ঢাকা ১০:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ‘চা শ্রমিকের কোনো পরিবর্তন নেই’প্রতিদিন ১৮৭ টাকা মজুরি নিয়ে দুর্দশার জীবন কাটাছে Logo মহান মে দিবস আজ শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন Logo খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কায় হাজারো কৃষক Logo এক মুঠো ধানও ঘরে তুলতে পারব না ২ হাজার ৭১০ হেক্টর জমির ধান তলিয়ে গেছে Logo শায়েস্তাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হলেন প্রভাষক কামরুল হাসান রিপন Logo হবিগঞ্জে ৩টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা Logo আজমিরীগঞ্জে শ্রমিক ও মেশিনের অভাবে মাঠেই নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় বোরো ধান Logo স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও অবহেলিত মাধবপুরের শামসুন্নাহার Logo হবিগঞ্জ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন, ভোগান্তি চরমে Logo হবিগঞ্জে ভুল প্রশ্নে দাখিল পরীক্ষা, তিনজনকে অব্যাহতি

আউশকান্দি র.প. উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ তোপের মুখে ৩ মাসের ছুটিতে প্রধান শিক্ষক তদন্ত টিম গঠন

মোঃ সাগর আহমেদ নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

স্কুলের টাকা আত্মসাৎ, সার্টিফিকেট বাণিজ্য, নিয়োগ বানিজ্য, দায়িত্বে অবহেলা, প্রভাব খাটানোসহ একের পর এক মনগড়া সিদ্ধান্ত, বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা, অদূরদর্শিতা, মনগড়া ভাবে দাতা সদস্য নিয়োগ ও নানা অনিয়মের অভিযোগে ছাত্র-জনতার তোপের মুখে আউশকান্দি র.প. উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক লূৎফুর রহমানকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা মোতাবেক একটি তদন্ত টিমও গঠন করেছেন উক্ত স্কুলের গর্ভনিংবডির সভাপতি নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপম দাশ অনুপ।

জানা যায়, ১৯৯৬ সালে প্রধান শিক্ষক লুৎফুর রহমান যোগদানের পর থেকেই স্কুলের টাকা আত্মসাৎ, সার্টিফিকেট বাণিজ্য, নিয়োগ বানিজ্য, দায়িত্বে অবহেলা, প্রভাব খাটানো, নিয়ম বহিভূর্ত ভাবে দাতা সদস্য নিয়োগসহ একের পর এক মনগড়া সিদ্ধান্ত, বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা, অদূরদর্শিতা ও নানা অনিয়মের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই তাকে নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। এসব অভিযোগে এর আগে একবার বহিস্কারও হয়েছিলেন তিনি। তার নানা অনিয়ম দূর্নীতি নিয়ে এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর বুধবার ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ মিছিল করে স্কুলের তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে সব শিক্ষককে জিম্মি করে ফেলে। তারা সব শিক্ষককে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ দাবি করে।

পরে স্কুলের গভনিং বডির সভাপতি নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপম কুমার দাশ অনুপ হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সাথে আলাপ করে নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি র.প. উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক লূৎফুর রহমান কে ৩ মাসের জন্য ছুটিতে পাঠান ও একটি তদন্ত টিম গঠন করেন। তিনি বলেন এই তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগে পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক কর্মস্থলে যোগদান করতে পারবেন না। এই ঘোষনা দেওয়ার পর বিক্ষোভকারী ছাত্র ছ্ত্রাী স্কুল ত্যাগ করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:২১:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
২১২ বার পড়া হয়েছে

আউশকান্দি র.প. উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ তোপের মুখে ৩ মাসের ছুটিতে প্রধান শিক্ষক তদন্ত টিম গঠন

আপডেট সময় ১১:২১:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪

স্কুলের টাকা আত্মসাৎ, সার্টিফিকেট বাণিজ্য, নিয়োগ বানিজ্য, দায়িত্বে অবহেলা, প্রভাব খাটানোসহ একের পর এক মনগড়া সিদ্ধান্ত, বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা, অদূরদর্শিতা, মনগড়া ভাবে দাতা সদস্য নিয়োগ ও নানা অনিয়মের অভিযোগে ছাত্র-জনতার তোপের মুখে আউশকান্দি র.প. উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক লূৎফুর রহমানকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা মোতাবেক একটি তদন্ত টিমও গঠন করেছেন উক্ত স্কুলের গর্ভনিংবডির সভাপতি নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপম দাশ অনুপ।

জানা যায়, ১৯৯৬ সালে প্রধান শিক্ষক লুৎফুর রহমান যোগদানের পর থেকেই স্কুলের টাকা আত্মসাৎ, সার্টিফিকেট বাণিজ্য, নিয়োগ বানিজ্য, দায়িত্বে অবহেলা, প্রভাব খাটানো, নিয়ম বহিভূর্ত ভাবে দাতা সদস্য নিয়োগসহ একের পর এক মনগড়া সিদ্ধান্ত, বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা, অদূরদর্শিতা ও নানা অনিয়মের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই তাকে নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। এসব অভিযোগে এর আগে একবার বহিস্কারও হয়েছিলেন তিনি। তার নানা অনিয়ম দূর্নীতি নিয়ে এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর বুধবার ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ মিছিল করে স্কুলের তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে সব শিক্ষককে জিম্মি করে ফেলে। তারা সব শিক্ষককে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ দাবি করে।

পরে স্কুলের গভনিং বডির সভাপতি নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপম কুমার দাশ অনুপ হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সাথে আলাপ করে নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি র.প. উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক লূৎফুর রহমান কে ৩ মাসের জন্য ছুটিতে পাঠান ও একটি তদন্ত টিম গঠন করেন। তিনি বলেন এই তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগে পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক কর্মস্থলে যোগদান করতে পারবেন না। এই ঘোষনা দেওয়ার পর বিক্ষোভকারী ছাত্র ছ্ত্রাী স্কুল ত্যাগ করেন।