ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo নবীগঞ্জ পৌরসভা অযত্ন-অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার যানবাহন Logo হবিগঞ্জে টমটমের সাথে সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত Logo হবিগঞ্জে ৮ লাখ ৬১ হাজার টাকা ও ৩১ মোবাইল উদ্ধার, মালিকদের হাতে তুলে দিল পুলিশ Logo আজ ১২ রবিউল আউয়াল, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) Logo খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ মানুষের কষ্ট দূর করতে আমরা দ্রুতই প্রকল্প গ্রহণ করব Logo চুনারুঘাট রেমা-কালেঙ্গা বন বিভাগের অভিযানে ১৭ হাজার মুলি বাঁশ জব্দ Logo হবিগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুর অভিযোগ, তদন্তে কমিটি Logo হবিগঞ্জের প্রবীণ সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক আর নেই Logo হবিগঞ্জ-৩ আসনে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা পৌরসভায় ১৮০ কোটি, সদর-শায়েস্তাগঞ্জ-লাখাইয়ে ২০০ কোটি টাকার প্রকল্প Logo হবিগঞ্জের পাহাড়ে সজনের ফলনে চাষিরা লাভবান

হবিগঞ্জে সবজির দাম আকাশছোঁয়া

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:-

হবিগঞ্জের বিভিন্ন হাট-বাজারে সবজির দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। প্রতিদিনের বাজারে গিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজি কিনতে গিয়ে তাদের হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে।

গতকাল রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট স্টেশন মার্কেট, শায়েস্তানগর, চৌধুরীবাজার, শায়েস্তাগঞ্জ ও উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ সবজির দাম দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়েছে। পটল, শিম, করলা, লাউ, কাঁচামরিচ, ঢেঁড়শ, বেগুন ও শাকপাতার মতো সাধারণ সবজি এখন অনেকের নাগালের বাইরে।

সবজির দাম তালিকা অনুযায়ী-বেগুন কেজি প্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পটল ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়শ ৯০ থেকে ১০০ টাকা, শিম ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, লাউ একেকটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁচামরিচ কেজি প্রতি ২০০ থেকে ২৫০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা অভিযোগ করে জানান, পাইকারি বাজার থেকে খুচরা বাজারে আসতেই সবজির দামে অস্বাভাবিক পার্থক্য দেখা যায়। ফলে সাধারণ আয়ের মানুষদের তিন বেলার খাবার জোগাড় করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। একজন ক্রেতা বলেন, “এক সময় ২০০ টাকায় তিন-চার রকম সবজি কিনতে পারতাম। এখন একই টাকায় একটি-দুটি সবজিই পাওয়া যায় না।”

অন্যদিকে, বিক্রেতারা বলছেন, পরিবহন খরচ, মৌসুমি সংকট এবং পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকায় তারাও উচ্চমূল্যে সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। অন্যদিকে, বিক্রেতারা বলছেন, পরিবহন খরচ, মৌসুমি সংকট এবং পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকায় তারাও উচ্চমূল্যে সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণ ও মৌসুমি কারণে ফসল তিগ্রস্ত হওয়ায় সবজির উৎপাদন কমেছে। সরবরাহ কম থাকায় বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। তবে আগামী এক-দুই সপ্তাহের মধ্যে নতুন মৌসুমি সবজি উঠলে দাম কমতে পারে। এদিকে, সাধারণ ক্রেতারা বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:৪৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
১৫২ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জে সবজির দাম আকাশছোঁয়া

আপডেট সময় ০২:৪৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫

হবিগঞ্জের বিভিন্ন হাট-বাজারে সবজির দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। প্রতিদিনের বাজারে গিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজি কিনতে গিয়ে তাদের হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে।

গতকাল রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট স্টেশন মার্কেট, শায়েস্তানগর, চৌধুরীবাজার, শায়েস্তাগঞ্জ ও উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ সবজির দাম দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়েছে। পটল, শিম, করলা, লাউ, কাঁচামরিচ, ঢেঁড়শ, বেগুন ও শাকপাতার মতো সাধারণ সবজি এখন অনেকের নাগালের বাইরে।

সবজির দাম তালিকা অনুযায়ী-বেগুন কেজি প্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পটল ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়শ ৯০ থেকে ১০০ টাকা, শিম ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, লাউ একেকটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁচামরিচ কেজি প্রতি ২০০ থেকে ২৫০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা অভিযোগ করে জানান, পাইকারি বাজার থেকে খুচরা বাজারে আসতেই সবজির দামে অস্বাভাবিক পার্থক্য দেখা যায়। ফলে সাধারণ আয়ের মানুষদের তিন বেলার খাবার জোগাড় করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। একজন ক্রেতা বলেন, “এক সময় ২০০ টাকায় তিন-চার রকম সবজি কিনতে পারতাম। এখন একই টাকায় একটি-দুটি সবজিই পাওয়া যায় না।”

অন্যদিকে, বিক্রেতারা বলছেন, পরিবহন খরচ, মৌসুমি সংকট এবং পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকায় তারাও উচ্চমূল্যে সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। অন্যদিকে, বিক্রেতারা বলছেন, পরিবহন খরচ, মৌসুমি সংকট এবং পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকায় তারাও উচ্চমূল্যে সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণ ও মৌসুমি কারণে ফসল তিগ্রস্ত হওয়ায় সবজির উৎপাদন কমেছে। সরবরাহ কম থাকায় বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। তবে আগামী এক-দুই সপ্তাহের মধ্যে নতুন মৌসুমি সবজি উঠলে দাম কমতে পারে। এদিকে, সাধারণ ক্রেতারা বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।