ঢাকা ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বানিয়াচংয়ের খাল নালা, নদী, হুমকির মৃখে বোরো ফসল ও জীববৈচিত্র্য Logo হবিগঞ্জেও বাস-পিকআপ সংঘর্ষ, মা-ছেলেসহ নিহত ৪ Logo শায়েস্তাগঞ্জ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাজী করম আলীর সাথে হুইপ জি কে গউছের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo শায়েস্তাগঞ্জ পৌর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাজী করম আলীর সাথে হুইপ জি কে গউছের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo পরকীয়ার জেরে’ শাশুড়িকে ‘হত্যা’, পুত্রবধূ গ্রেপ্তার হত্যার ‘দায় স্বীকার’ তামান্নার Logo বর্ষা নামতেই সুতাং নদীর ক্ষতচিহ্ন উন্মোচিত মরছে মাছ, ছড়াচ্ছে বিষাক্ত দুর্গন্ধ Logo কে. আলী-শামছুন্নাহার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শায়েস্তাগঞ্জে সুধীজন ও সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল Logo বানিয়াচংয়ে পানি সংকটে বোরো ধান চাষ নিয়ে সংঙ্কায় প্রায় ১০ হাজার কৃষক Logo জ্বালানি তেলের পাচার ঠেকাতে হবিগঞ্জ সীমান্তে সতর্ক বিজিবি Logo ৪ বছর পর শাহজীবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল

হাসিনা-রেহানা পরিবারের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু

শায়েস্তাগঞ্জের বাণী ডেস্ক ,

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং অন্যান্য প্রকল্প থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিকসহ পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দুদকের এক ঊর্ধ্বতন সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এর আগে, গত ১৫ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চায়, রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদকের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজের দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হয়।

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৫০০ কোটি ডলার বা প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা রোসাটমের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার একটি ব্যাংকে এই অর্থ পাচারের ঘটনা ঘটে। শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের নাম এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাশিয়ার সঙ্গে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও অস্ত্র চুক্তি করেন। এতে তার ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিক মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেন। এই মধ্যস্থতার বিনিময়ে পাচার করা অর্থের একটি বড় অংশ তিনি ও শেখ রেহানার মধ্যে ভাগ হয়।

এছাড়া, “প্রচ্ছায়া লিমিটেড” নামে একটি ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগ উঠেছে। ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক “জুমানা ইনভেস্টমেন্ট” নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৫:৩৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪
১৫৮ বার পড়া হয়েছে

হাসিনা-রেহানা পরিবারের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু

আপডেট সময় ০৫:৩৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং অন্যান্য প্রকল্প থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিকসহ পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দুদকের এক ঊর্ধ্বতন সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এর আগে, গত ১৫ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চায়, রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদকের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজের দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হয়।

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৫০০ কোটি ডলার বা প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা রোসাটমের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার একটি ব্যাংকে এই অর্থ পাচারের ঘটনা ঘটে। শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের নাম এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাশিয়ার সঙ্গে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও অস্ত্র চুক্তি করেন। এতে তার ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিক মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেন। এই মধ্যস্থতার বিনিময়ে পাচার করা অর্থের একটি বড় অংশ তিনি ও শেখ রেহানার মধ্যে ভাগ হয়।

এছাড়া, “প্রচ্ছায়া লিমিটেড” নামে একটি ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগ উঠেছে। ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক “জুমানা ইনভেস্টমেন্ট” নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।