ঢাকা ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শায়েস্তাগঞ্জে পিকআপ-ট্রাকের সংঘর্ষে চালক নিহত Logo চুনারুঘাট উপজেলার চন্ডিছড়া চা বাগানে ভার্চুয়ালি ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo হবিগঞ্জে দুপক্ষের সংঘর্ষে ২ জন নিহত,আহত ৪০ Logo শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নিজস্ব কোনো ভবন নেই দাপ্তরিক কাজ হচ্ছে ভাড়া বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে। Logo শায়েস্তাগঞ্জে ভয়াবহ যানজট-দেখার যেন কেউ নেই Logo মাধবপুর পাহাড়ি ঢলে পানিবন্দি ৫ শতাধিক পরিবার, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি Logo চুনারুঘাটে খোয়াই নদীতে গোসল করতে গিয়ে বৃদ্ধ নিখোঁজ Logo শায়েস্তাগঞ্জে বার্মিংহাম সিটি কাউন্সিলর আব্দুল আহাদকে প্রেসক্লাবের সংবর্ধনা Logo ‘বাজেট বুঝি না, শুধু দুবেলা খাবার চাই’ Logo ‘চা শ্রমিকের কোনো পরিবর্তন নেই’প্রতিদিন ১৮৭ টাকা মজুরি নিয়ে দুর্দশার জীবন কাটাছে

হবিগঞ্জের সাতছড়ি গাছ চুরির অভিযোগে বন বিভাগের ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ও তেলমাছড়া বনের গাছ চুরির অভিযোগে বন বিভাগের চার কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বেচ্ছাসেবক বন্যপ্রাণী সংগঠন পাখি প্রেমিক সোসাইটির আহ্বায়ক মুজাহিদ মসি হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক মুহাম্মদ শাহেদুল আলম মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআই হবিগঞ্জকে তদন্তের নির্দেশ দেন। মামলাটি সিআর নং-৭৪৫/২৫ হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। আদালত আগামী ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দিয়েছেন।

মামলায় অভিযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন সাতছড়ি উদ্যানের রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ, জুনিয়র ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট নূর মোহাম্মদ, তেলমাছড়া বিট কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ও বন রক্ষক সুমন বিশ্বাস।

এজাহারে বলা হয়, গত ২ মার্চ, ২০ মার্চ ও ৯ আগস্ট সাতছড়ি ও তেলমাছড়া বিট থেকে বিপুল পরিমাণ সেগুন ও মূল্যবান বনজ গাছ কেটে বিক্রি করা হয়। পাশাপাশি বন্যপ্রাণী পাচার, শিকারিদের সহযোগিতা, বনের ফল বিক্রি করে বন্যপ্রাণীর খাদ্য সংকট তৈরি এবং বনে প্রবেশের টিকেট প্রাপ্ত রাজস্বের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগও আনা হয়েছে। মামলার আইনজীবী শাহ ফখরুজ্জামান জানান, ‘উদ্যানের মূল্যবান গাছ চুরির ঘটনা দীর্ঘদিনের। জনস্বার্থে মামলা হয়েছে এবং সঠিক রায়ের জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

যোগাযোগ করা হলে সিলেটের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) আবুল কালাম বলেন, ‘আমরাও তদন্ত করছি। যারা জড়িত, তাদের বিচার হওয়া উচিত।’ মামলার আইনজীবী শাহ ফখরুজ্জামান জানান, ‘উদ্যানের মূল্যবান গাছ চুরির ঘটনা দীর্ঘদিনের। জনস্বার্থে মামলা হয়েছে এবং সঠিক রায়ের জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

যোগাযোগ করা হলে সিলেটের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) আবুল কালাম বলেন, ‘আমরাও তদন্ত করছি। যারা জড়িত, তাদের বিচার হওয়া উচিত।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:২২:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৭৯ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জের সাতছড়ি গাছ চুরির অভিযোগে বন বিভাগের ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় ০৮:২২:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ও তেলমাছড়া বনের গাছ চুরির অভিযোগে বন বিভাগের চার কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বেচ্ছাসেবক বন্যপ্রাণী সংগঠন পাখি প্রেমিক সোসাইটির আহ্বায়ক মুজাহিদ মসি হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক মুহাম্মদ শাহেদুল আলম মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআই হবিগঞ্জকে তদন্তের নির্দেশ দেন। মামলাটি সিআর নং-৭৪৫/২৫ হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। আদালত আগামী ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দিয়েছেন।

মামলায় অভিযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন সাতছড়ি উদ্যানের রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ, জুনিয়র ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট নূর মোহাম্মদ, তেলমাছড়া বিট কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ও বন রক্ষক সুমন বিশ্বাস।

এজাহারে বলা হয়, গত ২ মার্চ, ২০ মার্চ ও ৯ আগস্ট সাতছড়ি ও তেলমাছড়া বিট থেকে বিপুল পরিমাণ সেগুন ও মূল্যবান বনজ গাছ কেটে বিক্রি করা হয়। পাশাপাশি বন্যপ্রাণী পাচার, শিকারিদের সহযোগিতা, বনের ফল বিক্রি করে বন্যপ্রাণীর খাদ্য সংকট তৈরি এবং বনে প্রবেশের টিকেট প্রাপ্ত রাজস্বের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগও আনা হয়েছে। মামলার আইনজীবী শাহ ফখরুজ্জামান জানান, ‘উদ্যানের মূল্যবান গাছ চুরির ঘটনা দীর্ঘদিনের। জনস্বার্থে মামলা হয়েছে এবং সঠিক রায়ের জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

যোগাযোগ করা হলে সিলেটের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) আবুল কালাম বলেন, ‘আমরাও তদন্ত করছি। যারা জড়িত, তাদের বিচার হওয়া উচিত।’ মামলার আইনজীবী শাহ ফখরুজ্জামান জানান, ‘উদ্যানের মূল্যবান গাছ চুরির ঘটনা দীর্ঘদিনের। জনস্বার্থে মামলা হয়েছে এবং সঠিক রায়ের জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

যোগাযোগ করা হলে সিলেটের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) আবুল কালাম বলেন, ‘আমরাও তদন্ত করছি। যারা জড়িত, তাদের বিচার হওয়া উচিত।’