ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo হবিগঞ্জে ধর্ষণের পর তরুণী হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড Logo তীব্র লোডশেডিংয়ের প্রভাব চা শিল্পে, উৎপাদনে ভাটা Logo হবিগঞ্জে বালুবাহী ট্রাকে মিলল ভারতীয় কসমেটিকস-শাড়িসহ কোটি টাকার পণ্য Logo হবিগঞ্জে হামে ২১ জনের মৃত্যু, বাড়ছে আক্রান্ত হাসপাতালে তীব্র শয্যা সংকট Logo চুনারুঘাটে মদ খেয়ে মাকে মারধর, ছেলের ৬ মাসের জেল Logo চুনারুঘাটে সড়কে প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর Logo চুনারুঘাট রেমা-কালেঙ্গার গহিন বনে বিশালাকৃতির কাঠবিড়ালি Logo শায়েস্তাগঞ্জ জংশনে নেই নলকূপ, তৃষ্ণার্ত যাত্রীদের হাহাকার Logo শায়েস্তাগঞ্জে মাদক সেবনের অভিযোগে দুই বৃদ্ধের কারাদন্ড Logo শায়েস্তাগঞ্জে টমটম মালিক-শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে আলোচনা সভা

হাসিনার আয়নাঘরে আটক ছিলো শিশুরাও

শায়েস্তাগঞ্জের বাণী ডেস্ক ,

আয়নাঘরে আটক শত শত লোকের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশুও ছিল। পলাতক শেখ হাসিনার আমলে জোরপূর্বক গুমের ঘটনা তদন্তকারী একটি কমিশন এমন তথ্য প্রকাশ করেছে।

মঙ্গলবার তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কমপক্ষে অর্ধ ডজন শিশু তাদের মায়েদের সাথে এমন গোপন অন্ধকার জেলে মাসের পর মাস কাটিয়েছে। গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন বলেছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় শিশুদের দীর্ঘসময় দুধ খাওয়ানো থেকেও বিরত রাখা হতো।

কমিশন জানিয়েছে, তাদের কাছে একাধিক যাচাইকৃত ঘটনা রয়েছে যেখানে নারীদের সাথে তাদের বাচ্চাদেরও আটক করে রাখা হয়েছে।

এমনকি একজন গর্ভবতী মহিলা ও তার দুই ছোট বাচ্চাকে একটি আটক কেন্দ্রে মারধর করা হয়েছিল বলে কমিশন জানতে পেরেছে।

কমিশন আরো জানিয়েছে, একজন প্রত্যক্ষদর্শী তদন্তকারীদের সেই আটক স্থানের কক্ষটি দেখিয়েছেন যেখানে তাকে শৈশবে তার মায়ের সাথে রাখা হয়েছিল।

আরেকটি ঘটনায়, এক দম্পতি এবং তাদের শিশুকে আটক করা হয়েছিল। বাবাকে চাপ দেওয়ার জন্য “মানসিক নির্যাতনের একটি প্রক্রিয়া হিসাবে” শিশুটিকে আটক করা হয়েছিল বলে জানায় কমিশন।

কমিশন জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনী কর্তৃক অপহৃত প্রায় ২০০ বাংলাদেশি এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

কমিটির সদস্য সাজ্জাদ হোসেন বলেন, যদিও কিছু ভুক্তভোগী তাদের নির্যাতনকারী অফিসারদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে পারেননি তবে তাদের সাক্ষ্য ব্যবহার করে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হবে। তিনি আরো বলেন, এ ধরনের ক্ষেত্রে, আমরা কমান্ডারকে জবাবদিহি করার সুপারিশ করব।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:২০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫
২৪৩ বার পড়া হয়েছে

হাসিনার আয়নাঘরে আটক ছিলো শিশুরাও

আপডেট সময় ০৭:২০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫

আয়নাঘরে আটক শত শত লোকের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশুও ছিল। পলাতক শেখ হাসিনার আমলে জোরপূর্বক গুমের ঘটনা তদন্তকারী একটি কমিশন এমন তথ্য প্রকাশ করেছে।

মঙ্গলবার তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কমপক্ষে অর্ধ ডজন শিশু তাদের মায়েদের সাথে এমন গোপন অন্ধকার জেলে মাসের পর মাস কাটিয়েছে। গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন বলেছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় শিশুদের দীর্ঘসময় দুধ খাওয়ানো থেকেও বিরত রাখা হতো।

কমিশন জানিয়েছে, তাদের কাছে একাধিক যাচাইকৃত ঘটনা রয়েছে যেখানে নারীদের সাথে তাদের বাচ্চাদেরও আটক করে রাখা হয়েছে।

এমনকি একজন গর্ভবতী মহিলা ও তার দুই ছোট বাচ্চাকে একটি আটক কেন্দ্রে মারধর করা হয়েছিল বলে কমিশন জানতে পেরেছে।

কমিশন আরো জানিয়েছে, একজন প্রত্যক্ষদর্শী তদন্তকারীদের সেই আটক স্থানের কক্ষটি দেখিয়েছেন যেখানে তাকে শৈশবে তার মায়ের সাথে রাখা হয়েছিল।

আরেকটি ঘটনায়, এক দম্পতি এবং তাদের শিশুকে আটক করা হয়েছিল। বাবাকে চাপ দেওয়ার জন্য “মানসিক নির্যাতনের একটি প্রক্রিয়া হিসাবে” শিশুটিকে আটক করা হয়েছিল বলে জানায় কমিশন।

কমিশন জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনী কর্তৃক অপহৃত প্রায় ২০০ বাংলাদেশি এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

কমিটির সদস্য সাজ্জাদ হোসেন বলেন, যদিও কিছু ভুক্তভোগী তাদের নির্যাতনকারী অফিসারদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে পারেননি তবে তাদের সাক্ষ্য ব্যবহার করে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হবে। তিনি আরো বলেন, এ ধরনের ক্ষেত্রে, আমরা কমান্ডারকে জবাবদিহি করার সুপারিশ করব।