ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ‘চা শ্রমিকের কোনো পরিবর্তন নেই’প্রতিদিন ১৮৭ টাকা মজুরি নিয়ে দুর্দশার জীবন কাটাছে Logo মহান মে দিবস আজ শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন Logo খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কায় হাজারো কৃষক Logo এক মুঠো ধানও ঘরে তুলতে পারব না ২ হাজার ৭১০ হেক্টর জমির ধান তলিয়ে গেছে Logo শায়েস্তাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হলেন প্রভাষক কামরুল হাসান রিপন Logo হবিগঞ্জে ৩টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা Logo আজমিরীগঞ্জে শ্রমিক ও মেশিনের অভাবে মাঠেই নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় বোরো ধান Logo স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও অবহেলিত মাধবপুরের শামসুন্নাহার Logo হবিগঞ্জ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন, ভোগান্তি চরমে Logo হবিগঞ্জে ভুল প্রশ্নে দাখিল পরীক্ষা, তিনজনকে অব্যাহতি

শায়েস্তাগঞ্জে নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই শেষ হয়ে যায় ট্রেনের টিকেট ॥ বেশি টাকা দিলে মিলে

স্টাফ রিপোর্টার

শায়েস্তাগঞ্জে নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই শেষ হয়ে যায় ট্রেনের টিকিট। পড়ে বেশি টাকা দিলে মিলে টিকেট। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে কাউন্টার ও অনলাইনে একযোগে টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যেই সমুদয় টিকিট উধাও হয়ে যায়। ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-চট্টগ্রাম উভয় পথের আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর টিকিটের এক-ই অবস্থা।

এরপরও কিছু টিকিট প্রত্যাশী নির্ধারিত সময়ে কাউন্টারে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও কাউন্টার থেকে পাওয়া যায় না আন্তনগর ট্রেনের টিকেট নামক সোনার হরিণ। একই অবস্থা অনলাইনেও। নির্ধারিত সময়ের আগে থেকে অবিরাম চেষ্টা করলেও অনলাইনে অ্যাপসের মাধ্যমে টিকিট পাওয়া সম্ভব হয় না।

তবে কাউন্টার কিংবা অনলাইনে টিকিট পেতে ব্যর্থ হলেও কিছু অসাধু কর্মচারিদের কাছে সব সময় আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর টিকেট পাওয়া যায়। কাঙ্খিত টিকিটের দ্বিগুণ তিনগুণ দাম দিলে রেল কাউন্টারের সামনেই রেলওয়ের অসাধু কর্মচারীর হাতে পাওয়া যায় আন্তঃনগর ট্রেনের সব শ্রেণির টিকিট।

মাঝে মধ্যে আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা কালোবাজারিদের ধরলেও এসব মাষ্টার মাইন্ডের টিকেটের রাঘব বোয়াল বরাবরের মতোই থেকে যায় ধরা ছোয়ার বাইরে। যার ফলে কালোবাজারে টিকেট বিক্রি বন্ধ হচ্ছে না। এমন কি শায়েস্তাগঞ্জ রেল স্টেশনে কাঙ্খিত গন্তব্যের টিকিট না পেলে, ওই ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাবে শমসেরনগর, কুলাউড়া, ভানুগাছ, শ্রীমঙ্গল, মাইজগাঁও, সিলেট, শাহজীবাজার, নোয়াপাড়া, মনতলা, আজমপুর রেল স্টেশন থেকে।

এগুলোর ব্যবস্থা করে অসাধু রেল কর্মচারী ও কালোবাজারী চক্রটি। ঢাকা ও চট্টগ্রাম রেলপথের আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর টিকিট কালোবাজারীদের কাছে হরহামেশাই পাওয়া যায়। তবে কারা এসব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট কালোবাজারে বিক্রি করছে তা জানেন না স্টেশনের ম্যানেজার। দায়িত্বশীলদের এমন ‘অন্ধত্বের সুযোগে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারী চক্র।

’ শায়েস্তাগঞ্জ রেল স্টেশনে ট্রেনের অপেক্ষায় থাকা যাত্রী রুহুল আমিন কদ্দুছ জানান, অনেক কষ্টে বেশি দাম দিয়ে একটি চট্টগ্রামের টিকিট কিনেছি। ট্রেনের টিকিট কালোবাজারী মুক্ত রাখার জন্য টিকিটের গায়ে যাত্রীর নাম ও মোবাইল নম্বর দেয়া আছে। তবে টিকিট বাহক যাত্রী, টিকিটে উল্লেখিত ব্যক্তিই কি-না তা যাচাই করা হয় না।

ফলে, কালোবাজারে টিকিট বেচাকেনার সম্ভাবনা থেকেই যায়। সিলেট বিভাগের ঐতিহ্যবাহী শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশন। ২০১৩ সালে মডেল স্টেশনে রূপান্তর করা হয়। এরপর থেকে প্রতিদিন ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন রুটে ১৫টি ট্রেন চলাচল করছে।

কিন্তু প্রত্যেকটি ট্রেনের টিকেটের বরাদ্দ শায়েস্তাগঞ্জে মাত্র ২০টির বেশি। কিন্তু টিকেট বিতরণের সময় থেকেই টিকেট পাওয়া যায় না।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:০২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪
২১৯ বার পড়া হয়েছে

শায়েস্তাগঞ্জে নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই শেষ হয়ে যায় ট্রেনের টিকেট ॥ বেশি টাকা দিলে মিলে

আপডেট সময় ০২:০২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪

শায়েস্তাগঞ্জে নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই শেষ হয়ে যায় ট্রেনের টিকিট। পড়ে বেশি টাকা দিলে মিলে টিকেট। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে কাউন্টার ও অনলাইনে একযোগে টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যেই সমুদয় টিকিট উধাও হয়ে যায়। ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-চট্টগ্রাম উভয় পথের আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর টিকিটের এক-ই অবস্থা।

এরপরও কিছু টিকিট প্রত্যাশী নির্ধারিত সময়ে কাউন্টারে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও কাউন্টার থেকে পাওয়া যায় না আন্তনগর ট্রেনের টিকেট নামক সোনার হরিণ। একই অবস্থা অনলাইনেও। নির্ধারিত সময়ের আগে থেকে অবিরাম চেষ্টা করলেও অনলাইনে অ্যাপসের মাধ্যমে টিকিট পাওয়া সম্ভব হয় না।

তবে কাউন্টার কিংবা অনলাইনে টিকিট পেতে ব্যর্থ হলেও কিছু অসাধু কর্মচারিদের কাছে সব সময় আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর টিকেট পাওয়া যায়। কাঙ্খিত টিকিটের দ্বিগুণ তিনগুণ দাম দিলে রেল কাউন্টারের সামনেই রেলওয়ের অসাধু কর্মচারীর হাতে পাওয়া যায় আন্তঃনগর ট্রেনের সব শ্রেণির টিকিট।

মাঝে মধ্যে আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা কালোবাজারিদের ধরলেও এসব মাষ্টার মাইন্ডের টিকেটের রাঘব বোয়াল বরাবরের মতোই থেকে যায় ধরা ছোয়ার বাইরে। যার ফলে কালোবাজারে টিকেট বিক্রি বন্ধ হচ্ছে না। এমন কি শায়েস্তাগঞ্জ রেল স্টেশনে কাঙ্খিত গন্তব্যের টিকিট না পেলে, ওই ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাবে শমসেরনগর, কুলাউড়া, ভানুগাছ, শ্রীমঙ্গল, মাইজগাঁও, সিলেট, শাহজীবাজার, নোয়াপাড়া, মনতলা, আজমপুর রেল স্টেশন থেকে।

এগুলোর ব্যবস্থা করে অসাধু রেল কর্মচারী ও কালোবাজারী চক্রটি। ঢাকা ও চট্টগ্রাম রেলপথের আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর টিকিট কালোবাজারীদের কাছে হরহামেশাই পাওয়া যায়। তবে কারা এসব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট কালোবাজারে বিক্রি করছে তা জানেন না স্টেশনের ম্যানেজার। দায়িত্বশীলদের এমন ‘অন্ধত্বের সুযোগে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারী চক্র।

’ শায়েস্তাগঞ্জ রেল স্টেশনে ট্রেনের অপেক্ষায় থাকা যাত্রী রুহুল আমিন কদ্দুছ জানান, অনেক কষ্টে বেশি দাম দিয়ে একটি চট্টগ্রামের টিকিট কিনেছি। ট্রেনের টিকিট কালোবাজারী মুক্ত রাখার জন্য টিকিটের গায়ে যাত্রীর নাম ও মোবাইল নম্বর দেয়া আছে। তবে টিকিট বাহক যাত্রী, টিকিটে উল্লেখিত ব্যক্তিই কি-না তা যাচাই করা হয় না।

ফলে, কালোবাজারে টিকিট বেচাকেনার সম্ভাবনা থেকেই যায়। সিলেট বিভাগের ঐতিহ্যবাহী শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশন। ২০১৩ সালে মডেল স্টেশনে রূপান্তর করা হয়। এরপর থেকে প্রতিদিন ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন রুটে ১৫টি ট্রেন চলাচল করছে।

কিন্তু প্রত্যেকটি ট্রেনের টিকেটের বরাদ্দ শায়েস্তাগঞ্জে মাত্র ২০টির বেশি। কিন্তু টিকেট বিতরণের সময় থেকেই টিকেট পাওয়া যায় না।