ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বর্ষা নামতেই সুতাং নদীর ক্ষতচিহ্ন উন্মোচিত মরছে মাছ, ছড়াচ্ছে বিষাক্ত দুর্গন্ধ Logo কে. আলী-শামছুন্নাহার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শায়েস্তাগঞ্জে সুধীজন ও সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল Logo বানিয়াচংয়ে পানি সংকটে বোরো ধান চাষ নিয়ে সংঙ্কায় প্রায় ১০ হাজার কৃষক Logo জ্বালানি তেলের পাচার ঠেকাতে হবিগঞ্জ সীমান্তে সতর্ক বিজিবি Logo ৪ বছর পর শাহজীবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল Logo বাহুবলে সংরক্ষিত বনে গাছ কাটতে বাধা, ফরেস্ট গার্ডকে কুপিয়ে জখম Logo মাধবপুরে রঘুনন্দন ছড়া থেকে বালু লোপাট Logo বাহুবলে খরস্রোতা করাঙ্গী নদী এখন মরা খাল, দিশাহারা কৃষক Logo কর্মকর্তাদের শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত থাকার তাগিদ এমপি গউছের Logo হবিগঞ্জে বিএনপি সভাপতিকে আটকের পর মহাসড়ক অবরোধ

মাদারীপুর দুই শিশুকে হত্যার পর পাশেই বসে ছিলেন মা

মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ

একজন মায়ের কাছে সবসময় শতভাগ নিরাপদ একটি সন্তান। কিন্তু পাষন্ড এক মায়ের বিরুদ্ধে দুই শিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকি মাদারীপুরের। ওই মায়ের নাম তাহমিনা বেগম (২৫)।

বুধবার (১০ জুলাই) বিকেলে মাদারীপুর শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, মাদারীপুর শহরের লঞ্চঘাট এলাকার তারা মিয়া ও নার্গিস বেগমের সঙ্গে তাহমিনা বেগম তার দুই সন্তান নিয়ে থাকেন। তাহমিনার স্বামী সৌদি প্রবাসী মো. হালিম খানের বাড়ি শরীয়তপুর জেলায়। শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে ঝগড়া লেগে থাকায় তাহমিনা তার মায়ের সঙ্গেই থাকেন। এক বছর ধরে তার মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। বুধবার বিকেলে ঘরে কেউ না থাকার সুযোগে তাহমিনা তার দুই সন্তান ৩ বছরের জান্নাত ও ১ বছরের মেহেরাজকে হত্যা করে। তাহমিনার মা নার্গিস বেগম ঘরে এসে মেয়ের রুমের দরজা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু তিনি দরজা খোলেন না। এক প্রতিবেশী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে পুলিশকে এ তথ্য জানান। এ খবর পেয়ে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে মৃত দুই সন্তানের পাশে মাকে বসে থাকতে দেখেন। পুলিশ মা তাহমিনা বেগমকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুরের ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

তাহমিনা বেগমের বাবা তারা মিয়া বলেন, ‘আমার মেয়ে অসুস্থ, তার মানসিক সমস্যা আছে। তার চিকিৎসা চলছে। তাকে হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছিল। তার শ্বশুরবাড়ির মানুষজন তাকে অত্যাচার করে পাগল বানিয়েছে। তাই আমার মেয়ের মানসিক সমস্যা না থাকলে এই ধরনের ঘটনা সে ঘটাতে পারত না।’

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশু দুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তীতে হত্যার মূল কারণ জানা যাবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:৫৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪
১৫৫ বার পড়া হয়েছে

মাদারীপুর দুই শিশুকে হত্যার পর পাশেই বসে ছিলেন মা

আপডেট সময় ১০:৫৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪

একজন মায়ের কাছে সবসময় শতভাগ নিরাপদ একটি সন্তান। কিন্তু পাষন্ড এক মায়ের বিরুদ্ধে দুই শিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকি মাদারীপুরের। ওই মায়ের নাম তাহমিনা বেগম (২৫)।

বুধবার (১০ জুলাই) বিকেলে মাদারীপুর শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, মাদারীপুর শহরের লঞ্চঘাট এলাকার তারা মিয়া ও নার্গিস বেগমের সঙ্গে তাহমিনা বেগম তার দুই সন্তান নিয়ে থাকেন। তাহমিনার স্বামী সৌদি প্রবাসী মো. হালিম খানের বাড়ি শরীয়তপুর জেলায়। শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে ঝগড়া লেগে থাকায় তাহমিনা তার মায়ের সঙ্গেই থাকেন। এক বছর ধরে তার মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। বুধবার বিকেলে ঘরে কেউ না থাকার সুযোগে তাহমিনা তার দুই সন্তান ৩ বছরের জান্নাত ও ১ বছরের মেহেরাজকে হত্যা করে। তাহমিনার মা নার্গিস বেগম ঘরে এসে মেয়ের রুমের দরজা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু তিনি দরজা খোলেন না। এক প্রতিবেশী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে পুলিশকে এ তথ্য জানান। এ খবর পেয়ে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে মৃত দুই সন্তানের পাশে মাকে বসে থাকতে দেখেন। পুলিশ মা তাহমিনা বেগমকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুরের ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

তাহমিনা বেগমের বাবা তারা মিয়া বলেন, ‘আমার মেয়ে অসুস্থ, তার মানসিক সমস্যা আছে। তার চিকিৎসা চলছে। তাকে হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছিল। তার শ্বশুরবাড়ির মানুষজন তাকে অত্যাচার করে পাগল বানিয়েছে। তাই আমার মেয়ের মানসিক সমস্যা না থাকলে এই ধরনের ঘটনা সে ঘটাতে পারত না।’

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশু দুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তীতে হত্যার মূল কারণ জানা যাবে।