওয়ার কথা থাকলেও হবিগঞ্জের ওই কেন্দ্রের একটি কক্ষে ১০০ পরীক্ষার্থীকে ভুলবশত মেঘনা-১ সেটের প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হয়। কেন্দ্রে নিবন্ধিত ৬২৪ জনের মধ্যে ৬০৮ জন পরীক্ষায় অংশ নেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা চলে যাওয়ার পর বিষয়টি ধরা পড়ে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পাপিয়া আক্তার কেন্দ্রে গিয়ে সংশ্লিষ্ট খাতাগুলো সংগ্রহ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে যান। কেন্দ্র সচিব তার অধীনস্ত দুই কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনে ত্রুটির কথা উল্লেখ করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনজনকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্র সচিব মো. ফারুক মিয়া বলেন, “হল সুপার ও চেক অফিসারকে সতর্কতার সঙ্গে প্রশ্নপত্র বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবুও ভুল হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা চলছে।”

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পাপিয়া আক্তার জানান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ১০০টি খাতা আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হবে এবং শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হবে না। দায়িত্বে অবহেলার কারণে কেন্দ্র সচিব, হল সুপার ও চেক অফিসারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে তারা দায়িত্ব পালন করবেন না।

অতীতে প্রশ্ন প্রণয়ন ও পরিশোধনের দায়িত্ব পালন করা এক শিক্ষক পরিচয় গোপন রাখার শর্তে জানান, পরীক্ষার আগে প্রশ্নের তিনটি সেট তৈরি করা হয়। একটি সেটে পরীক্ষা নেওয়া হয়, অন্যগুলো বিকল্প হিসেবে থাকে। এক সেটের সঙ্গে অন্য সেটের প্রশ্নের ২০ শতাংশের বেশি মিল থাকে না। পরীক্ষা হলে এমন অসতর্কতা কাম্য নয়।