ঢাকা ১০:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo পরকীয়ার জেরে’ শাশুড়িকে ‘হত্যা’, পুত্রবধূ গ্রেপ্তার হত্যার ‘দায় স্বীকার’ তামান্নার Logo বর্ষা নামতেই সুতাং নদীর ক্ষতচিহ্ন উন্মোচিত মরছে মাছ, ছড়াচ্ছে বিষাক্ত দুর্গন্ধ Logo কে. আলী-শামছুন্নাহার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শায়েস্তাগঞ্জে সুধীজন ও সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল Logo বানিয়াচংয়ে পানি সংকটে বোরো ধান চাষ নিয়ে সংঙ্কায় প্রায় ১০ হাজার কৃষক Logo জ্বালানি তেলের পাচার ঠেকাতে হবিগঞ্জ সীমান্তে সতর্ক বিজিবি Logo ৪ বছর পর শাহজীবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল Logo বাহুবলে সংরক্ষিত বনে গাছ কাটতে বাধা, ফরেস্ট গার্ডকে কুপিয়ে জখম Logo মাধবপুরে রঘুনন্দন ছড়া থেকে বালু লোপাট Logo বাহুবলে খরস্রোতা করাঙ্গী নদী এখন মরা খাল, দিশাহারা কৃষক Logo কর্মকর্তাদের শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত থাকার তাগিদ এমপি গউছের

মৌলভীবাজারে মাদ্রাসা কমিটি গঠনে জালিয়াতি, শিক্ষক গ্রেপ্তার

অলি আহমদ মাহিন, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বাদে ভূকশিমইল মোহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসার নির্বাহী কমিটির সদস্য মনোনয়ন সংক্রান্ত একটি সরকারি পত্র জালিয়াতির অভিযোগে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন জেলা প্রশাসক মো: ইসরাইল হোসেন।

গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মাওলানা মো. মাছুম আহমদ রাউৎগাঁও ইউনিয়নের চৌধুরীবাজার জিএস কুতুব শাহ দাখিল মাদ্রাসায় কর্মরত। বাদে ভূকশিমইল মোহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সাবেক সুপার। বাদে ভূকশিমইল গ্রামের শফিকুর রহমানের ছেলে। শুক্রবার (২৩ মে) দুপুরে তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি এই প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শাহ জহুরুল হোসেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ২০ নভেম্বর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে জারি হওয়া একটি সরকারি পত্রের তারিখ এডিট করে ১০ নভেম্বর ২০২৪ দেখিয়ে সেটি মাদ্রাসা বোর্ডে পাঠানো হয়। ওই পত্রে পূর্বে মনোনীত দুই সদস্যের নাম অপরিবর্তিত রেখে নির্বাহী কমিটি গঠনের চেষ্টা চালানো হয়। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্তে পত্র জালিয়াতির প্রমাণ মিললে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে মাছুমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত শিক্ষক মাওলানা মো: মাছুম আহমদ একই সাথে চৌধুরীবাজার জিএস কুতুব শাহ দাখিল মাদ্রাসা ও বাদে ভূকশিমইল মোহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে বেতন নিচ্ছেন। চৌধুরীবাজার জিএস কুতুব শাহ দাখিল মাদ্রাসা’র ইনডেক্স নম্বর এম০০৫২৫২৯। বাদে ভুকশিমইল মাদ্রাসার ইনডেক্স নম্বর ২৩০১৮৪৪। একজন মাদ্রাসা শিক্ষকের এমন জালিয়াতিতে হতবাক শিক্ষক সমাজ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শাহ জহুরুল হোসেন বলেন, তদন্তে জালিয়াতির সত্যতা পাওয়ায় জেলা প্রশাসক মো. ইসরাইল হোসেনের নির্দেশে শিক্ষক মাছুম আহমদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুলাউড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুদীপ্ত শেখর ভট্টাচার্য্য বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিকে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:০১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫
১২৬ বার পড়া হয়েছে

মৌলভীবাজারে মাদ্রাসা কমিটি গঠনে জালিয়াতি, শিক্ষক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৮:০১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বাদে ভূকশিমইল মোহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসার নির্বাহী কমিটির সদস্য মনোনয়ন সংক্রান্ত একটি সরকারি পত্র জালিয়াতির অভিযোগে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন জেলা প্রশাসক মো: ইসরাইল হোসেন।

গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মাওলানা মো. মাছুম আহমদ রাউৎগাঁও ইউনিয়নের চৌধুরীবাজার জিএস কুতুব শাহ দাখিল মাদ্রাসায় কর্মরত। বাদে ভূকশিমইল মোহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সাবেক সুপার। বাদে ভূকশিমইল গ্রামের শফিকুর রহমানের ছেলে। শুক্রবার (২৩ মে) দুপুরে তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি এই প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শাহ জহুরুল হোসেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ২০ নভেম্বর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে জারি হওয়া একটি সরকারি পত্রের তারিখ এডিট করে ১০ নভেম্বর ২০২৪ দেখিয়ে সেটি মাদ্রাসা বোর্ডে পাঠানো হয়। ওই পত্রে পূর্বে মনোনীত দুই সদস্যের নাম অপরিবর্তিত রেখে নির্বাহী কমিটি গঠনের চেষ্টা চালানো হয়। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্তে পত্র জালিয়াতির প্রমাণ মিললে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে মাছুমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত শিক্ষক মাওলানা মো: মাছুম আহমদ একই সাথে চৌধুরীবাজার জিএস কুতুব শাহ দাখিল মাদ্রাসা ও বাদে ভূকশিমইল মোহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে বেতন নিচ্ছেন। চৌধুরীবাজার জিএস কুতুব শাহ দাখিল মাদ্রাসা’র ইনডেক্স নম্বর এম০০৫২৫২৯। বাদে ভুকশিমইল মাদ্রাসার ইনডেক্স নম্বর ২৩০১৮৪৪। একজন মাদ্রাসা শিক্ষকের এমন জালিয়াতিতে হতবাক শিক্ষক সমাজ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শাহ জহুরুল হোসেন বলেন, তদন্তে জালিয়াতির সত্যতা পাওয়ায় জেলা প্রশাসক মো. ইসরাইল হোসেনের নির্দেশে শিক্ষক মাছুম আহমদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুলাউড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুদীপ্ত শেখর ভট্টাচার্য্য বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিকে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।