ঢাকা ০৯:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo লাখাইয়ে হোমিওপ্যাথিক তরল পানে দম্পতিসহ ৫ জনের মৃত্যু Logo হবিগঞ্জে পাটোয়ারী-সারজিসসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা Logo শায়েস্তাগঞ্জে পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু, শোকের ছায়া গ্রামজুড়ে Logo হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় ১১ জনের নামে এনসিপির মামলা Logo পথে পথে বাধা, শ্রীমঙ্গলে পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙলেন এনসিপি নেতারা Logo এনসিপি-ছাত্রদল পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি Logo এনসিপির পদযাত্রায় হামলা, সারজিস ও পাটওয়ারী আহত Logo হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রায় হামলা, সারজিস-পাটওয়ারী আহত Logo চুনারুঘাট সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে ঝুলন্ত সেতুর গাইডওয়ালে ধস Logo হবিগঞ্জে চা শ্রমিককে গরম পানি ঢেলে দগ্ধের অভিযোগ, তিন নারী গ্রেপ্তার

হাসিনার আয়নাঘরে আটক ছিলো শিশুরাও

শায়েস্তাগঞ্জের বাণী ডেস্ক ,

আয়নাঘরে আটক শত শত লোকের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশুও ছিল। পলাতক শেখ হাসিনার আমলে জোরপূর্বক গুমের ঘটনা তদন্তকারী একটি কমিশন এমন তথ্য প্রকাশ করেছে।

মঙ্গলবার তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কমপক্ষে অর্ধ ডজন শিশু তাদের মায়েদের সাথে এমন গোপন অন্ধকার জেলে মাসের পর মাস কাটিয়েছে। গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন বলেছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় শিশুদের দীর্ঘসময় দুধ খাওয়ানো থেকেও বিরত রাখা হতো।

কমিশন জানিয়েছে, তাদের কাছে একাধিক যাচাইকৃত ঘটনা রয়েছে যেখানে নারীদের সাথে তাদের বাচ্চাদেরও আটক করে রাখা হয়েছে।

এমনকি একজন গর্ভবতী মহিলা ও তার দুই ছোট বাচ্চাকে একটি আটক কেন্দ্রে মারধর করা হয়েছিল বলে কমিশন জানতে পেরেছে।

কমিশন আরো জানিয়েছে, একজন প্রত্যক্ষদর্শী তদন্তকারীদের সেই আটক স্থানের কক্ষটি দেখিয়েছেন যেখানে তাকে শৈশবে তার মায়ের সাথে রাখা হয়েছিল।

আরেকটি ঘটনায়, এক দম্পতি এবং তাদের শিশুকে আটক করা হয়েছিল। বাবাকে চাপ দেওয়ার জন্য “মানসিক নির্যাতনের একটি প্রক্রিয়া হিসাবে” শিশুটিকে আটক করা হয়েছিল বলে জানায় কমিশন।

কমিশন জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনী কর্তৃক অপহৃত প্রায় ২০০ বাংলাদেশি এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

কমিটির সদস্য সাজ্জাদ হোসেন বলেন, যদিও কিছু ভুক্তভোগী তাদের নির্যাতনকারী অফিসারদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে পারেননি তবে তাদের সাক্ষ্য ব্যবহার করে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হবে। তিনি আরো বলেন, এ ধরনের ক্ষেত্রে, আমরা কমান্ডারকে জবাবদিহি করার সুপারিশ করব।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:২০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫
২২৪ বার পড়া হয়েছে

হাসিনার আয়নাঘরে আটক ছিলো শিশুরাও

আপডেট সময় ০৭:২০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫

আয়নাঘরে আটক শত শত লোকের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশুও ছিল। পলাতক শেখ হাসিনার আমলে জোরপূর্বক গুমের ঘটনা তদন্তকারী একটি কমিশন এমন তথ্য প্রকাশ করেছে।

মঙ্গলবার তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কমপক্ষে অর্ধ ডজন শিশু তাদের মায়েদের সাথে এমন গোপন অন্ধকার জেলে মাসের পর মাস কাটিয়েছে। গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন বলেছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় শিশুদের দীর্ঘসময় দুধ খাওয়ানো থেকেও বিরত রাখা হতো।

কমিশন জানিয়েছে, তাদের কাছে একাধিক যাচাইকৃত ঘটনা রয়েছে যেখানে নারীদের সাথে তাদের বাচ্চাদেরও আটক করে রাখা হয়েছে।

এমনকি একজন গর্ভবতী মহিলা ও তার দুই ছোট বাচ্চাকে একটি আটক কেন্দ্রে মারধর করা হয়েছিল বলে কমিশন জানতে পেরেছে।

কমিশন আরো জানিয়েছে, একজন প্রত্যক্ষদর্শী তদন্তকারীদের সেই আটক স্থানের কক্ষটি দেখিয়েছেন যেখানে তাকে শৈশবে তার মায়ের সাথে রাখা হয়েছিল।

আরেকটি ঘটনায়, এক দম্পতি এবং তাদের শিশুকে আটক করা হয়েছিল। বাবাকে চাপ দেওয়ার জন্য “মানসিক নির্যাতনের একটি প্রক্রিয়া হিসাবে” শিশুটিকে আটক করা হয়েছিল বলে জানায় কমিশন।

কমিশন জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনী কর্তৃক অপহৃত প্রায় ২০০ বাংলাদেশি এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

কমিটির সদস্য সাজ্জাদ হোসেন বলেন, যদিও কিছু ভুক্তভোগী তাদের নির্যাতনকারী অফিসারদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে পারেননি তবে তাদের সাক্ষ্য ব্যবহার করে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হবে। তিনি আরো বলেন, এ ধরনের ক্ষেত্রে, আমরা কমান্ডারকে জবাবদিহি করার সুপারিশ করব।