ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo লাখাইয়ে হোমিওপ্যাথিক তরল পানে দম্পতিসহ ৫ জনের মৃত্যু Logo হবিগঞ্জে পাটোয়ারী-সারজিসসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা Logo শায়েস্তাগঞ্জে পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু, শোকের ছায়া গ্রামজুড়ে Logo হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় ১১ জনের নামে এনসিপির মামলা Logo পথে পথে বাধা, শ্রীমঙ্গলে পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙলেন এনসিপি নেতারা Logo এনসিপি-ছাত্রদল পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি Logo এনসিপির পদযাত্রায় হামলা, সারজিস ও পাটওয়ারী আহত Logo হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রায় হামলা, সারজিস-পাটওয়ারী আহত Logo চুনারুঘাট সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে ঝুলন্ত সেতুর গাইডওয়ালে ধস Logo হবিগঞ্জে চা শ্রমিককে গরম পানি ঢেলে দগ্ধের অভিযোগ, তিন নারী গ্রেপ্তার

মস্তিষ্ক ভালো রাখতে প্রতিদিনের ছয় কাজ

লাইফস্টাইল ডেস্ক

আপনার মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া সার্বিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মস্তিষ্ক ভালো রাখতে হলে প্রতিদিন বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলা দরকার। কোন কোন নিয়ম মেনে চললে মন, শরীর ও মস্তিষ্ক ভালো থাকবে জেনে নিন।

ঘুম: মস্তিষ্ক ভালো রাখতে হলে ভালো ঘুমের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এজন্য একটি রুটিন তৈরি করতে পারেন। যা আপনার ঘুম উন্নত করতে পারে। ঘুমানোর আগে শান্ত থাকুন, ঘর অন্ধকার রাখুন এবং আরামদায়ক বিছানায় ঘুমান। মনের অস্থিরতা দূর করে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন। যেসব কাজ আপনার মন ভালো করে এবং শান্ত থাকতে সহায়তা দেয় এমন কাজ করুন। যেমন ঘুমানোর আগে কুসুম গরম পানিতে গোসল করা। এই অভ্যাস আপনার ব্রেন ভালো রাখতে সহায়তা দিতে পারে।

শিথিলায়ন চর্চা করুন: আপনার মানসিক ও শারীরিক অস্থিরতার কারণ সনাক্ত করুন এবং সেই অনুযায়ী নিজেকে শিথিল করুন। প্রয়োজনে শিথিলায়ন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারেন। এতে যেকোন সমস্যা মোকাবিলার উপায় খুঁজে পেতে পাবেন। সহজ শিথিলায়নের জন্য ঘুমানোর আগে গান শুনতে পারেন।

নতুন চিন্তা করুন: প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন। নতুন ভাষা বা বাদ্যযন্ত্র চালনা শিখতে পারেন। এক কথায় পরিচিত কিছু করার চেয়ে নতুন কিছু শেখা আপনার মস্তিষ্কের চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়াতে পারে।

স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন: ওমেগা-৩ ও ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন। নিয়মিত ফল ও শাকসবজি খান। স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের অভ্যাস আপনার মস্তিষ্ককে ভালো রাখতে সহায়তা দেবে।

নিয়মিত ব্যায়াম করুন: আলঝেইমার রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে চান? নিয়মিত ব্যায়াম করুন! যারা শারীরিকভাবে সক্রিয় তাদের আলঝেইমারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৪০ শতাংশ কম।

সামাজিকতা বাড়ান: নিয়মিত মা বাবার সঙ্গে কথা বলুন। একটি অনলাইন বা অফলাইন বুক ক্লাবে যোগ দিন।প্রতি সপ্তাহে পরিচিতজনদের সঙ্গে একটি আড্ডা দেওয়ার চেষ্টা করুন। দূরবর্তী বন্ধুর সাথে ভিডিও চ্যাট করতে পারেন।

সূত্র: আন্তারিও ব্রেন ইন্সটিটিউট অবলম্বনে

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:১৫:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫
৩৪৭ বার পড়া হয়েছে

মস্তিষ্ক ভালো রাখতে প্রতিদিনের ছয় কাজ

আপডেট সময় ০৯:১৫:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫

আপনার মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া সার্বিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মস্তিষ্ক ভালো রাখতে হলে প্রতিদিন বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলা দরকার। কোন কোন নিয়ম মেনে চললে মন, শরীর ও মস্তিষ্ক ভালো থাকবে জেনে নিন।

ঘুম: মস্তিষ্ক ভালো রাখতে হলে ভালো ঘুমের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এজন্য একটি রুটিন তৈরি করতে পারেন। যা আপনার ঘুম উন্নত করতে পারে। ঘুমানোর আগে শান্ত থাকুন, ঘর অন্ধকার রাখুন এবং আরামদায়ক বিছানায় ঘুমান। মনের অস্থিরতা দূর করে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন। যেসব কাজ আপনার মন ভালো করে এবং শান্ত থাকতে সহায়তা দেয় এমন কাজ করুন। যেমন ঘুমানোর আগে কুসুম গরম পানিতে গোসল করা। এই অভ্যাস আপনার ব্রেন ভালো রাখতে সহায়তা দিতে পারে।

শিথিলায়ন চর্চা করুন: আপনার মানসিক ও শারীরিক অস্থিরতার কারণ সনাক্ত করুন এবং সেই অনুযায়ী নিজেকে শিথিল করুন। প্রয়োজনে শিথিলায়ন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারেন। এতে যেকোন সমস্যা মোকাবিলার উপায় খুঁজে পেতে পাবেন। সহজ শিথিলায়নের জন্য ঘুমানোর আগে গান শুনতে পারেন।

নতুন চিন্তা করুন: প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন। নতুন ভাষা বা বাদ্যযন্ত্র চালনা শিখতে পারেন। এক কথায় পরিচিত কিছু করার চেয়ে নতুন কিছু শেখা আপনার মস্তিষ্কের চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়াতে পারে।

স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন: ওমেগা-৩ ও ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন। নিয়মিত ফল ও শাকসবজি খান। স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের অভ্যাস আপনার মস্তিষ্ককে ভালো রাখতে সহায়তা দেবে।

নিয়মিত ব্যায়াম করুন: আলঝেইমার রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে চান? নিয়মিত ব্যায়াম করুন! যারা শারীরিকভাবে সক্রিয় তাদের আলঝেইমারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৪০ শতাংশ কম।

সামাজিকতা বাড়ান: নিয়মিত মা বাবার সঙ্গে কথা বলুন। একটি অনলাইন বা অফলাইন বুক ক্লাবে যোগ দিন।প্রতি সপ্তাহে পরিচিতজনদের সঙ্গে একটি আড্ডা দেওয়ার চেষ্টা করুন। দূরবর্তী বন্ধুর সাথে ভিডিও চ্যাট করতে পারেন।

সূত্র: আন্তারিও ব্রেন ইন্সটিটিউট অবলম্বনে