ঢাকা ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo হবিগঞ্জে বেপরোয়া ট্রান্সফরমার চোরচক্র, সংকটে চা শিল্প Logo বানিয়াচংয়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ১১ শিশু, উৎকন্ঠায় অভিভাবক Logo বানিয়াচংয়ে হাওরে কৃষকের আতঙ্ক আকস্মিক বন্যা ও শিলাবৃষ্টি, ফসল নিয়ে শঙ্কা Logo বানিয়াচংয়ে ব্রিজ উদ্বোধনের দুইদিন পরই এমপি জীবনের নামফলক উধাও Logo শায়েস্তাগঞ্জে ১ হাজার কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ Logo হবিগঞ্জে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন Logo হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন Logo বৈশাখী মেলা ঘিরে মাটির জিনিসপত্র তৈরীতে ব্যস্ত শায়েস্তাগঞ্জের মৃৎশিল্পীরা Logo খোয়াই নদীতে অবাধে মাটি-বালু উত্তোলন ॥ ভাঙন আতঙ্ক Logo হবিগঞ্জে টানা বর্ষণে বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

চ্যাম্পিয়ন হয়ে ভারত পেল ২৯ কোটি টাকা, অন্যরা কত?

স্পোর্টস ডেস্ক

ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে শনিবার পর্দা নেমেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসরের। যেখানে প্রোটিয়াদের কাঁদিয়ে ১৭ বছর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা উচিয়ে ধরেছে ভারত। এর আগে ২০০৭ সালে প্রথমবার শিরোপা জিতেছিল তারা।

এই আসরে শিরোপা জেতার পাশাপাশি বিপুল অঙ্কের অর্থও প্রাইজমানি হিসেবে পেয়েছে ভারত। আইসিসি আগেই ঘোষণা দিয়েছিল এবারের আসরের প্রাইজমানি আগের আসরের দ্বিগুণ হবে। যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে রেকর্ড।

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলগুলোর অর্থ পুরস্কারের জন্য আইসিসির মোট বরাদ্দ ছিল ১১.২৫ মিলিয়ন ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় ১৩২ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে শিরোপাজয়ী ভারত পেয়েছে ২৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২৯ কোটি টাকা। আর রানার্সআপ হয়ে ১.২৮ মিলিয়ন যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে ১৫ কোটি টাকা পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

সেমিফাইনালে বিদায় নেওয়া ইংল্যান্ড এবং আফগানিস্তান পুরস্কারমূল্য হিসাবে পেয়েছে ৭ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ ডলার যা বাংলাদেশি মূল্যে দাঁড়ায় ৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

সুপার এইট থেকে বাদ পড়া চার দল পেয়েছে ৩ লাখ ৮২ হাজার ৫০০ ডলার করে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। স্বাভাবিকভাবেই সুপার এইটে উঠে একটি ম্যাচও জিততে না পারা বাংলাদেশও সাড়ে ৪ কোটি টাকা পেয়েছে। বাংলাদেশের সমপরিমাণ টাকা পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া ৯, ১০, ১১ ও ১২ নম্বরে থাকা দল পেয়েছে ২৪৭,৫০০ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা। ১৩ থেকে ২০ নম্বরে থাকা প্রতিটি দল ২২৫ হাজার ডলার পায় যা বাংলাদেশি টাকায় ২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।

এছাড়াও সেমিফাইনাল ও ফাইনাল বাদে প্রতিটি ম্যাচ জয়ের জন্য দলগুলো পেয়েছে ৩১ হাজার ১৫৪ ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় ৩৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। এই হিসেব করলে বাংলাদেশের আয়ের অঙ্ক আরও বাড়বে। বাংলাদেশ মোট ম্যাচ জিতেছি তিনটি। এই তিন ম্যাচ থেকে বাড়তি আয় হয়েছে ১ কোটিরও বেশি। তাই সব মিলিয়ে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকার বেশি আয় করেছে বাংলাদেশ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:২৬:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪
১৫৬ বার পড়া হয়েছে

চ্যাম্পিয়ন হয়ে ভারত পেল ২৯ কোটি টাকা, অন্যরা কত?

আপডেট সময় ০৭:২৬:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪

ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে শনিবার পর্দা নেমেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসরের। যেখানে প্রোটিয়াদের কাঁদিয়ে ১৭ বছর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা উচিয়ে ধরেছে ভারত। এর আগে ২০০৭ সালে প্রথমবার শিরোপা জিতেছিল তারা।

এই আসরে শিরোপা জেতার পাশাপাশি বিপুল অঙ্কের অর্থও প্রাইজমানি হিসেবে পেয়েছে ভারত। আইসিসি আগেই ঘোষণা দিয়েছিল এবারের আসরের প্রাইজমানি আগের আসরের দ্বিগুণ হবে। যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে রেকর্ড।

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলগুলোর অর্থ পুরস্কারের জন্য আইসিসির মোট বরাদ্দ ছিল ১১.২৫ মিলিয়ন ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় ১৩২ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে শিরোপাজয়ী ভারত পেয়েছে ২৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২৯ কোটি টাকা। আর রানার্সআপ হয়ে ১.২৮ মিলিয়ন যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে ১৫ কোটি টাকা পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

সেমিফাইনালে বিদায় নেওয়া ইংল্যান্ড এবং আফগানিস্তান পুরস্কারমূল্য হিসাবে পেয়েছে ৭ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ ডলার যা বাংলাদেশি মূল্যে দাঁড়ায় ৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

সুপার এইট থেকে বাদ পড়া চার দল পেয়েছে ৩ লাখ ৮২ হাজার ৫০০ ডলার করে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। স্বাভাবিকভাবেই সুপার এইটে উঠে একটি ম্যাচও জিততে না পারা বাংলাদেশও সাড়ে ৪ কোটি টাকা পেয়েছে। বাংলাদেশের সমপরিমাণ টাকা পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া ৯, ১০, ১১ ও ১২ নম্বরে থাকা দল পেয়েছে ২৪৭,৫০০ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা। ১৩ থেকে ২০ নম্বরে থাকা প্রতিটি দল ২২৫ হাজার ডলার পায় যা বাংলাদেশি টাকায় ২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।

এছাড়াও সেমিফাইনাল ও ফাইনাল বাদে প্রতিটি ম্যাচ জয়ের জন্য দলগুলো পেয়েছে ৩১ হাজার ১৫৪ ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় ৩৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। এই হিসেব করলে বাংলাদেশের আয়ের অঙ্ক আরও বাড়বে। বাংলাদেশ মোট ম্যাচ জিতেছি তিনটি। এই তিন ম্যাচ থেকে বাড়তি আয় হয়েছে ১ কোটিরও বেশি। তাই সব মিলিয়ে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকার বেশি আয় করেছে বাংলাদেশ।