ঢাকা ০৯:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শায়েস্তাগঞ্জে পিকআপ-ট্রাকের সংঘর্ষে চালক নিহত Logo চুনারুঘাট উপজেলার চন্ডিছড়া চা বাগানে ভার্চুয়ালি ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo হবিগঞ্জে দুপক্ষের সংঘর্ষে ২ জন নিহত,আহত ৪০ Logo শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নিজস্ব কোনো ভবন নেই দাপ্তরিক কাজ হচ্ছে ভাড়া বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে। Logo শায়েস্তাগঞ্জে ভয়াবহ যানজট-দেখার যেন কেউ নেই Logo মাধবপুর পাহাড়ি ঢলে পানিবন্দি ৫ শতাধিক পরিবার, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি Logo চুনারুঘাটে খোয়াই নদীতে গোসল করতে গিয়ে বৃদ্ধ নিখোঁজ Logo শায়েস্তাগঞ্জে বার্মিংহাম সিটি কাউন্সিলর আব্দুল আহাদকে প্রেসক্লাবের সংবর্ধনা Logo ‘বাজেট বুঝি না, শুধু দুবেলা খাবার চাই’ Logo ‘চা শ্রমিকের কোনো পরিবর্তন নেই’প্রতিদিন ১৮৭ টাকা মজুরি নিয়ে দুর্দশার জীবন কাটাছে

পুলিশ-আন্দোলনকারী সংঘর্ষে রণক্ষেত্র সিলেটের জিন্দাবাজার-চৌহাট্টা এলাকা

সিলেট প্রতিনিধি

সিলেটে পুলিশ-আন্দোলনকারীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে। শনিবার বিকেল ৫ টার দিকে নগরের চৌহাট্টা এলাকায় এ সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে ব্যপক টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেট ছুঁড়ছে।

তবে সংঘর্ষে হতাহতের কোন তথ্য জানা যায়নি।

জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা বিক্ষোভ মিছিলের জন্য বেলা ১২ টায় নগরের চৌহাট্টা এলাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে জমায়েত। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্রছাত্রীরা।

বিক্ষোভ মিছিল’ করার ঘোষণা দেয়া হলেও মিছিলের পরিবর্তে সড়কেই বসে পড়েন আন্দোলনকারীরা। ফলে জিন্দাবাজার-চৌহাট্টা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আন্দোলনকারীদের পাশেই সাজোয়া যান নিয়ে অবস্থান নেয় পুলিশ। আন্দোলনকারীরা সড়ক অবরোধ করলে পুলিশ তাদের সড়ক থেকে সরে যেতে বলে। এতে আন্দোলনকারীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। তারা ‘ভুয়া, ভুয়া’ শ্লোগান তুলে। পুলিশের দিকে তেড়েও যায় কয়েকজন।

বেলা ৩ তার দিকে শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি। তবে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই কর্মসূচী চালিয়ে যান আন্দোলনকারীরা। বিকেল ৫ টার দিকে জমায়েত থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ঢিল ছোঁড়া হয়। এরপর পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোঁড়া শুরু করে। এতে আন্দোলনকারীরা সড়ক থেকে ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়লেও বিভিন্ন গলির ভেতরে ঢুকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে তারা।

এর আগে দুপুরে আন্দোলনকারীদের জমায়েতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরাও এসে যোগ দেন। সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিফতা সিদ্দিকীও দলবল নিয়ে আন্দোলন কর্মসুচিতে যোগ দেন।

নয়া দফা দাবিতে এই কর্মসুচি দেয়া হলেও শনিবারের কর্মসুচি থেকে মুলত সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিই জানানো হয়। এই দাবিতেই শ্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা। তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডেও লেখা ছিলো এই দাবি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:২৩:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৪
৩৫৪ বার পড়া হয়েছে

পুলিশ-আন্দোলনকারী সংঘর্ষে রণক্ষেত্র সিলেটের জিন্দাবাজার-চৌহাট্টা এলাকা

আপডেট সময় ০৬:২৩:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৪

সিলেটে পুলিশ-আন্দোলনকারীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে। শনিবার বিকেল ৫ টার দিকে নগরের চৌহাট্টা এলাকায় এ সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে ব্যপক টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেট ছুঁড়ছে।

তবে সংঘর্ষে হতাহতের কোন তথ্য জানা যায়নি।

জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা বিক্ষোভ মিছিলের জন্য বেলা ১২ টায় নগরের চৌহাট্টা এলাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে জমায়েত। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্রছাত্রীরা।

বিক্ষোভ মিছিল’ করার ঘোষণা দেয়া হলেও মিছিলের পরিবর্তে সড়কেই বসে পড়েন আন্দোলনকারীরা। ফলে জিন্দাবাজার-চৌহাট্টা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আন্দোলনকারীদের পাশেই সাজোয়া যান নিয়ে অবস্থান নেয় পুলিশ। আন্দোলনকারীরা সড়ক অবরোধ করলে পুলিশ তাদের সড়ক থেকে সরে যেতে বলে। এতে আন্দোলনকারীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। তারা ‘ভুয়া, ভুয়া’ শ্লোগান তুলে। পুলিশের দিকে তেড়েও যায় কয়েকজন।

বেলা ৩ তার দিকে শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি। তবে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই কর্মসূচী চালিয়ে যান আন্দোলনকারীরা। বিকেল ৫ টার দিকে জমায়েত থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ঢিল ছোঁড়া হয়। এরপর পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোঁড়া শুরু করে। এতে আন্দোলনকারীরা সড়ক থেকে ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়লেও বিভিন্ন গলির ভেতরে ঢুকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে তারা।

এর আগে দুপুরে আন্দোলনকারীদের জমায়েতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরাও এসে যোগ দেন। সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিফতা সিদ্দিকীও দলবল নিয়ে আন্দোলন কর্মসুচিতে যোগ দেন।

নয়া দফা দাবিতে এই কর্মসুচি দেয়া হলেও শনিবারের কর্মসুচি থেকে মুলত সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিই জানানো হয়। এই দাবিতেই শ্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা। তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডেও লেখা ছিলো এই দাবি।