ঢাকা ১১:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শায়েস্তাগঞ্জে পিকআপের ধাক্কায় টমটম চালক নিহত Logo বাহুবল ফল প্রকাশের আগেরদিন মৃত্যু, সেই রেজা এসএসসিতে পেয়েছে ৪.১১ Logo হবিগঞ্জে ফল বিক্রেতার মোবাইল চুরির অভিযোগে এসআই ক্লোজড Logo জুলাই যোদ্ধাদের চাকুরির নিয়োগপত্র প্রদান সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী Logo একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে: ‍প্রধানমন্ত্রী Logo জুলাই অভ্যুত্থানের মহানায়ক কোনো ব্যক্তি বা দল নয়, গণতন্ত্রকামী জনগণ : প্রধানমন্ত্রী Logo শায়েস্তাগঞ্জে আগস্টের বিজয় Logo হবিগঞ্জে এনসিপির মামলা: ছাত্রদল নেতা রিংগনসহ ১১ জনের জামিন Logo হবিগঞ্জে এক বছরে পানিতে ডুবে ২৭ শিশুর মৃত্যু Logo লাখাইয়ে হোমিওপ্যাথিক তরল পানে দম্পতিসহ ৫ জনের মৃত্যু

বান্দরবানে বেনজীরের ২০ কোটি টাকার সম্পত্তি ডিসির তত্ত্বাবধানে

বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানের সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের মাঝেরপাড়া এলাকায় সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের প্রায় ২০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাগানবাড়ি গরু ও মৎস্য খামার তত্ত্বাবধানে নিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিনের নেতৃত্বে প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি টিম বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের ঘটনাস্থলে গিয়ে সম্পত্তি তত্ত্বাবধানে নেওয়ার পর সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিয়ে আসেন। সেই সঙ্গে বাগানবাড়িতেও তালা লাগিয়ে দেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, আদালতের নির্দেশনার পর বেনজীর আহমেদের সম্পত্তিগুলো তত্ত্বাবধানে নেওয়া হয়েছে। এসব সম্পত্তি থেকে যা আয় হবে তা সরকারের কোষাগারে জমা হবে। আজ থেকে এ জমির রিসিভার নিয়োগ করা হয়েছে আর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এসএম মঞ্জুরুল হককে আহবায়ক করে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি এখন থেকে এ বিষয়ে সার্বিক তদারকি করার পাশাপাশি সব আয় ব্যয়ের হিসেবে দুদকের মাধ্যমে আদালতে উপস্থাপন করবে।

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এসএম মঞ্জুরুল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবীবা মীরা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বান্দরবানের উপ-পরিচালক এমএম শাহনেয়াজ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা অভিজিৎ শীল, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আবদুর রহমানসহ জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনেরা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের সম্পত্তি দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক খুঁজে বের করার পর বান্দরবানেও বিশাল সম্পত্তির খোঁজ মেলে। বান্দরবানের সুয়ালকে ৫০ একর ও লামায় প্রায় ১০০ একর সম্পত্তি রয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর দুর্নীতি দমন কমিশন সুয়ালকে ২৫ একর সম্পত্তির নথি খুঁজে পায়। এসব সম্পত্তি তত্ত্বাবধানে নিয়েছে বান্দরবানের জেলা প্রশাসন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:০৯:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪
১৮৫ বার পড়া হয়েছে

বান্দরবানে বেনজীরের ২০ কোটি টাকার সম্পত্তি ডিসির তত্ত্বাবধানে

আপডেট সময় ০৮:০৯:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪

বান্দরবানের সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের মাঝেরপাড়া এলাকায় সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের প্রায় ২০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাগানবাড়ি গরু ও মৎস্য খামার তত্ত্বাবধানে নিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিনের নেতৃত্বে প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি টিম বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের ঘটনাস্থলে গিয়ে সম্পত্তি তত্ত্বাবধানে নেওয়ার পর সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিয়ে আসেন। সেই সঙ্গে বাগানবাড়িতেও তালা লাগিয়ে দেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, আদালতের নির্দেশনার পর বেনজীর আহমেদের সম্পত্তিগুলো তত্ত্বাবধানে নেওয়া হয়েছে। এসব সম্পত্তি থেকে যা আয় হবে তা সরকারের কোষাগারে জমা হবে। আজ থেকে এ জমির রিসিভার নিয়োগ করা হয়েছে আর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এসএম মঞ্জুরুল হককে আহবায়ক করে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি এখন থেকে এ বিষয়ে সার্বিক তদারকি করার পাশাপাশি সব আয় ব্যয়ের হিসেবে দুদকের মাধ্যমে আদালতে উপস্থাপন করবে।

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এসএম মঞ্জুরুল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবীবা মীরা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বান্দরবানের উপ-পরিচালক এমএম শাহনেয়াজ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা অভিজিৎ শীল, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আবদুর রহমানসহ জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনেরা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের সম্পত্তি দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক খুঁজে বের করার পর বান্দরবানেও বিশাল সম্পত্তির খোঁজ মেলে। বান্দরবানের সুয়ালকে ৫০ একর ও লামায় প্রায় ১০০ একর সম্পত্তি রয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর দুর্নীতি দমন কমিশন সুয়ালকে ২৫ একর সম্পত্তির নথি খুঁজে পায়। এসব সম্পত্তি তত্ত্বাবধানে নিয়েছে বান্দরবানের জেলা প্রশাসন।