ঢাকা ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo নাব্য সংকটে সুতাং নদী এখন মরা খাল শিল্পবর্জ্যের দূষণে বিষাক্ত পানি Logo সৌদি আরবে প্রাইভেট কারের চাপায় শায়েস্তাগঞ্জের যুবক নিহত, পরিবারে মাতম Logo ‘অভাব তো বয়স বোঝে না, পেট তো খাবার চায়’ Logo আজমিরীগঞ্জে ২১ ঘণ্টা পর নদীতে ভাসল নিখোঁজ গৃহবধূর মরদেহ Logo শায়েস্তাগঞ্জে জয়ন্তিকা ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন, যাত্রীদের দুর্ভোগ Logo ‘পেনশন নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন না’— পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে হবিগঞ্জের মাধবপুরে ছাত্রলীগ নেতার হুঁশিয়ারি Logo হবিগঞ্জে সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি Logo হবিগঞ্জ কারাগারে আসামির মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ পরিবারের Logo হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগে শায়েস্তাগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে বৃক্ষরোপণ প্রধানমন্ত্রীর ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ভিশন বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধপরিকর: আহমেদ আলী মুকিব Logo বাহুবলে পানিতে ডুবে হবিগঞ্জের জনপ্রিয় ক্ষুদে কনটেন্ট ক্রিয়েটর দ্বীপের মৃত্যু

মতিউর পরিবারের ৪ ফ্ল্যাট ও ৮৬৬ শতক জমি জব্দের নির্দেশ

শায়েস্তাগঞ্জের বাণী ডেস্ক ,

কোরবানি ঈদে ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য মো. মতিউর রহমান ও তার পরিবারের নামে থাকা ৪ টি ফ্ল্যাট ও ৮৬৬ শতক জমি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২৪ জুন একই আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মতিউর, তার স্ত্রী নরসিংদীর রায়পুরার উপজেলা চেয়ারম্যান লায়লা কানিজ ও তাদের পুত্র আহম্মেদ তৌফিকুর রহমান অর্ণবকে বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেন।

এছাড়া ছাগলকাণ্ডে দেশব্যাপী সমালোচনায় গত ২৩ জুন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মো. মতিউর রহমানকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তাকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এর আগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য মো. মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৪, ২০০৮, ২০১৩ ও ২০২১ সালে মোট চারবার অনুসন্ধান করে দুদক। প্রতিবারই অনুসন্ধান পর্যায় থেকে শেষ হয়েছে কার্যক্রম। তবে কোরবানি ঈদে ছেলের ছাগলকাণ্ডে দেশব্যাপী আলোচনায় আসার পর পঞ্চমবারের মতো মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দুদক।

গত ৪ জুন দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মইনউদ্দীন আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে কমিশন সভায় মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে পঞ্চম বারের মতো অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একজন উপ-পরিচালককে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধানী টিম গঠন করা হয়েছে। এরই মধ্যে সদস্যরা কাজও শুরু করেছেন। এতে মতিউরের নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য সামনে আসছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:৩৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪
২০৯ বার পড়া হয়েছে

মতিউর পরিবারের ৪ ফ্ল্যাট ও ৮৬৬ শতক জমি জব্দের নির্দেশ

আপডেট সময় ০৭:৩৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪

কোরবানি ঈদে ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য মো. মতিউর রহমান ও তার পরিবারের নামে থাকা ৪ টি ফ্ল্যাট ও ৮৬৬ শতক জমি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২৪ জুন একই আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মতিউর, তার স্ত্রী নরসিংদীর রায়পুরার উপজেলা চেয়ারম্যান লায়লা কানিজ ও তাদের পুত্র আহম্মেদ তৌফিকুর রহমান অর্ণবকে বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেন।

এছাড়া ছাগলকাণ্ডে দেশব্যাপী সমালোচনায় গত ২৩ জুন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মো. মতিউর রহমানকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তাকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এর আগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য মো. মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৪, ২০০৮, ২০১৩ ও ২০২১ সালে মোট চারবার অনুসন্ধান করে দুদক। প্রতিবারই অনুসন্ধান পর্যায় থেকে শেষ হয়েছে কার্যক্রম। তবে কোরবানি ঈদে ছেলের ছাগলকাণ্ডে দেশব্যাপী আলোচনায় আসার পর পঞ্চমবারের মতো মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দুদক।

গত ৪ জুন দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মইনউদ্দীন আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে কমিশন সভায় মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে পঞ্চম বারের মতো অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একজন উপ-পরিচালককে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধানী টিম গঠন করা হয়েছে। এরই মধ্যে সদস্যরা কাজও শুরু করেছেন। এতে মতিউরের নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য সামনে আসছে।