ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo নাব্য সংকটে সুতাং নদী এখন মরা খাল শিল্পবর্জ্যের দূষণে বিষাক্ত পানি Logo সৌদি আরবে প্রাইভেট কারের চাপায় শায়েস্তাগঞ্জের যুবক নিহত, পরিবারে মাতম Logo ‘অভাব তো বয়স বোঝে না, পেট তো খাবার চায়’ Logo আজমিরীগঞ্জে ২১ ঘণ্টা পর নদীতে ভাসল নিখোঁজ গৃহবধূর মরদেহ Logo শায়েস্তাগঞ্জে জয়ন্তিকা ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন, যাত্রীদের দুর্ভোগ Logo ‘পেনশন নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন না’— পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে হবিগঞ্জের মাধবপুরে ছাত্রলীগ নেতার হুঁশিয়ারি Logo হবিগঞ্জে সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি Logo হবিগঞ্জ কারাগারে আসামির মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ পরিবারের Logo হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগে শায়েস্তাগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে বৃক্ষরোপণ প্রধানমন্ত্রীর ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ভিশন বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধপরিকর: আহমেদ আলী মুকিব Logo বাহুবলে পানিতে ডুবে হবিগঞ্জের জনপ্রিয় ক্ষুদে কনটেন্ট ক্রিয়েটর দ্বীপের মৃত্যু

নবীগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদ সীমার উপর প্রবাহিত হচ্ছে তলিয়ে গেছে বাড়িঘর

মোঃ সাগর আহমেদ নবীগঞ্জ( হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

নবীগঞ্জে গত দুই দিনে প্রবল বৃষ্টিপাত আর ভারতীয় ঢলে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে নদীর তীরবর্তী বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ বন্যায় আশংকায় আতংকের মধ্যে দিন যাপন করছেন।

স্থানীয়রা জানান—গত দুইদিন ধরে অব্যহত বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে কুশিয়ারা নদীর পানি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ফলে নদীর তীরবর্তী মথুড়াপুর, আহমদপুর, জামারগাঁও পয়েন্ট, গালিমপুর,মাধবপুর-গালিমপুর এবং ইনাতগঞ্জ ও আউশকান্দি ইউনিয়নের শতকারা ৮০ ভাগ মানুষের বাড়িঘরে পানি ঢুকার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকিতে রয়েছে কুশিয়ারা ডাইক।
জানাযায়,চলতি বছরের জুন মাসে নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ, দীঘলবাক ও আউশকান্দি ইউনিয়নে প্রবল বন্যা দেখা দিলে মানুষের বাড়িঘরে পানি প্রবেশের পাশাপাশি গ্রামীন রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে যায়। ফলে তিন ইউনিয়নের শতাধীক গ্রামের মানুষের স্থান হয় বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসায় আশ্রয় কেন্দ্রে।

দুই মাসের মাথায় আবারও বন্যায় আশংকায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন সাধারণ মানুষ। এদিকে ইনাতগঞ্জের পাশ্ববর্তী জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল আর বৃষ্টির পানিতে বন্যা দেখা দিয়েছে। ইউনিয়নের প্রায় ১০ টি গ্রামের বাড়ি ঘরে পানি প্রবেশ করেছে। গ্রামগুলো হচ্ছে আলিপুরখাঁনপুর,জালালপুর,গোঁতগাও,আমিনপুর ইত্যাদি।স্থানীয় সাংবাদিক শাহ এসএম ফরিদ জানান,পাইলগাঁও ইউনিয়নের ১০/১২ট গ্রামের
বাড়ি ঘরে পানি প্রবেশ করার পাশাপাশি চলাচলের রাস্তাগুলো পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় জনসাধারণকে পোহাতে হচ্ছে নানা দুর্ভোগ। পাশাপাশি তলিয়ে গেছে ফসলি জমিও। তিনি বলেন দুই মাসের ব্যবধানে আবারও বন্যায় মানুষের ভোগান্তির শেষ নাই। তিনি এসব বানবাসী মানুষের সাহায্যে সরকার ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানান।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৫:৫৫:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৪
২১৭ বার পড়া হয়েছে

নবীগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদ সীমার উপর প্রবাহিত হচ্ছে তলিয়ে গেছে বাড়িঘর

আপডেট সময় ০৫:৫৫:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৪

নবীগঞ্জে গত দুই দিনে প্রবল বৃষ্টিপাত আর ভারতীয় ঢলে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে নদীর তীরবর্তী বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ বন্যায় আশংকায় আতংকের মধ্যে দিন যাপন করছেন।

স্থানীয়রা জানান—গত দুইদিন ধরে অব্যহত বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে কুশিয়ারা নদীর পানি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ফলে নদীর তীরবর্তী মথুড়াপুর, আহমদপুর, জামারগাঁও পয়েন্ট, গালিমপুর,মাধবপুর-গালিমপুর এবং ইনাতগঞ্জ ও আউশকান্দি ইউনিয়নের শতকারা ৮০ ভাগ মানুষের বাড়িঘরে পানি ঢুকার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকিতে রয়েছে কুশিয়ারা ডাইক।
জানাযায়,চলতি বছরের জুন মাসে নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ, দীঘলবাক ও আউশকান্দি ইউনিয়নে প্রবল বন্যা দেখা দিলে মানুষের বাড়িঘরে পানি প্রবেশের পাশাপাশি গ্রামীন রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে যায়। ফলে তিন ইউনিয়নের শতাধীক গ্রামের মানুষের স্থান হয় বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসায় আশ্রয় কেন্দ্রে।

দুই মাসের মাথায় আবারও বন্যায় আশংকায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন সাধারণ মানুষ। এদিকে ইনাতগঞ্জের পাশ্ববর্তী জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল আর বৃষ্টির পানিতে বন্যা দেখা দিয়েছে। ইউনিয়নের প্রায় ১০ টি গ্রামের বাড়ি ঘরে পানি প্রবেশ করেছে। গ্রামগুলো হচ্ছে আলিপুরখাঁনপুর,জালালপুর,গোঁতগাও,আমিনপুর ইত্যাদি।স্থানীয় সাংবাদিক শাহ এসএম ফরিদ জানান,পাইলগাঁও ইউনিয়নের ১০/১২ট গ্রামের
বাড়ি ঘরে পানি প্রবেশ করার পাশাপাশি চলাচলের রাস্তাগুলো পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় জনসাধারণকে পোহাতে হচ্ছে নানা দুর্ভোগ। পাশাপাশি তলিয়ে গেছে ফসলি জমিও। তিনি বলেন দুই মাসের ব্যবধানে আবারও বন্যায় মানুষের ভোগান্তির শেষ নাই। তিনি এসব বানবাসী মানুষের সাহায্যে সরকার ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানান।