ঢাকা ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শায়েস্তাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হলেন প্রভাষক কামরুল হাসান রিপন Logo হবিগঞ্জে ৩টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা Logo আজমিরীগঞ্জে শ্রমিক ও মেশিনের অভাবে মাঠেই নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় বোরো ধান Logo স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও অবহেলিত মাধবপুরের শামসুন্নাহার Logo হবিগঞ্জ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন, ভোগান্তি চরমে Logo হবিগঞ্জে ভুল প্রশ্নে দাখিল পরীক্ষা, তিনজনকে অব্যাহতি Logo শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে ডিসপেন্সারিতে চিকিৎসক নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন Logo নিখোঁজের ৪ দিন পর চুনারুঘাটে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় নারীর মরদেহ উদ্ধার Logo সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেলেন হবিগঞ্জের শাম্মী আক্তার Logo নবীগঞ্জে জমিজমা নিয়ে সংঘর্ষে এক কলেজ ছাত্র নিহত ও আহত ২০

বানিয়াচংয়ে ২২০০ বিঘা জমির ধান পানির নিচে

নিজস্ব প্রতিবেদক

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় নদীর পানি ঢুকে প্রায় ২ হাজার ২০০ বিঘা বোরো ধানের জমি তলিয়ে গেছে। এতে কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

রবিবার (৫ এপ্রিল) রাত ৮টা পর্যন্ত উপজেলার সুজাতপুর ইউনিয়নের রত্না নদীর পানি উগলী হাওরে ঢুকলে এসব জমি তলিয়ে যায়। একইভাবে বাতাসর ও বালি হাওরেও পানি ঢুকেছে। সেখানে আরো প্রায় ৭ হাজার বিঘা জমির ধান তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, ধানের শীষ বের হওয়ার এ পর্যায়ে ক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় ফসল ঘরে তোলার সম্ভাবনা নেই। বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন তারা।

উগলী হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত ২ হাজার ২০০ বিঘা জমির মধ্যে বরগাচাষি সিজিল মিয়ার ৩০ বিঘা, উজ্জ্বল মিয়ার ৩৫ বিঘা, সাজিদ মিয়ার ১০ বিঘা, আকল মিয়ার ১২০ বিঘা, আদম আলীর ১০ বিঘা ও আউয়াল মিয়ার ৫ বিঘা জমি রয়েছে।

স্থানীয় কৃষক রুজ মিয়া, আলফু মিয়া ও শাহজাহান মিয়া জানান, বৃষ্টি না হলে নতুন করে ধান তলিয়ে যাবে না। পাকা ধান কাটার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সুজাতপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাদিকুর রহমান বলেন, ‍“এক সপ্তাহ ধরে বাঁধ উপচে উগলী, বাতাসর ও বালি হাওরে পানি ঢুকছে। উগলী হাওরে কয়েকশ কৃষকের ২ হাজার ২০০ বিঘা জমির ধান এরই মধ্যে তলিয়ে গেছে। পানি বাড়তে থাকলে বাতাসর ও বালি হাওরের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে।”

বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা বেগম সাথী বলেন, “ধান তলিয়ে যাওয়ার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক তথ্য আসেনি। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. আকতারুজ্জামান বলেন, “আমাদের কাছে ২৪০ বিঘার মত জমি তলিয়ে যাওয়ার খবর এসেছে। এ ব্যাপারে গুরুত্বসহকারে খবর নেওয়া হচ্ছে।”

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:১৮:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
২৯ বার পড়া হয়েছে

বানিয়াচংয়ে ২২০০ বিঘা জমির ধান পানির নিচে

আপডেট সময় ০১:১৮:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় নদীর পানি ঢুকে প্রায় ২ হাজার ২০০ বিঘা বোরো ধানের জমি তলিয়ে গেছে। এতে কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

রবিবার (৫ এপ্রিল) রাত ৮টা পর্যন্ত উপজেলার সুজাতপুর ইউনিয়নের রত্না নদীর পানি উগলী হাওরে ঢুকলে এসব জমি তলিয়ে যায়। একইভাবে বাতাসর ও বালি হাওরেও পানি ঢুকেছে। সেখানে আরো প্রায় ৭ হাজার বিঘা জমির ধান তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, ধানের শীষ বের হওয়ার এ পর্যায়ে ক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় ফসল ঘরে তোলার সম্ভাবনা নেই। বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন তারা।

উগলী হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত ২ হাজার ২০০ বিঘা জমির মধ্যে বরগাচাষি সিজিল মিয়ার ৩০ বিঘা, উজ্জ্বল মিয়ার ৩৫ বিঘা, সাজিদ মিয়ার ১০ বিঘা, আকল মিয়ার ১২০ বিঘা, আদম আলীর ১০ বিঘা ও আউয়াল মিয়ার ৫ বিঘা জমি রয়েছে।

স্থানীয় কৃষক রুজ মিয়া, আলফু মিয়া ও শাহজাহান মিয়া জানান, বৃষ্টি না হলে নতুন করে ধান তলিয়ে যাবে না। পাকা ধান কাটার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সুজাতপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাদিকুর রহমান বলেন, ‍“এক সপ্তাহ ধরে বাঁধ উপচে উগলী, বাতাসর ও বালি হাওরে পানি ঢুকছে। উগলী হাওরে কয়েকশ কৃষকের ২ হাজার ২০০ বিঘা জমির ধান এরই মধ্যে তলিয়ে গেছে। পানি বাড়তে থাকলে বাতাসর ও বালি হাওরের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে।”

বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা বেগম সাথী বলেন, “ধান তলিয়ে যাওয়ার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক তথ্য আসেনি। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. আকতারুজ্জামান বলেন, “আমাদের কাছে ২৪০ বিঘার মত জমি তলিয়ে যাওয়ার খবর এসেছে। এ ব্যাপারে গুরুত্বসহকারে খবর নেওয়া হচ্ছে।”