ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশকালে যুবক আটক Logo গেজেটে শায়েস্তাগঞ্জ, ভোটার তালিকায় হবিগঞ্জে Logo শায়েস্তাগঞ্জের দুই গুণীশিল্পী পেলেন ‘শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা’ পদক Logo হবিগঞ্জে ‘শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা’ পদক পেলেন ২৯ গুণীশিল্পী Logo হবিগঞ্জে যুবককে কুপিয়ে হত্যা Logo শায়েস্তাগঞ্জে নজরুল জয়ন্তী ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ Logo হবিগঞ্জে ধর্ষণের পর তরুণী হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড Logo তীব্র লোডশেডিংয়ের প্রভাব চা শিল্পে, উৎপাদনে ভাটা Logo হবিগঞ্জে বালুবাহী ট্রাকে মিলল ভারতীয় কসমেটিকস-শাড়িসহ কোটি টাকার পণ্য Logo হবিগঞ্জে হামে ২১ জনের মৃত্যু, বাড়ছে আক্রান্ত হাসপাতালে তীব্র শয্যা সংকট

দূরত্ব ঘুচিয়ে জুলাই সনদে দেশের প্রকৃত ভবিষ্যৎ রচনার প্রত্যাশা ড. ইউনূসের

শায়েস্তাগঞ্জের বাণী ডেস্ক ,

দূরত্ব ঘুচিয়ে জুলাই সনদে দেশের প্রকৃত ভবিষ্যৎ রচনার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সোমবার (২ জুন) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠক শুরু হয়। এতে বিএনপি-জামায়াতসহ ২৮টি দলের নেতারা অংশ নেন।

অংশ নেওয়া দলগুলোকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, ‘আমি সারাদিনে যত মিটিং করি সবচেয়ে বেশি আনন্দ পাই যখন আপনাদের সঙ্গে এরকম বসার সুযোগ পাই, আলাপ করার সুযোগ পাই। কারণ এখানেই সবাই মিলে বাংলাদেশের প্রকৃত ভবিষ্যৎ রচনা করা হচ্ছে। এটা আমাকে শিহরণ জাগায় যে, এরকম একটা কাজে আমি জড়িত হতে পেরেছি, নিজেকে যুক্ত করতে পেরেছি। আপনাদের কথা শোনার জন্য, এটা কীভাবে আপনারা গাইড করবেন, কোথায় নিয়ে যাবেন।’

সংস্কার কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের ওপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সংস্কার করার জন্য। আমরা বুঝতে পারছিলাম না কোথা দিয়ে শুরু করি। প্রথমে আলাপের মধ্যে নানা আলাপ নানা প্রসঙ্গে ঠিক হলো যে, আমরা কিছু কমিশন করব, যেগুলো দ্বারা প্রকৃতপক্ষে ভেতরে গিয়ে জিনিসটা তৈরি করবে। এটা দীর্ঘ প্রক্রিয়া। শেষ পর্যন্ত আমরা কমিশন করলাম। প্রথমে ৬টা কমিশন, পরবর্তী সময়ে আরও ৬টা। তাদের ৯০ দিন সময় দিয়েছিলাম।’

তিনি বলেন, ‘আমরা খুবই আনন্দিত যে, তারা করতে পেরেছে। কিছু কমিশন বেশি সময় নিয়েছে, তাতে কোনো অসুবিধা নাই। কমিশনের রিপোর্ট এলো। এরপরে আমরা যে ঐকমত্য গঠন করতে চাচ্ছি, সেটা কীভাবে হবে? সেটা থেকে একটা আইডিয়া এলো যে, একটা ঐকমত্য কমিশন বলে আলাদা একটা কমিশন করার।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সেটা ফলপ্রসূ হয়েছে, প্রফেসর আলী রিয়াজ যখনই আমার সঙ্গে বৈঠক করেন আমি অত্যন্ত আনন্দিত হই। যেভাবে আপনারা সহযোগিতা করেছেন, আনন্দ সহকারে পার্টিসিপেট করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার মনে হয়েছিল যে, হয়ত সবার আগ্রহ হবে না, পাশ কাটিয়ে যাবে বা ভেতরে ঢুকতে চাইবে না। আমি অত্যন্ত আশ্চর্য হয়েছি এবং অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছি যে, কত গভীরভাবে আপনারা এটাতে গিয়েছেন। শুধু কমিশনের সঙ্গে আলাপ করে না, নিজেদের ভেতরে আলাপ করেছেন এবং আন্তরিকভাবে বুঝে আমাদেরকে বলার চেষ্টা করেছেন, তর্ক করেছেন কমিশনের সঙ্গে। প্রতিবারই যখন প্রফেসর আলী রিয়াজ আমার সঙ্গে কথা বলেন, তিনি খুব উচ্ছ্বসিত হন। এটা আমার হৃদয়ে অনুভূতি তৈরি করে। এরকম আগ্রহ নিয়ে সবাই যদি আমরা বসি, নিশ্চয় একটু ভালো কিছু এর মধ্য থেকে আসবে।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:১০:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫
১৯১ বার পড়া হয়েছে

দূরত্ব ঘুচিয়ে জুলাই সনদে দেশের প্রকৃত ভবিষ্যৎ রচনার প্রত্যাশা ড. ইউনূসের

আপডেট সময় ০৯:১০:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

দূরত্ব ঘুচিয়ে জুলাই সনদে দেশের প্রকৃত ভবিষ্যৎ রচনার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সোমবার (২ জুন) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠক শুরু হয়। এতে বিএনপি-জামায়াতসহ ২৮টি দলের নেতারা অংশ নেন।

অংশ নেওয়া দলগুলোকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, ‘আমি সারাদিনে যত মিটিং করি সবচেয়ে বেশি আনন্দ পাই যখন আপনাদের সঙ্গে এরকম বসার সুযোগ পাই, আলাপ করার সুযোগ পাই। কারণ এখানেই সবাই মিলে বাংলাদেশের প্রকৃত ভবিষ্যৎ রচনা করা হচ্ছে। এটা আমাকে শিহরণ জাগায় যে, এরকম একটা কাজে আমি জড়িত হতে পেরেছি, নিজেকে যুক্ত করতে পেরেছি। আপনাদের কথা শোনার জন্য, এটা কীভাবে আপনারা গাইড করবেন, কোথায় নিয়ে যাবেন।’

সংস্কার কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের ওপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সংস্কার করার জন্য। আমরা বুঝতে পারছিলাম না কোথা দিয়ে শুরু করি। প্রথমে আলাপের মধ্যে নানা আলাপ নানা প্রসঙ্গে ঠিক হলো যে, আমরা কিছু কমিশন করব, যেগুলো দ্বারা প্রকৃতপক্ষে ভেতরে গিয়ে জিনিসটা তৈরি করবে। এটা দীর্ঘ প্রক্রিয়া। শেষ পর্যন্ত আমরা কমিশন করলাম। প্রথমে ৬টা কমিশন, পরবর্তী সময়ে আরও ৬টা। তাদের ৯০ দিন সময় দিয়েছিলাম।’

তিনি বলেন, ‘আমরা খুবই আনন্দিত যে, তারা করতে পেরেছে। কিছু কমিশন বেশি সময় নিয়েছে, তাতে কোনো অসুবিধা নাই। কমিশনের রিপোর্ট এলো। এরপরে আমরা যে ঐকমত্য গঠন করতে চাচ্ছি, সেটা কীভাবে হবে? সেটা থেকে একটা আইডিয়া এলো যে, একটা ঐকমত্য কমিশন বলে আলাদা একটা কমিশন করার।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সেটা ফলপ্রসূ হয়েছে, প্রফেসর আলী রিয়াজ যখনই আমার সঙ্গে বৈঠক করেন আমি অত্যন্ত আনন্দিত হই। যেভাবে আপনারা সহযোগিতা করেছেন, আনন্দ সহকারে পার্টিসিপেট করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার মনে হয়েছিল যে, হয়ত সবার আগ্রহ হবে না, পাশ কাটিয়ে যাবে বা ভেতরে ঢুকতে চাইবে না। আমি অত্যন্ত আশ্চর্য হয়েছি এবং অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছি যে, কত গভীরভাবে আপনারা এটাতে গিয়েছেন। শুধু কমিশনের সঙ্গে আলাপ করে না, নিজেদের ভেতরে আলাপ করেছেন এবং আন্তরিকভাবে বুঝে আমাদেরকে বলার চেষ্টা করেছেন, তর্ক করেছেন কমিশনের সঙ্গে। প্রতিবারই যখন প্রফেসর আলী রিয়াজ আমার সঙ্গে কথা বলেন, তিনি খুব উচ্ছ্বসিত হন। এটা আমার হৃদয়ে অনুভূতি তৈরি করে। এরকম আগ্রহ নিয়ে সবাই যদি আমরা বসি, নিশ্চয় একটু ভালো কিছু এর মধ্য থেকে আসবে।’