ঢাকা ০৩:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ‘ভোটে আমাদের নয়, আমাদের ভোটে নির্বাচিতদের জীবনে পরিবর্তন আসে Logo ভোটের সমীকরণ: হবিগঞ্জ-১ বিএনপির দলীয় প্রার্থী রেজার ‘গলার কাঁটা’ বিদ্রোহী সুজাত Logo হবিগঞ্জে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে বিজিবির কঠোর নিরাপত্তা Logo ৮৪ বছর ধরে পড়ে আছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষ Logo শায়েস্তাগঞ্জ থেকে ৯২টি সিসার পিলেটসহ ৩টি এয়ারগান উদ্ধার Logo তারেক রহমানকে বরণ করতে প্রস্তুত হবিগঞ্জবাসী Logo হবিগঞ্জ ট্রাকভর্তি ধানের তুষের নিচ থেকে ভারতীয় কসমেটিকস ও গাঁজা জব্দ Logo মেলায় বাঘাইড় মাছের দাম আড়াই লাখ টাকা Logo হবিগঞ্জের বালুভর্তি ট্রাকে পাচারকালে দেড় কোটি টাকার ভারতীয় কসমেটিকস ও শাড়ীর চালান জব্দ Logo শায়েস্তাগঞ্জে ৮৮ বস্তা অবৈধ জিরার চালানসহ গ্রেপ্তার ১

বান্দরবানে বেনজীরের ২০ কোটি টাকার সম্পত্তি ডিসির তত্ত্বাবধানে

বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানের সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের মাঝেরপাড়া এলাকায় সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের প্রায় ২০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাগানবাড়ি গরু ও মৎস্য খামার তত্ত্বাবধানে নিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিনের নেতৃত্বে প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি টিম বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের ঘটনাস্থলে গিয়ে সম্পত্তি তত্ত্বাবধানে নেওয়ার পর সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিয়ে আসেন। সেই সঙ্গে বাগানবাড়িতেও তালা লাগিয়ে দেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, আদালতের নির্দেশনার পর বেনজীর আহমেদের সম্পত্তিগুলো তত্ত্বাবধানে নেওয়া হয়েছে। এসব সম্পত্তি থেকে যা আয় হবে তা সরকারের কোষাগারে জমা হবে। আজ থেকে এ জমির রিসিভার নিয়োগ করা হয়েছে আর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এসএম মঞ্জুরুল হককে আহবায়ক করে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি এখন থেকে এ বিষয়ে সার্বিক তদারকি করার পাশাপাশি সব আয় ব্যয়ের হিসেবে দুদকের মাধ্যমে আদালতে উপস্থাপন করবে।

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এসএম মঞ্জুরুল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবীবা মীরা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বান্দরবানের উপ-পরিচালক এমএম শাহনেয়াজ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা অভিজিৎ শীল, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আবদুর রহমানসহ জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনেরা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের সম্পত্তি দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক খুঁজে বের করার পর বান্দরবানেও বিশাল সম্পত্তির খোঁজ মেলে। বান্দরবানের সুয়ালকে ৫০ একর ও লামায় প্রায় ১০০ একর সম্পত্তি রয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর দুর্নীতি দমন কমিশন সুয়ালকে ২৫ একর সম্পত্তির নথি খুঁজে পায়। এসব সম্পত্তি তত্ত্বাবধানে নিয়েছে বান্দরবানের জেলা প্রশাসন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:০৯:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪
১৪৮ বার পড়া হয়েছে

বান্দরবানে বেনজীরের ২০ কোটি টাকার সম্পত্তি ডিসির তত্ত্বাবধানে

আপডেট সময় ০৮:০৯:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪

বান্দরবানের সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের মাঝেরপাড়া এলাকায় সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের প্রায় ২০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাগানবাড়ি গরু ও মৎস্য খামার তত্ত্বাবধানে নিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিনের নেতৃত্বে প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি টিম বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের ঘটনাস্থলে গিয়ে সম্পত্তি তত্ত্বাবধানে নেওয়ার পর সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিয়ে আসেন। সেই সঙ্গে বাগানবাড়িতেও তালা লাগিয়ে দেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, আদালতের নির্দেশনার পর বেনজীর আহমেদের সম্পত্তিগুলো তত্ত্বাবধানে নেওয়া হয়েছে। এসব সম্পত্তি থেকে যা আয় হবে তা সরকারের কোষাগারে জমা হবে। আজ থেকে এ জমির রিসিভার নিয়োগ করা হয়েছে আর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এসএম মঞ্জুরুল হককে আহবায়ক করে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি এখন থেকে এ বিষয়ে সার্বিক তদারকি করার পাশাপাশি সব আয় ব্যয়ের হিসেবে দুদকের মাধ্যমে আদালতে উপস্থাপন করবে।

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এসএম মঞ্জুরুল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবীবা মীরা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বান্দরবানের উপ-পরিচালক এমএম শাহনেয়াজ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা অভিজিৎ শীল, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আবদুর রহমানসহ জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনেরা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের সম্পত্তি দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক খুঁজে বের করার পর বান্দরবানেও বিশাল সম্পত্তির খোঁজ মেলে। বান্দরবানের সুয়ালকে ৫০ একর ও লামায় প্রায় ১০০ একর সম্পত্তি রয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর দুর্নীতি দমন কমিশন সুয়ালকে ২৫ একর সম্পত্তির নথি খুঁজে পায়। এসব সম্পত্তি তত্ত্বাবধানে নিয়েছে বান্দরবানের জেলা প্রশাসন।