কে. আলী-শামছুন্নাহার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শায়েস্তাগঞ্জে সুধীজন ও সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে মানবকল্যাণমূলক কর্মকান্ডকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় নিয়ে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে কে. আলী-শামছুন্নাহার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সুধীজন ও সাংবাদিকদের সম্মানে এক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় শায়েস্তাগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এ ইফতার মাহফিলে এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রমজানের তাৎপর্য, সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রেসক্লাব সভাপতি মঈনুল হাসান রতনের সভাপতিত্বে ও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুল হাসানের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন- থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আ স ম আফজল আলী, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী ইয়াছির খান, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব ফাহিন হোসেন কাউন্সিলর, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নুরুল আমিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী গোলাম মর্তুজা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ, সমাজসেবক খন্দকার সুমন আহমেদ, উপজেলা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মিজানুর রহমান সুমন, যুবদল নেতা আবু সুফিয়ান পারভেজ, সাংবাদিক মাওলানা আব্দুল কাদির প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শায়েস্তাগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মো. করম আলী একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তিনি নিজেকে সমাজসেবায় নিয়োজিত রেখেছেন। শায়েস্তাগঞ্জের উন্নয়নে তার বিরাট অবদান রয়েছে। এ গুণী ব্যক্তির স্মৃতিকে ধরে রাখতে এ ফাউন্ডেশন ভূমিকা রাখবে। কে. আলী শামছুন্নাহার ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সমাজের অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, দরিদ্র মানুষের সহায়তা এবং সামাজিক উন্নয়নে ফাউন্ডেশন বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতেও মানবসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে বক্তারা জানান।
বক্তারা আরও বলেন, সমাজের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে বিত্তবান ও সমাজসচেতন মানুষদের দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। এ ধরনের ইফতার মাহফিল শুধু সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ বাড়ায় না, বরং সমাজে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে।
ইফতার মাহফিলে উপস্থিত অতিথিরা কে. আলী শামছুন্নাহার ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন মানবকল্যাণমূলক কর্মকান্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের উন্নয়নে এ ধরনের সংগঠনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনুষ্ঠানে আগত সাংবাদিকরা বলেন, সমাজের ইতিবাচক কর্মকান্ডগুলো গণমাধ্যমের মাধ্যমে তুলে ধরলে মানুষ উৎসাহিত হয় এবং অন্যরাও মানবসেবায় এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত হয়।
ইফতার মাহফিল শেষে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।













