ঢাকা ০৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বানিয়াচংয়ে ২২০০ বিঘা জমির ধান পানির নিচে Logo হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর ব্রীজ থেকে পানিতে পরে নারীর মৃত্যু Logo শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের প্রধান সড়কের বেহালদশা Logo হবিগঞ্জে দুই বোনের বিষপানে এক বোনের মৃত্যু Logo তেলিয়াপাড়া দিবসে হবিগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা-জনতা সমাবেশ অনুষ্ঠিত‘মুক্তিযুদ্ধের সময় শেখ মুজিব বন্দি হয়ে পাকিস্তান চলে গিয়েছিলেন’ Logo শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে বাড়ছে মোবাইল চুরির ঘটনা Logo ১৮ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক Logo শায়েস্তাগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতির ৫০তম জন্মদিন উদযাপন, কেক কাটা ও দোয়া মাহফিল Logo এখনও উদ্ধার হয়নি মাধবপুরে লাইনচ্যুত বগি, তেল লুট ঠেকাতে বিজিবি মোতায়েন Logo হবিগঞ্জ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক আহমেদ আলী মুকিব

হবিগঞ্জে গুলিতে আহত আল আমিনের চোখ নষ্ট হয়েছে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

হবিগঞ্জে কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় গুলিবিদ্ধ সিএনজি চালক আল আমিনের (৩৫) চোখ নষ্ট হয়েছে। সিলেট থেকে তাকে ঢাকা চক্ষু ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আহত আল আমিনের মামা রহমত আলী।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার বাদ জুমা কোটা আন্দোলনকারীরা শহরের কোর্ট মসজিদ মার্কেট ও শহরের অপর প্রান্তে খোয়াই নদীর তীরে নূরুল হেরা জামে মসজিদের সামনে গণ মিছিলের আয়োজন করে। এ সময় সাইফুর রহমান টাউন হলের সামনে অবস্থান নেয় আ.লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। দুপুর আড়াইটার দিকে নূরুল হেরা জামে মসজিদের সামনে থেকে মিছিল বের হলে আ.লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়।

তারা আরও জানান, এ খবর ছড়িয়ে পড়লে কোর্ট মসজিদের সামনে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীরা গিয়ে তাদের ধাওয়া দেয়। তখন আ.লীগ নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কোটা আন্দোলনকারীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় হবিগঞ্জ পৌরশহরের উমেদনগর গ্রামের আতর আলীর ছেলে সিএনজি চালক আল আমিন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে আজ শনিবার তাকে ঢাকা চক্ষু ইনস্টিটিউটে প্রেরণ করা হয়।

আহত আল আমিনের মামা রহমত আলী জানান, আহত আল আমিনের ঘাড়ে একাধিক গুলির চিহ্ন রয়েছে। চোখে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। আল আমিনের একটি চোখ নষ্ট হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে আল আমিন জুতা কেনার জন্য বাজারে গেলে হঠাৎ সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। এ সময় আল আমিন দৌড়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করলে তার ঘাড়ে গুলি লাগে।

তিনি আরও জানান, এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আল আমিন খুব গরিব অসহায়। তিনি সিএনজি চালিয়ে তার ছোট ৪ সন্তানকে নিয়ে জীপনযাপন করে আসছে। আমরা গরিব অসহায় মানুষ, কার কাছে বিচার চাইবো। ঋণ করে চিকিৎসা করানো হচ্ছে। কেউ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:৫৫:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৪
১৪৯ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জে গুলিতে আহত আল আমিনের চোখ নষ্ট হয়েছে

আপডেট সময় ০৮:৫৫:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৪

হবিগঞ্জে কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় গুলিবিদ্ধ সিএনজি চালক আল আমিনের (৩৫) চোখ নষ্ট হয়েছে। সিলেট থেকে তাকে ঢাকা চক্ষু ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আহত আল আমিনের মামা রহমত আলী।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার বাদ জুমা কোটা আন্দোলনকারীরা শহরের কোর্ট মসজিদ মার্কেট ও শহরের অপর প্রান্তে খোয়াই নদীর তীরে নূরুল হেরা জামে মসজিদের সামনে গণ মিছিলের আয়োজন করে। এ সময় সাইফুর রহমান টাউন হলের সামনে অবস্থান নেয় আ.লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। দুপুর আড়াইটার দিকে নূরুল হেরা জামে মসজিদের সামনে থেকে মিছিল বের হলে আ.লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়।

তারা আরও জানান, এ খবর ছড়িয়ে পড়লে কোর্ট মসজিদের সামনে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীরা গিয়ে তাদের ধাওয়া দেয়। তখন আ.লীগ নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কোটা আন্দোলনকারীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় হবিগঞ্জ পৌরশহরের উমেদনগর গ্রামের আতর আলীর ছেলে সিএনজি চালক আল আমিন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে আজ শনিবার তাকে ঢাকা চক্ষু ইনস্টিটিউটে প্রেরণ করা হয়।

আহত আল আমিনের মামা রহমত আলী জানান, আহত আল আমিনের ঘাড়ে একাধিক গুলির চিহ্ন রয়েছে। চোখে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। আল আমিনের একটি চোখ নষ্ট হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে আল আমিন জুতা কেনার জন্য বাজারে গেলে হঠাৎ সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। এ সময় আল আমিন দৌড়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করলে তার ঘাড়ে গুলি লাগে।

তিনি আরও জানান, এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আল আমিন খুব গরিব অসহায়। তিনি সিএনজি চালিয়ে তার ছোট ৪ সন্তানকে নিয়ে জীপনযাপন করে আসছে। আমরা গরিব অসহায় মানুষ, কার কাছে বিচার চাইবো। ঋণ করে চিকিৎসা করানো হচ্ছে। কেউ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি