ঢাকা ০৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শায়েস্তাগঞ্জে জয়ন্তিকা ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন, যাত্রীদের দুর্ভোগ Logo ‘পেনশন নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন না’— পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে হবিগঞ্জের মাধবপুরে ছাত্রলীগ নেতার হুঁশিয়ারি Logo হবিগঞ্জে সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি Logo হবিগঞ্জ কারাগারে আসামির মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ পরিবারের Logo হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগে শায়েস্তাগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে বৃক্ষরোপণ প্রধানমন্ত্রীর ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ভিশন বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধপরিকর: আহমেদ আলী মুকিব Logo বাহুবলে পানিতে ডুবে হবিগঞ্জের জনপ্রিয় ক্ষুদে কনটেন্ট ক্রিয়েটর দ্বীপের মৃত্যু Logo শায়েস্তাগঞ্জের অলিপুরে মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ইউএনওর অভিযান Logo আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে শায়েস্তাগঞ্জে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo হবিগঞ্জে মায়ের অভিযোগে ছেলের ৬ মাসের কারাদণ্ড Logo যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্সে চুনারুঘাটে আল আমিন

শায়েস্তাগঞ্জে জয়ন্তিকা ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন, যাত্রীদের দুর্ভোগ

শায়েস্তাগঞ্জ প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় সিলেটগামী আন্তঃনগর ‘জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ইঞ্জিনে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর দীর্ঘ দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগ ও ভোগান্তিতে পড়েছেন শত শত যাত্রী।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশ করে। এর আগে স্টেশনের আউটার সিগন্যাল এলাকায় ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া দেখতে পান ট্রেনের চালক। পরে তিনি ধীরে ধীরে ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশ করান।

খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা স্টেশনে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুন নেভানো হলেও ট্রেনের ইঞ্জিনে বড় ধরনের ত্রুটি দেখা দেয়।

এদিকে ইঞ্জিনে আগুন লাগার খবরে ট্রেনের ভেতরে থাকা যাত্রীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। প্রাণভয়ে যাত্রীরা হুড়োহুড়ি করে ট্রেন থেকে নেমে পড়েন। এ সময় কয়েকজন যাত্রী সামান্য আহত হন।

দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ট্রেনটি শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশনে আটকা পড়ে চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। বিশেষ করে নারী, শিশু ও প্রবীণ যাত্রীদের বিড়ম্বনা ছিল সবচেয়ে বেশি। স্টেশনে পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা না থাকায় এবং আশপাশে বিকল্প কোনো পরিবহন সুবিধা না পেয়ে অনেকেই তীব্র গরম ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন। সন্ধ্যা ৭টায় ট্রেনটি স্টেশনে আটকা ছিল।

ট্রেনের যাত্রী রফিকুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ঢাকা থেকে দীর্ঘ পথ ভ্রমণ করে আসছি, সিলেটের কাছাকাছি এসে এমন বিপদে পড়ব ভাবিনি।’

শায়েস্তাগঞ্জ রেলস্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, শর্টসার্কিট থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত ইঞ্জিনটি সরিয়ে আখাউড়া থেকে বিকল্প একটি ইঞ্জিন আনা হচ্ছে। বিকল্প ইঞ্জিন এলেই ট্রেনটি সিলেটের উদ্দেশে পাঠানো হবে। এ ছাড়া অন্য কোনো ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটেনি।’

ট্রেনের পরিচালক জহির উদ্দিন বলেন, ‘শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশনের আউটার এলাকাতেই ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেয়। তখন চালক অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশ করান এবং বগিগুলো থেকে ইঞ্জিন আলাদা করে রাখেন, যাতে আগুন কোনোভাবেই যাত্রীবাহী বগিতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:১২:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
১ বার পড়া হয়েছে

শায়েস্তাগঞ্জে জয়ন্তিকা ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন, যাত্রীদের দুর্ভোগ

আপডেট সময় ০৮:১২:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় সিলেটগামী আন্তঃনগর ‘জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ইঞ্জিনে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর দীর্ঘ দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগ ও ভোগান্তিতে পড়েছেন শত শত যাত্রী।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশ করে। এর আগে স্টেশনের আউটার সিগন্যাল এলাকায় ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া দেখতে পান ট্রেনের চালক। পরে তিনি ধীরে ধীরে ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশ করান।

খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা স্টেশনে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুন নেভানো হলেও ট্রেনের ইঞ্জিনে বড় ধরনের ত্রুটি দেখা দেয়।

এদিকে ইঞ্জিনে আগুন লাগার খবরে ট্রেনের ভেতরে থাকা যাত্রীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। প্রাণভয়ে যাত্রীরা হুড়োহুড়ি করে ট্রেন থেকে নেমে পড়েন। এ সময় কয়েকজন যাত্রী সামান্য আহত হন।

দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ট্রেনটি শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশনে আটকা পড়ে চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। বিশেষ করে নারী, শিশু ও প্রবীণ যাত্রীদের বিড়ম্বনা ছিল সবচেয়ে বেশি। স্টেশনে পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা না থাকায় এবং আশপাশে বিকল্প কোনো পরিবহন সুবিধা না পেয়ে অনেকেই তীব্র গরম ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন। সন্ধ্যা ৭টায় ট্রেনটি স্টেশনে আটকা ছিল।

ট্রেনের যাত্রী রফিকুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ঢাকা থেকে দীর্ঘ পথ ভ্রমণ করে আসছি, সিলেটের কাছাকাছি এসে এমন বিপদে পড়ব ভাবিনি।’

শায়েস্তাগঞ্জ রেলস্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, শর্টসার্কিট থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত ইঞ্জিনটি সরিয়ে আখাউড়া থেকে বিকল্প একটি ইঞ্জিন আনা হচ্ছে। বিকল্প ইঞ্জিন এলেই ট্রেনটি সিলেটের উদ্দেশে পাঠানো হবে। এ ছাড়া অন্য কোনো ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটেনি।’

ট্রেনের পরিচালক জহির উদ্দিন বলেন, ‘শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশনের আউটার এলাকাতেই ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেয়। তখন চালক অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশ করান এবং বগিগুলো থেকে ইঞ্জিন আলাদা করে রাখেন, যাতে আগুন কোনোভাবেই যাত্রীবাহী বগিতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে।’