ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বাহুবল ফল প্রকাশের আগেরদিন মৃত্যু, সেই রেজা এসএসসিতে পেয়েছে ৪.১১ Logo হবিগঞ্জে ফল বিক্রেতার মোবাইল চুরির অভিযোগে এসআই ক্লোজড Logo জুলাই যোদ্ধাদের চাকুরির নিয়োগপত্র প্রদান সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী Logo একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে: ‍প্রধানমন্ত্রী Logo জুলাই অভ্যুত্থানের মহানায়ক কোনো ব্যক্তি বা দল নয়, গণতন্ত্রকামী জনগণ : প্রধানমন্ত্রী Logo শায়েস্তাগঞ্জে আগস্টের বিজয় Logo হবিগঞ্জে এনসিপির মামলা: ছাত্রদল নেতা রিংগনসহ ১১ জনের জামিন Logo হবিগঞ্জে এক বছরে পানিতে ডুবে ২৭ শিশুর মৃত্যু Logo লাখাইয়ে হোমিওপ্যাথিক তরল পানে দম্পতিসহ ৫ জনের মৃত্যু Logo হবিগঞ্জে পাটোয়ারী-সারজিসসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা

এখনও উদ্ধার হয়নি বানিয়াচং থানার লুণ্ঠিত অস্ত্র ও গোলাবারুদ

বানিয়াচং প্রতিনিধিঃ

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বানিয়াচং থানায় হামলা ও লুটতরাজ চালায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় থানায় আগুন দেয়ার পাশাপাশি অস্ত্রাগার থেকে লুট হয় পুলিশের ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ।

কয়েক দফা আহবান জানানোর পরেও লুণ্ঠিত অস্ত্রগুলো থানায় জমা পড়েনি। কিছু আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হলেও এখনও হদিস মিলেনি লুণ্ঠিত অস্ত্র ও গোলাবারুদের।

দুই মাসের কাছাকাছি সময় চলে যাওয়ার পরেও পিস্তল-এসএমজিসহ ৬ থেকে ৭শ রাউন্ড গোলাবারুদ এখনো রয়েছে উদ্ধারের বাকি।

এরই মধ্যে অরাজকতা ও বেআইনি কর্মকাণ্ড দমন করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা এবং অস্ত্র-গুলি উদ্ধারে যৌথ অভিযান শুরু করে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার সদস্যরা।

তবে বানিয়াচংয়ে যৌথবাহিনীর অভিযান এখনো চোখে পড়েনি। থানা পুলিশের কার্যক্রম সীমিত আকারে শুরু হলেও সরাসরি অপারেশনাল কার্যক্রমে এখনও সক্রিয় হতে পারেনি পুলিশ। থানা পুলিশ সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও ক্ষেত্র বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মামলার এজাহার নেওয়া ছাড়া কার্যত অস্ত্র উদ্ধারে কোনো অভিযান পরিচালনা বা লুট হওয়া অস্ত্র বহনকারীর অবস্থান ইত্যাদি বিষয়ে গোয়েন্দা কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি বানিয়াচং থানা পুলিশ।

অন্যদিকে ৫ আগস্ট বানিয়াচং থানায় হামলা-লুটপাট-অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ১৫ কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি দেখিয়ে অজ্ঞাত ৮ থেকে ১০ হাজার লোককে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন বানিয়াচং থানার তৎকালীন তদন্ত ওসি আবু হানিফ।

প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট বানিয়াচংয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই ৫ জন নিহত হয়। পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় আরও ৩ জন। পেশাগত দায়িত্ব পালন করার সময় স্থানীয় পত্রিকার এক সাংবাদিককে পিটিয়ে মেরে ফেলে উত্তেজিত জনতা। এছাড়াও বানিয়াচং থানা পুলিশের এসআই সন্তোষ দাস চৌধুরীকে পিটিয়ে মেরে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়। এসময় উত্তেজিত জনতা বানিয়াচং থানায় হামলা চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র লুট করে। আগুন দেয়া হয় পুরো থানায়।

বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ কবির হোসেন জানান, দুইদিন হয় আমি নতুন ওসি হিসেবে যোগদান করেছি। এই বিষয়ে কোন কিছু বলতে পারবো না। তবে কিছু জানতে হলে স্থানীয় সেনাক্যাম্পে যোগাযোগ করে দেখতে পারেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:০৯:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪
১৬৫ বার পড়া হয়েছে

এখনও উদ্ধার হয়নি বানিয়াচং থানার লুণ্ঠিত অস্ত্র ও গোলাবারুদ

আপডেট সময় ০১:০৯:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বানিয়াচং থানায় হামলা ও লুটতরাজ চালায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় থানায় আগুন দেয়ার পাশাপাশি অস্ত্রাগার থেকে লুট হয় পুলিশের ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ।

কয়েক দফা আহবান জানানোর পরেও লুণ্ঠিত অস্ত্রগুলো থানায় জমা পড়েনি। কিছু আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হলেও এখনও হদিস মিলেনি লুণ্ঠিত অস্ত্র ও গোলাবারুদের।

দুই মাসের কাছাকাছি সময় চলে যাওয়ার পরেও পিস্তল-এসএমজিসহ ৬ থেকে ৭শ রাউন্ড গোলাবারুদ এখনো রয়েছে উদ্ধারের বাকি।

এরই মধ্যে অরাজকতা ও বেআইনি কর্মকাণ্ড দমন করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা এবং অস্ত্র-গুলি উদ্ধারে যৌথ অভিযান শুরু করে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার সদস্যরা।

তবে বানিয়াচংয়ে যৌথবাহিনীর অভিযান এখনো চোখে পড়েনি। থানা পুলিশের কার্যক্রম সীমিত আকারে শুরু হলেও সরাসরি অপারেশনাল কার্যক্রমে এখনও সক্রিয় হতে পারেনি পুলিশ। থানা পুলিশ সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও ক্ষেত্র বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মামলার এজাহার নেওয়া ছাড়া কার্যত অস্ত্র উদ্ধারে কোনো অভিযান পরিচালনা বা লুট হওয়া অস্ত্র বহনকারীর অবস্থান ইত্যাদি বিষয়ে গোয়েন্দা কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি বানিয়াচং থানা পুলিশ।

অন্যদিকে ৫ আগস্ট বানিয়াচং থানায় হামলা-লুটপাট-অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ১৫ কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি দেখিয়ে অজ্ঞাত ৮ থেকে ১০ হাজার লোককে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন বানিয়াচং থানার তৎকালীন তদন্ত ওসি আবু হানিফ।

প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট বানিয়াচংয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই ৫ জন নিহত হয়। পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় আরও ৩ জন। পেশাগত দায়িত্ব পালন করার সময় স্থানীয় পত্রিকার এক সাংবাদিককে পিটিয়ে মেরে ফেলে উত্তেজিত জনতা। এছাড়াও বানিয়াচং থানা পুলিশের এসআই সন্তোষ দাস চৌধুরীকে পিটিয়ে মেরে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়। এসময় উত্তেজিত জনতা বানিয়াচং থানায় হামলা চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র লুট করে। আগুন দেয়া হয় পুরো থানায়।

বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ কবির হোসেন জানান, দুইদিন হয় আমি নতুন ওসি হিসেবে যোগদান করেছি। এই বিষয়ে কোন কিছু বলতে পারবো না। তবে কিছু জানতে হলে স্থানীয় সেনাক্যাম্পে যোগাযোগ করে দেখতে পারেন।