ঢাকা ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo হবিগঞ্জের প্রবীণ সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক আর নেই Logo হবিগঞ্জ-৩ আসনে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা পৌরসভায় ১৮০ কোটি, সদর-শায়েস্তাগঞ্জ-লাখাইয়ে ২০০ কোটি টাকার প্রকল্প Logo হবিগঞ্জের পাহাড়ে সজনের ফলনে চাষিরা লাভবান Logo অবৈধ ইটভাটার নির্গত ধোঁয়ায় দূষিত হচ্ছে হবিগঞ্জে বায়ু Logo শায়েস্তাগঞ্জ রেল জংশন, নেই সক্রিয় শাখা লাইন কাজে আসছে না Logo দেড় মাসেও মেরামত হয়নি খোয়াই নদীর বাঁধ, ফের ভাঙন—ঢলের পানি ঢুকছে লোকালয়ে Logo শায়েস্তাগঞ্জে পুকুর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য Logo জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি Logo রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল Logo হবিগঞ্জে ৮টির মধ্যে ৪ বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ, বেড়েছে লোডশেডিং

বানিয়াচংয়ে ২২০০ বিঘা জমির ধান পানির নিচে

নিজস্ব প্রতিবেদক

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় নদীর পানি ঢুকে প্রায় ২ হাজার ২০০ বিঘা বোরো ধানের জমি তলিয়ে গেছে। এতে কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

রবিবার (৫ এপ্রিল) রাত ৮টা পর্যন্ত উপজেলার সুজাতপুর ইউনিয়নের রত্না নদীর পানি উগলী হাওরে ঢুকলে এসব জমি তলিয়ে যায়। একইভাবে বাতাসর ও বালি হাওরেও পানি ঢুকেছে। সেখানে আরো প্রায় ৭ হাজার বিঘা জমির ধান তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, ধানের শীষ বের হওয়ার এ পর্যায়ে ক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় ফসল ঘরে তোলার সম্ভাবনা নেই। বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন তারা।

উগলী হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত ২ হাজার ২০০ বিঘা জমির মধ্যে বরগাচাষি সিজিল মিয়ার ৩০ বিঘা, উজ্জ্বল মিয়ার ৩৫ বিঘা, সাজিদ মিয়ার ১০ বিঘা, আকল মিয়ার ১২০ বিঘা, আদম আলীর ১০ বিঘা ও আউয়াল মিয়ার ৫ বিঘা জমি রয়েছে।

স্থানীয় কৃষক রুজ মিয়া, আলফু মিয়া ও শাহজাহান মিয়া জানান, বৃষ্টি না হলে নতুন করে ধান তলিয়ে যাবে না। পাকা ধান কাটার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সুজাতপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাদিকুর রহমান বলেন, ‍“এক সপ্তাহ ধরে বাঁধ উপচে উগলী, বাতাসর ও বালি হাওরে পানি ঢুকছে। উগলী হাওরে কয়েকশ কৃষকের ২ হাজার ২০০ বিঘা জমির ধান এরই মধ্যে তলিয়ে গেছে। পানি বাড়তে থাকলে বাতাসর ও বালি হাওরের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে।”

বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা বেগম সাথী বলেন, “ধান তলিয়ে যাওয়ার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক তথ্য আসেনি। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. আকতারুজ্জামান বলেন, “আমাদের কাছে ২৪০ বিঘার মত জমি তলিয়ে যাওয়ার খবর এসেছে। এ ব্যাপারে গুরুত্বসহকারে খবর নেওয়া হচ্ছে।”

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:১৮:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
৯৭ বার পড়া হয়েছে

বানিয়াচংয়ে ২২০০ বিঘা জমির ধান পানির নিচে

আপডেট সময় ০১:১৮:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় নদীর পানি ঢুকে প্রায় ২ হাজার ২০০ বিঘা বোরো ধানের জমি তলিয়ে গেছে। এতে কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

রবিবার (৫ এপ্রিল) রাত ৮টা পর্যন্ত উপজেলার সুজাতপুর ইউনিয়নের রত্না নদীর পানি উগলী হাওরে ঢুকলে এসব জমি তলিয়ে যায়। একইভাবে বাতাসর ও বালি হাওরেও পানি ঢুকেছে। সেখানে আরো প্রায় ৭ হাজার বিঘা জমির ধান তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, ধানের শীষ বের হওয়ার এ পর্যায়ে ক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় ফসল ঘরে তোলার সম্ভাবনা নেই। বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন তারা।

উগলী হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত ২ হাজার ২০০ বিঘা জমির মধ্যে বরগাচাষি সিজিল মিয়ার ৩০ বিঘা, উজ্জ্বল মিয়ার ৩৫ বিঘা, সাজিদ মিয়ার ১০ বিঘা, আকল মিয়ার ১২০ বিঘা, আদম আলীর ১০ বিঘা ও আউয়াল মিয়ার ৫ বিঘা জমি রয়েছে।

স্থানীয় কৃষক রুজ মিয়া, আলফু মিয়া ও শাহজাহান মিয়া জানান, বৃষ্টি না হলে নতুন করে ধান তলিয়ে যাবে না। পাকা ধান কাটার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সুজাতপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাদিকুর রহমান বলেন, ‍“এক সপ্তাহ ধরে বাঁধ উপচে উগলী, বাতাসর ও বালি হাওরে পানি ঢুকছে। উগলী হাওরে কয়েকশ কৃষকের ২ হাজার ২০০ বিঘা জমির ধান এরই মধ্যে তলিয়ে গেছে। পানি বাড়তে থাকলে বাতাসর ও বালি হাওরের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে।”

বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা বেগম সাথী বলেন, “ধান তলিয়ে যাওয়ার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক তথ্য আসেনি। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. আকতারুজ্জামান বলেন, “আমাদের কাছে ২৪০ বিঘার মত জমি তলিয়ে যাওয়ার খবর এসেছে। এ ব্যাপারে গুরুত্বসহকারে খবর নেওয়া হচ্ছে।”