ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও অবহেলিত মাধবপুরের শামসুন্নাহার Logo হবিগঞ্জ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন, ভোগান্তি চরমে Logo হবিগঞ্জে ভুল প্রশ্নে দাখিল পরীক্ষা, তিনজনকে অব্যাহতি Logo শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে ডিসপেন্সারিতে চিকিৎসক নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন Logo নিখোঁজের ৪ দিন পর চুনারুঘাটে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় নারীর মরদেহ উদ্ধার Logo সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেলেন হবিগঞ্জের শাম্মী আক্তার Logo নবীগঞ্জে জমিজমা নিয়ে সংঘর্ষে এক কলেজ ছাত্র নিহত ও আহত ২০ Logo হবিগঞ্জে বেপরোয়া ট্রান্সফরমার চোরচক্র, সংকটে চা শিল্প Logo বানিয়াচংয়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ১১ শিশু, উৎকন্ঠায় অভিভাবক Logo বানিয়াচংয়ে হাওরে কৃষকের আতঙ্ক আকস্মিক বন্যা ও শিলাবৃষ্টি, ফসল নিয়ে শঙ্কা

মাদারীপুর দুই শিশুকে হত্যার পর পাশেই বসে ছিলেন মা

মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ

একজন মায়ের কাছে সবসময় শতভাগ নিরাপদ একটি সন্তান। কিন্তু পাষন্ড এক মায়ের বিরুদ্ধে দুই শিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকি মাদারীপুরের। ওই মায়ের নাম তাহমিনা বেগম (২৫)।

বুধবার (১০ জুলাই) বিকেলে মাদারীপুর শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, মাদারীপুর শহরের লঞ্চঘাট এলাকার তারা মিয়া ও নার্গিস বেগমের সঙ্গে তাহমিনা বেগম তার দুই সন্তান নিয়ে থাকেন। তাহমিনার স্বামী সৌদি প্রবাসী মো. হালিম খানের বাড়ি শরীয়তপুর জেলায়। শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে ঝগড়া লেগে থাকায় তাহমিনা তার মায়ের সঙ্গেই থাকেন। এক বছর ধরে তার মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। বুধবার বিকেলে ঘরে কেউ না থাকার সুযোগে তাহমিনা তার দুই সন্তান ৩ বছরের জান্নাত ও ১ বছরের মেহেরাজকে হত্যা করে। তাহমিনার মা নার্গিস বেগম ঘরে এসে মেয়ের রুমের দরজা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু তিনি দরজা খোলেন না। এক প্রতিবেশী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে পুলিশকে এ তথ্য জানান। এ খবর পেয়ে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে মৃত দুই সন্তানের পাশে মাকে বসে থাকতে দেখেন। পুলিশ মা তাহমিনা বেগমকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুরের ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

তাহমিনা বেগমের বাবা তারা মিয়া বলেন, ‘আমার মেয়ে অসুস্থ, তার মানসিক সমস্যা আছে। তার চিকিৎসা চলছে। তাকে হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছিল। তার শ্বশুরবাড়ির মানুষজন তাকে অত্যাচার করে পাগল বানিয়েছে। তাই আমার মেয়ের মানসিক সমস্যা না থাকলে এই ধরনের ঘটনা সে ঘটাতে পারত না।’

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশু দুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তীতে হত্যার মূল কারণ জানা যাবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:৫৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪
১৬৩ বার পড়া হয়েছে

মাদারীপুর দুই শিশুকে হত্যার পর পাশেই বসে ছিলেন মা

আপডেট সময় ১০:৫৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪

একজন মায়ের কাছে সবসময় শতভাগ নিরাপদ একটি সন্তান। কিন্তু পাষন্ড এক মায়ের বিরুদ্ধে দুই শিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকি মাদারীপুরের। ওই মায়ের নাম তাহমিনা বেগম (২৫)।

বুধবার (১০ জুলাই) বিকেলে মাদারীপুর শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, মাদারীপুর শহরের লঞ্চঘাট এলাকার তারা মিয়া ও নার্গিস বেগমের সঙ্গে তাহমিনা বেগম তার দুই সন্তান নিয়ে থাকেন। তাহমিনার স্বামী সৌদি প্রবাসী মো. হালিম খানের বাড়ি শরীয়তপুর জেলায়। শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে ঝগড়া লেগে থাকায় তাহমিনা তার মায়ের সঙ্গেই থাকেন। এক বছর ধরে তার মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। বুধবার বিকেলে ঘরে কেউ না থাকার সুযোগে তাহমিনা তার দুই সন্তান ৩ বছরের জান্নাত ও ১ বছরের মেহেরাজকে হত্যা করে। তাহমিনার মা নার্গিস বেগম ঘরে এসে মেয়ের রুমের দরজা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু তিনি দরজা খোলেন না। এক প্রতিবেশী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে পুলিশকে এ তথ্য জানান। এ খবর পেয়ে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে মৃত দুই সন্তানের পাশে মাকে বসে থাকতে দেখেন। পুলিশ মা তাহমিনা বেগমকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুরের ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

তাহমিনা বেগমের বাবা তারা মিয়া বলেন, ‘আমার মেয়ে অসুস্থ, তার মানসিক সমস্যা আছে। তার চিকিৎসা চলছে। তাকে হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছিল। তার শ্বশুরবাড়ির মানুষজন তাকে অত্যাচার করে পাগল বানিয়েছে। তাই আমার মেয়ের মানসিক সমস্যা না থাকলে এই ধরনের ঘটনা সে ঘটাতে পারত না।’

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশু দুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তীতে হত্যার মূল কারণ জানা যাবে।