ঢাকা ০৬:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

হবিগঞ্জে নিজ ঘর থেকে গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:-

হবিগঞ্জে নিজ ঘর থেকে গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদিকে ঘটনার পর থেকে নিহতের দেবর পলাতক।রোববার রাতে সদর উপজেলার পইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আলম আরা বেগম (৩০) ওই পইল গ্রামের সিতু মিয়ার স্ত্রী। নিহতের স্বামী স্থানীয় বাজারে সবজির ব্যবসা করেন। তার ভাই কদর আলী মুদি ব্যবসা করেন। দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার বি‌কেলে সিতু মিয়া বাজারে সবজি নিয়ে যান। তার ছেলে বাবার কাছে সবজি আনতে যায়। এ সময় ঘরে ওই গৃহবধূ একা অবস্থান করছিলেন। ছেলে বাজার থেকে ফিরে মায়ের গলাকাটা অবস্থায় ঘরে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের জন্য এলাকাবাসী নিহতের দেবর কদর আলীকে দায়ী করেন। এরপর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল জলিল মিন্টু বলেন, দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ছিল। বেশ কয়েকবার তাদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। আমি তাদের বিরোধ একাধিকবার নিষ্পত্তি করে দিয়েছি। ধারণা করছি সে হয়তো হত্যা করে থাকতে পারে।

এ বিষয়ে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটি এম শাহাবুদ্দিন শাহীন বলেন, দেবর তার ভাবিকে পারিবারিক বিরোধের জেরে হত্যা করেছে। সে পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৩:২৯:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫
২১৪ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জে নিজ ঘর থেকে গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৩:২৯:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫

হবিগঞ্জে নিজ ঘর থেকে গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদিকে ঘটনার পর থেকে নিহতের দেবর পলাতক।রোববার রাতে সদর উপজেলার পইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আলম আরা বেগম (৩০) ওই পইল গ্রামের সিতু মিয়ার স্ত্রী। নিহতের স্বামী স্থানীয় বাজারে সবজির ব্যবসা করেন। তার ভাই কদর আলী মুদি ব্যবসা করেন। দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার বি‌কেলে সিতু মিয়া বাজারে সবজি নিয়ে যান। তার ছেলে বাবার কাছে সবজি আনতে যায়। এ সময় ঘরে ওই গৃহবধূ একা অবস্থান করছিলেন। ছেলে বাজার থেকে ফিরে মায়ের গলাকাটা অবস্থায় ঘরে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের জন্য এলাকাবাসী নিহতের দেবর কদর আলীকে দায়ী করেন। এরপর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল জলিল মিন্টু বলেন, দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ছিল। বেশ কয়েকবার তাদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। আমি তাদের বিরোধ একাধিকবার নিষ্পত্তি করে দিয়েছি। ধারণা করছি সে হয়তো হত্যা করে থাকতে পারে।

এ বিষয়ে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটি এম শাহাবুদ্দিন শাহীন বলেন, দেবর তার ভাবিকে পারিবারিক বিরোধের জেরে হত্যা করেছে। সে পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।