ঢাকা ০১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo জুলাই যোদ্ধাদের চাকুরির নিয়োগপত্র প্রদান সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী Logo একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে: ‍প্রধানমন্ত্রী Logo জুলাই অভ্যুত্থানের মহানায়ক কোনো ব্যক্তি বা দল নয়, গণতন্ত্রকামী জনগণ : প্রধানমন্ত্রী Logo শায়েস্তাগঞ্জে আগস্টের বিজয় Logo হবিগঞ্জে এনসিপির মামলা: ছাত্রদল নেতা রিংগনসহ ১১ জনের জামিন Logo হবিগঞ্জে এক বছরে পানিতে ডুবে ২৭ শিশুর মৃত্যু Logo লাখাইয়ে হোমিওপ্যাথিক তরল পানে দম্পতিসহ ৫ জনের মৃত্যু Logo হবিগঞ্জে পাটোয়ারী-সারজিসসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা Logo শায়েস্তাগঞ্জে পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু, শোকের ছায়া গ্রামজুড়ে Logo হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় ১১ জনের নামে এনসিপির মামলা

হবিগঞ্জে সবজির দাম আকাশছোঁয়া

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:-

হবিগঞ্জের বিভিন্ন হাট-বাজারে সবজির দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। প্রতিদিনের বাজারে গিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজি কিনতে গিয়ে তাদের হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে।

গতকাল রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট স্টেশন মার্কেট, শায়েস্তানগর, চৌধুরীবাজার, শায়েস্তাগঞ্জ ও উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ সবজির দাম দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়েছে। পটল, শিম, করলা, লাউ, কাঁচামরিচ, ঢেঁড়শ, বেগুন ও শাকপাতার মতো সাধারণ সবজি এখন অনেকের নাগালের বাইরে।

সবজির দাম তালিকা অনুযায়ী-বেগুন কেজি প্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পটল ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়শ ৯০ থেকে ১০০ টাকা, শিম ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, লাউ একেকটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁচামরিচ কেজি প্রতি ২০০ থেকে ২৫০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা অভিযোগ করে জানান, পাইকারি বাজার থেকে খুচরা বাজারে আসতেই সবজির দামে অস্বাভাবিক পার্থক্য দেখা যায়। ফলে সাধারণ আয়ের মানুষদের তিন বেলার খাবার জোগাড় করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। একজন ক্রেতা বলেন, “এক সময় ২০০ টাকায় তিন-চার রকম সবজি কিনতে পারতাম। এখন একই টাকায় একটি-দুটি সবজিই পাওয়া যায় না।”

অন্যদিকে, বিক্রেতারা বলছেন, পরিবহন খরচ, মৌসুমি সংকট এবং পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকায় তারাও উচ্চমূল্যে সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। অন্যদিকে, বিক্রেতারা বলছেন, পরিবহন খরচ, মৌসুমি সংকট এবং পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকায় তারাও উচ্চমূল্যে সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণ ও মৌসুমি কারণে ফসল তিগ্রস্ত হওয়ায় সবজির উৎপাদন কমেছে। সরবরাহ কম থাকায় বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। তবে আগামী এক-দুই সপ্তাহের মধ্যে নতুন মৌসুমি সবজি উঠলে দাম কমতে পারে। এদিকে, সাধারণ ক্রেতারা বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:৪৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
১৪৩ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জে সবজির দাম আকাশছোঁয়া

আপডেট সময় ০২:৪৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫

হবিগঞ্জের বিভিন্ন হাট-বাজারে সবজির দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। প্রতিদিনের বাজারে গিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজি কিনতে গিয়ে তাদের হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে।

গতকাল রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট স্টেশন মার্কেট, শায়েস্তানগর, চৌধুরীবাজার, শায়েস্তাগঞ্জ ও উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ সবজির দাম দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়েছে। পটল, শিম, করলা, লাউ, কাঁচামরিচ, ঢেঁড়শ, বেগুন ও শাকপাতার মতো সাধারণ সবজি এখন অনেকের নাগালের বাইরে।

সবজির দাম তালিকা অনুযায়ী-বেগুন কেজি প্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পটল ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়শ ৯০ থেকে ১০০ টাকা, শিম ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, লাউ একেকটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁচামরিচ কেজি প্রতি ২০০ থেকে ২৫০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা অভিযোগ করে জানান, পাইকারি বাজার থেকে খুচরা বাজারে আসতেই সবজির দামে অস্বাভাবিক পার্থক্য দেখা যায়। ফলে সাধারণ আয়ের মানুষদের তিন বেলার খাবার জোগাড় করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। একজন ক্রেতা বলেন, “এক সময় ২০০ টাকায় তিন-চার রকম সবজি কিনতে পারতাম। এখন একই টাকায় একটি-দুটি সবজিই পাওয়া যায় না।”

অন্যদিকে, বিক্রেতারা বলছেন, পরিবহন খরচ, মৌসুমি সংকট এবং পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকায় তারাও উচ্চমূল্যে সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। অন্যদিকে, বিক্রেতারা বলছেন, পরিবহন খরচ, মৌসুমি সংকট এবং পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকায় তারাও উচ্চমূল্যে সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণ ও মৌসুমি কারণে ফসল তিগ্রস্ত হওয়ায় সবজির উৎপাদন কমেছে। সরবরাহ কম থাকায় বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। তবে আগামী এক-দুই সপ্তাহের মধ্যে নতুন মৌসুমি সবজি উঠলে দাম কমতে পারে। এদিকে, সাধারণ ক্রেতারা বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।