ঢাকা ০৮:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo হবিগঞ্জে ৩টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা Logo আজমিরীগঞ্জে শ্রমিক ও মেশিনের অভাবে মাঠেই নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় বোরো ধান Logo স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও অবহেলিত মাধবপুরের শামসুন্নাহার Logo হবিগঞ্জ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন, ভোগান্তি চরমে Logo হবিগঞ্জে ভুল প্রশ্নে দাখিল পরীক্ষা, তিনজনকে অব্যাহতি Logo শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে ডিসপেন্সারিতে চিকিৎসক নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন Logo নিখোঁজের ৪ দিন পর চুনারুঘাটে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় নারীর মরদেহ উদ্ধার Logo সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেলেন হবিগঞ্জের শাম্মী আক্তার Logo নবীগঞ্জে জমিজমা নিয়ে সংঘর্ষে এক কলেজ ছাত্র নিহত ও আহত ২০ Logo হবিগঞ্জে বেপরোয়া ট্রান্সফরমার চোরচক্র, সংকটে চা শিল্প

জেলায় ৩৯৯ হেক্টর আমন ধান ও ৮০ হেক্টর শাক-সবজির ক্ষতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

জেলায় বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপকভাবে ‘শিলাবৃষ্টি’ হয়েছে। চলতি মৌসুমের রোপা আমনসহ শাক-সবজির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে ৩৯৯ হেক্টর আমন ও ৮০ হেক্টর শাক-সবজির ক্ষতি নষ্ট হয়েছে।

এতে ধান ও শাক সবজির ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অনেক কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। লোকসান পুষিতে তুলতে মাথায় হাত পড়েছে তাদের। জানা যায়, মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত হবিগঞ্জ সদর, শায়েস্তাগঞ্জ, বাহুবল ও বানিয়াচং উপজেলার ওপর দিয়ে শিলাসহ বৃষ্টিপাত ও ধমকা হাওয়া বয়ে যায়।

এ সময় প্রায় ২০ মিনিট শিলাবৃষ্টি হয়। ফলে আমন ও শাক সবজির ক্ষেত নষ্ট হয়ে যায়। এতে ক্ষতি গ্রস্থ হয়ে অনেক কৃষকের মাথায় হাত পড়েছে। লাভের আশায় শীতের শাক সবজি চাষ করে এখন লোকসানে তারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, শিলা বৃষ্টিতে জেলায় ৩৯৯ হেক্টর আমন ও ৮০ হেক্টর শাক সবজি নষ্ট হয়েছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জ সদর, শায়েস্তাগঞ্জ ও বাহুবল উপজেলায় ক্ষতির পরিমান বেশি। হবিগঞ্জ সদরে ২৯৫ হেক্টর আমন ও ৫৪ হেক্টর শাক সবজির ক্ষেত নষ্ট হয়েছে। এতে উপজেলার গোপায়া, লস্করপুর ও নিজামপুর ইউনিয়নের কৃষকরা বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। এছাড়া অনেক উপজেলায় ধানের চারায় শিষ জন্ম না নেয়ায় তেমন ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি। তবে বাতাসে ধানের চারা নুয়ে পড়লে ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

এদিকে, গতকাল বুধবার বিকেলে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেছেন হবিগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা একেএম মাকসুদুল আলম। পরিদর্শনকালে তিনি কৃষকদের সাথে কথা বলেন এবং তালিকা তৈরী করে সরকারী ভাবে সহযোগিতার আশ^াদ দেন তিনি।
হবিগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা একেএম মাকসুদুল আলম বলেন, ‘অসময়ে শিলা বৃষ্টি হয়েছে। এতে সদর উপজেলার ২৯৫ হেক্টর ধানের জমি ও ৫৪ হেক্টর শাক সবজির ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের তালিকা তৈরী করে তাদের সহযোগিতা করা হবে’।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:৪৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৪
১৪১ বার পড়া হয়েছে

জেলায় ৩৯৯ হেক্টর আমন ধান ও ৮০ হেক্টর শাক-সবজির ক্ষতি

আপডেট সময় ১২:৪৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৪

জেলায় বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপকভাবে ‘শিলাবৃষ্টি’ হয়েছে। চলতি মৌসুমের রোপা আমনসহ শাক-সবজির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে ৩৯৯ হেক্টর আমন ও ৮০ হেক্টর শাক-সবজির ক্ষতি নষ্ট হয়েছে।

এতে ধান ও শাক সবজির ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অনেক কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। লোকসান পুষিতে তুলতে মাথায় হাত পড়েছে তাদের। জানা যায়, মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত হবিগঞ্জ সদর, শায়েস্তাগঞ্জ, বাহুবল ও বানিয়াচং উপজেলার ওপর দিয়ে শিলাসহ বৃষ্টিপাত ও ধমকা হাওয়া বয়ে যায়।

এ সময় প্রায় ২০ মিনিট শিলাবৃষ্টি হয়। ফলে আমন ও শাক সবজির ক্ষেত নষ্ট হয়ে যায়। এতে ক্ষতি গ্রস্থ হয়ে অনেক কৃষকের মাথায় হাত পড়েছে। লাভের আশায় শীতের শাক সবজি চাষ করে এখন লোকসানে তারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, শিলা বৃষ্টিতে জেলায় ৩৯৯ হেক্টর আমন ও ৮০ হেক্টর শাক সবজি নষ্ট হয়েছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জ সদর, শায়েস্তাগঞ্জ ও বাহুবল উপজেলায় ক্ষতির পরিমান বেশি। হবিগঞ্জ সদরে ২৯৫ হেক্টর আমন ও ৫৪ হেক্টর শাক সবজির ক্ষেত নষ্ট হয়েছে। এতে উপজেলার গোপায়া, লস্করপুর ও নিজামপুর ইউনিয়নের কৃষকরা বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। এছাড়া অনেক উপজেলায় ধানের চারায় শিষ জন্ম না নেয়ায় তেমন ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি। তবে বাতাসে ধানের চারা নুয়ে পড়লে ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

এদিকে, গতকাল বুধবার বিকেলে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেছেন হবিগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা একেএম মাকসুদুল আলম। পরিদর্শনকালে তিনি কৃষকদের সাথে কথা বলেন এবং তালিকা তৈরী করে সরকারী ভাবে সহযোগিতার আশ^াদ দেন তিনি।
হবিগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা একেএম মাকসুদুল আলম বলেন, ‘অসময়ে শিলা বৃষ্টি হয়েছে। এতে সদর উপজেলার ২৯৫ হেক্টর ধানের জমি ও ৫৪ হেক্টর শাক সবজির ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের তালিকা তৈরী করে তাদের সহযোগিতা করা হবে’।