ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ‘চা শ্রমিকের কোনো পরিবর্তন নেই’প্রতিদিন ১৮৭ টাকা মজুরি নিয়ে দুর্দশার জীবন কাটাছে Logo মহান মে দিবস আজ শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন Logo খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কায় হাজারো কৃষক Logo এক মুঠো ধানও ঘরে তুলতে পারব না ২ হাজার ৭১০ হেক্টর জমির ধান তলিয়ে গেছে Logo শায়েস্তাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হলেন প্রভাষক কামরুল হাসান রিপন Logo হবিগঞ্জে ৩টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা Logo আজমিরীগঞ্জে শ্রমিক ও মেশিনের অভাবে মাঠেই নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় বোরো ধান Logo স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও অবহেলিত মাধবপুরের শামসুন্নাহার Logo হবিগঞ্জ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন, ভোগান্তি চরমে Logo হবিগঞ্জে ভুল প্রশ্নে দাখিল পরীক্ষা, তিনজনকে অব্যাহতি

‘আপা ফিরে আসলেন আরও ভয়ংকর রূপে’

ডেস্ক রিপোর্ট

রতিবারের মতো রঙের ছটা ও উৎসবের আমেজ থাকলেও এবার ভিন্ন আয়োজনে বরণ করা হয়েছে নববর্ষকে।

এবারের আয়োজনে রাখা হয়েছে বিশেষ মোটিফ ফ্যাসিস্টের মুখাবয়ব। এ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ফেসবুক প্রোফাইলে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

সোমবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘আপা তার ওয়াদা রাখলেন, ফিরে আসলেন আরও ভয়ংকর রূপে!’এদিন সকাল ৯টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণ থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, কৃষক ও রিকশাচালক প্রতিনিধি, নারী ফুটবলার এবং ২৮টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:১২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫
১১৩ বার পড়া হয়েছে

‘আপা ফিরে আসলেন আরও ভয়ংকর রূপে’

আপডেট সময় ০২:১২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫

রতিবারের মতো রঙের ছটা ও উৎসবের আমেজ থাকলেও এবার ভিন্ন আয়োজনে বরণ করা হয়েছে নববর্ষকে।

এবারের আয়োজনে রাখা হয়েছে বিশেষ মোটিফ ফ্যাসিস্টের মুখাবয়ব। এ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ফেসবুক প্রোফাইলে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

সোমবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘আপা তার ওয়াদা রাখলেন, ফিরে আসলেন আরও ভয়ংকর রূপে!’এদিন সকাল ৯টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণ থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, কৃষক ও রিকশাচালক প্রতিনিধি, নারী ফুটবলার এবং ২৮টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।